📌 বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাল্টা আক্রমণে নামে বাংলাদেশ। স্টার্কের ৬ উইকেটের বিপরীতে শরীফুল ইসলামের ৬ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া ধসে পড়ে। প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানে থেমে যায়
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল রোমাঞ্চকর। ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ এরেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম দিন শেষে ১০১ রানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান। অন্যদিকে, বাংলাদেশের ইনিংস শুরুতেই ধসে পড়ে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের বিপক্ষে স্টার্কের ৬ উইকেটের বিপরীতে শরীফুল ইসলামের পাল্টা জবাব হিসেবে ৬ উইকেট
- 📌 প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানে থেমে যায়
- 📌 বাংলাদেশের ইনিংস শুরুতেই ধসে পড়ে স্টার্কের সামনে, মাত্র ৩৪ ওভারে ৬৪ রানে অলআউট
- 📌 টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে রেকর্ড গড়ে
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার ধসে পড়ে শরীফুলের তোপে, একই ওভারে তিন উইকেট
📰 বিস্তারিত
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ এরেনায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল পুরোপুরি উইকেটের বন্যায় ভরা। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দলের শুরুতেই ধস নামে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে। মাত্র ৩৪ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ৬৪ রানে। টেস্ট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ হিসেবে রেকর্ড গড়ে। স্টার্ক নিজেও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না, কারণ তার দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছিল।
স্টার্কের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা একেবারেই দাঁড়াতে পারেননি। ম্যাচের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে দিয়ে শুরু করেন তিনি। এরপর তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও লিটন দাসকে ফিরিয়ে দ্রুত পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক। পরে মুশফিকুর রহিমকে প্যাট কামিন্স এবং মেহেদী হাসান, হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরীফুল ইসলাম। শেষ পাঁচ ব্যাটার মিলে যোগ করেন ৪৭ রান।
বাংলাদেশের ইনিংস ধসে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করতে নামে। কিন্তু দলের শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ম্যাট রেনশকে তাসকিন আহমেদের ক্যাচে বিদায় করেন শরীফুল ইসলাম। এরপর নিজের প্রথম ওভারেই পরপর দুই উইকেট তুলে নেন তিনি। ওভারের দ্বিতীয় বলে ট্রাভিস হেডকে প্লেড-অন করে বিদায় করেন শরীফুল। একই ওভারে মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন চতুর্থ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। তবে স্মিথ এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন শরীফুলের ভেতরে ঢোকা এক দারুণ ডেলিভারিতে।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বোলিং পরিবর্তনের সিদ্ধান্তেও আসে সাফল্য। অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ভুল শট খেলে মিড-অনে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দেন অ্যালেক্স ক্যারি। এরপর আবারও জোড়া আঘাত হানেন শরীফুল। একই ওভারে শূন্য রানে ফেরান বো ওয়েবস্টার ও অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে। এরপর নিজের ষষ্ঠ শিকারে পরিণত করেন স্টার্ককে, বোল্ড করে ভেঙে দেন স্টাম্প। ৬ উইকেট নিতে ৩৪ রান খরচ করেন এই বাঁহাতি পেসার।
"স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের বিপরীতে শরীফুল ইসলামের পাল্টা আক্রমণ ছিল অসাধারণ। দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার পারফরম্যান্স ছিল অতুলনীয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ম্যাকাই, গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ এরেনা, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরীফুল ইসলাম, স্টার্ক, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ উইকেট (শরীফুল), ৬ উইকেট (স্টার্ক), ১৬৫ রান (অস্ট্রেলিয়া), ৬৪ রান (বাংলাদেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!