📌 ব্রাজিল ফুটবল দল প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫% খেলে বিদেশে। অর্থনৈতিক সুবিধা ও বাণিজ্যিক আকর্ষণে তারা দেশের বাইরে ঘুরে ঘুরে ম্যাচ আয়োজন করে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এই বিশাল খরচের বোঝা কাটিয়ে উঠা কঠিন হয়ে পড়ে
ব্রাজিলের ফুটবল দল প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশ খেলে বিদেশে। এই রীতি তাদের অর্থনৈতিক সুবিধা ও বাণিজ্যিক আকর্ষণে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এই বিশাল খরচের বোঝা কাটিয়ে উঠা কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে ব্রাজিলের মতো দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হয় না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের ৯১.৫ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ (৪৩টি) খেলে বিদেশে, মাত্র ৪টি ঘরে — বিশ্বের সর্বোচ্চ বিদেশী প্রীতি ম্যাচের রেকর্ডধারী দল
- 📌 ভারতের কলকাতায় ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচে ৫০ কোটি টাকা বাজেটে ৩৫-৪০ কোটি টাকা অ্যাপিয়ারেন্স ফি দেওয়া হয়েছিল
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড সরকার ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ সিরিজকে পর্যটন ও অর্থনীতির বড় আয়োজন হিসেবে প্রচার করেছিল
- 📌 ইউরোপীয় দলগুলো (ইতালি ৬৫.২%, স্পেন ৩৬%, জার্মানি ৩৪.২%) তুলনামূলক কম বিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে
- 📌 বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে ব্রাজিলের প্রতিনিধিদল সাক্ষাত করলেও প্রস্তাবিত প্রীতি ম্যাচের খরচের কারণে বাংলাদেশ ‘হ্যাঁ’ বলতে পারেনি
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) আগস্টের শেষে ঢাকায় এসে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সাক্ষাত করেছিল। সাক্ষাতের সময় ব্রাজিলের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের বিপক্ষে অক্টোবর ৫-৬ তারিখের প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বিশাল খরচের কারণে বাংলাদেশ এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারেনি। ব্রাজিলের মতো দলের জন্য যে বিপুল অর্থের খরচ, সেটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য অপেক্ষাকৃত বেশি হয়ে পড়ে।
ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের রীতি মূলত অর্থনৈতিক সুবিধা ও বাণিজ্যিক আকর্ষণে গড়ে উঠেছে। ব্রাজিলের প্রস্তাবিত প্রীতি ম্যাচের আয়োজন ভারতের কলকাতায় হয়েছিল, যেখানে প্রায় ৫০ কোটি টাকা বাজেটে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনকে ৩৫-৪০ কোটি টাকা অ্যাপিয়ারেন্স ফি দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও, দলের চার্টার্ড ফ্লাইটের খরচও প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই অর্থনৈতিক সুবিধা ব্রাজিলকে বিদেশে ঘুরে ঘুরে প্রীতি ম্যাচ খেলার প্রবণতা তৈরি করেছে।
ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশ (৪৩টি) বিদেশে খেলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৭ সাল থেকে ৪৭টি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল, যার মধ্যে মাত্র চারটি ঘরে। এই তথ্য বোলাভিআইপি ব্রাজিলের তথ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। ব্রাজিলের এই রীতি ইউরোপীয় দলগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। ইউরোপীয় দলগুলো যেমন ইতালি (৬৫.২%), স্পেন (৩৬%), জার্মানি (৩৪.২%) এবং ইংল্যান্ড (২৫%) তুলনামূলক কম বিদেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে।
"ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশ ম্যাচই দলটি অ্যাওয়েতে খেলেছে।" — বোলাভিআইপি ব্রাজিলের তথ্য
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কলকাতা, অস্ট্রেলিয়া (কুইন্সল্যান্ড), সিঙ্গাপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাবিথ আউয়াল (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯১.৫% (ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের শতাংশ বিদেশে), ৫০ কোটি টাকা (কলকাতার ম্যাচের বাজেট), ৩৫-৪০ কোটি টাকা (অ্যাপিয়ারেন্স ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!