📌 বিসিবি কর্তৃক নির্মিত টাইগার্স ডেনের নির্মাণকাজে জড়িত প্রতিষ্ঠান 'বায়া উইভার'-এর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী রায়হান মুস্তাফিজ দাবি করেছেন, ঠিকানা পরিবর্তন হলেও ট্রেড লাইসেন্সে পুরাতন ঠিকানা রয়েছে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, অডিট ক্লিয়ার হওয়ায় বিষয়টি তাদের দায়িত্বে নয়
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়দের জন্য নির্মিত টাইগার্স ডেনের নির্মাণকাজে জড়িত প্রতিষ্ঠান 'বায়া উইভার'-এর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিসিবি কর্তৃক নির্মিত এই বিলাসবহুল লাউঞ্জ ও কোয়াব অফিসের নির্মাণে ৮৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা সম্পর্কে বিসিবি কোনো তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নির্মিত টাইগার্স ডেনের নির্মাণকাজে জড়িত প্রতিষ্ঠান 'বায়া উইভার'-এর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
- 📌 বিসিবির ওয়ার্ক অর্ডারে উল্লেখিত ঠিকানা 'দেওয়ান কমপ্লেক্স (পঞ্চম তলা), এয়ারপোর্ট রোড, আম্বরখানা, সিলেট'। কিন্তু সেখানে প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই।
- 📌 রায়হান মুস্তাফিজ নামের ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বলে দাবি করেছেন, কিন্তু ঠিকানা পরিবর্তন সত্ত্বেও ট্রেড লাইসেন্সে পুরাতন ঠিকানা রয়েছে।
- 📌 বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, অডিট ক্লিয়ার হওয়ায় বিষয়টি তাদের দায়িত্বে নয়।
- 📌 টাইগার্স ডেনের নির্মাণে প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, যা ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অধীনে করা হয়েছে।
- 📌 ২৭ অক্টোবর থেকে ভারতের পাঞ্জাবে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। বাংলাদেশ এতে অংশগ্রহণ করবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্তৃক নির্মিত টাইগার্স ডেনের নির্মাণকাজে জড়িত প্রতিষ্ঠান 'বায়া উইভার'-এর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি। গত ১৭ মে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী স্বাক্ষরিত কাজের আদেশে 'বায়া উইভার' প্রতিষ্ঠানকে কোয়াব অফিসের সংস্কার নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে সিলেটের দেওয়ান কমপ্লেক্সে উল্লেখিত ঠিকানায় প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
আম্বরখানার দেওয়ান কমপ্লেক্সের পাঁচতলায় দেখা গেল, এক পাশে নগদের অফিস, অন্য পাশে তালাবদ্ধ ফাঁকা ফ্লোর। ভবনের ম্যানেজার জানিয়েছেন, এ ভবনে কখনো 'বায়া উইভার' নামের কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না।
বিসিবির ওয়ার্ক অর্ডারে উল্লেখিত বায়া উইভারের নম্বরে ফোন দিলে রায়হান মুস্তাফিজ নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ঠিকানা পরিবর্তন সত্ত্বেও ট্রেড লাইসেন্সে পুরাতন ঠিকানা রয়েছে। রায়হান বলেছেন, 'করোনার সময়ে অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন করা হলেও ট্রেড লাইসেন্সে পুরাতন ঠিকানা রয়েছে।'
বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের ম্যানেজার ইমরান হোসেন বলেছেন, 'ঢাকার সঙ্গে ওদের সিলেটেও অফিস আছে। আমি তো ঢাকারটা দেখছি।' তবে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, 'অডিট ক্লিয়ার করে দিলে আমার দিক থেকে ইয়ে (যাচাই-বাছাই করার বিষয়) থাকে না।'
টাইগার্স ডেনের নির্মাণে প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এটি তৈরি করেছে যে প্রতিষ্ঠান, সেটির ঠিকানা সম্পর্কে বিসিবি কোনো তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
"আমার প্যাডে ট্রেড লাইসেন্সে থাকা ওই অফিস (ঠিকানা) ...ওইটা আর চেঞ্জ করা হয়নি। আর এগুলো ডকুমেন্টস অফিস থেকে দেখে।"
এছাড়াও, ২৭ অক্টোবর থেকে ভারতের পাঞ্জাবে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। বাংলাদেশ এতে অংশগ্রহণ করবে। এছাড়াও, আগামী বছর চিলিতে অনুষ্ঠিত হবে অলিম্পিক বাছাইপর্ব, যেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, শেরেবাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা; আম্বরখানা, সিলেট; পাঞ্জাব, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রায়হান মুস্তাফিজ, নিজাম উদ্দীন চৌধুরী, তামিম ইকবাল, ইমরান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ লাখ ৬১ হাজার টাকা (ব্যয়), ৮৮ লাখ টাকা (টাইগার্স ডেন নির্মাণ), ১৭ মে (ওয়ার্ক অর্ডার তারিখ), ২৭ অক্টোবর (এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!