📌 ২০২৬ বিশ্বকাপের সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। ফিফার গবেষণায় দেখা গেছে, ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকে ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্টে আর্জেন্টিনাকে লক্ষ্য করে বিদেশিবিদ্বেষ ও বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয়েছে
২০২৬ বিশ্বকাপের সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। ফিফার সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) গবেষণায় দেখা গেছে, টুর্নামেন্টের সময়কালে আর্জেন্টিনাকে লক্ষ্য করে অনলাইনে সর্বাধিক বিদ্বেষমূলক বার্তা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকের ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আর্জেন্টিনা** বিশ্বকাপের সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার — ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্টে আক্রমণ করা হয়েছে
- 📌 **কোচ লিওনেল স্কালোনিকে** রেফারির প্রতি অভিযোগের কারণে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয়েছে, যার মধ্যে বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যও ছিল
- 📌 **বর্ণবাদী মন্তব্যের শিকার** হয়েছে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের — ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের পর চতুর্থ অবস্থানে আর্জেন্টিনা
- 📌 **বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের প্রধান লক্ষ্য** দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড — অভিবাসন ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে
- 📌 **বিশ্বকাপে অনলাইন হয়রানির শিকার** একজন খেলোয়াড় বর্ণবাদ, সমকামীবিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডারবিদ্বেষমূলক আক্রমণের শিকার হয়েছেন
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে ফিফা তাদের সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) গবেষণাটি প্রকাশ করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ঘিরে রেফারিদের প্রতি অভিযোগের কারণে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয়েছে। এসব সমালোচনার সঙ্গে বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যও যুক্ত ছিল। ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে চালানো আক্রমণের ক্ষেত্রে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের পর চতুর্থ অবস্থানে ছিল আর্জেন্টিনা। এসব আক্রমণের বড় অংশজুড়ে ছিল বর্ণবাদী মন্তব্য, বিশেষ করে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, বিশ্বকাপে অনলাইন হয়রানির শিকার হওয়া একজন খেলোয়াড় বর্ণবাদ, সমকামীবিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডারবিদ্বেষমূলক আক্রমণের শিকার হয়েছেন। বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের প্রধান লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এসব মন্তব্যে অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং জাতীয় দল গঠনে খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয় উঠে এসেছে।
ফিফার গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে এই তালিকায় রয়েছে। তবে আর্জেন্টিনা সর্বোচ্চ বিদ্বেষের শিকার হয়েছে।
"আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে রেফারিদের কাছ থেকে তাঁর দল বাড়তি সুবিধা পেয়েছে বলে অভিযোগের কারণে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয়েছে। এসব সমালোচনার সঙ্গে বিদেশিবিদ্বেষমূলক মন্তব্যও যুক্ত ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সামাজিক মাধ্যম (এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল স্কালোনি, আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়রা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৭১ লাখ পোস্ট ও মন্তব্য, ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!