📌 আর্জেন্টিনা নতুন প্রজন্মের দলকে ‘প্রজেক্ট ২০৩০’-এর আওতায় নিয়ে আসছে। স্কালোনির তত্ত্বাবধানে ৩৭ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ৫১% বয়সভিত্তিক দল থেকে আসছেন, যেখানে ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পরিকল্পনায় মেসি ও ওতামেন্দির যুগের খেলোয়াড়দের উত্তরসূরি গড়ে তুলতে জোর দেওয়া হচ্ছে
আর্জেন্টিনা তাদের ‘প্রজেক্ট ২০৩০’-এর আওতায় নতুন প্রজন্মের দলকে গড়ে তুলতে এগিয়ে যাচ্ছেন। লিওনেল মেসির চিরস্থায়ী অনুপস্থিতির পর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন লিওনেল স্কালোনি। নতুন দলের ভিত্তি গড়ে তুলতে স্কালোনি বয়সভিত্তিক দল থেকে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে আসছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩৭ জনের মধ্যে ১৯ জন** স্কালোনির শুরুর দিন থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন, যাদের মধ্যে ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া ‘প্রজেক্ট ২০৩০’-এর ভিত্তি গড়ে উঠেছে।
- 📌 **৫১ শতাংশ** নতুন ডাক পাওয়াদের বয়সভিত্তিক দল থেকে আসছেন, যেখানে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জেতা দলের ৩৮.৬ শতাংশ খেলোয়াড়ের মতো অভিজ্ঞতা রয়েছে।
- 📌 **হাভিয়ের মাসচেরানো ও দিয়েগো প্লাসেন্তে** অধীনে অনূর্ধ্ব-২০ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলের খেলোয়াড়দের মূল অংশ নিয়ে গঠিত নতুন দল।
- 📌 **ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস গনসালেস, ভালেন্তিন গোমেজ** ও **আগুস্তিন গিয়াই** সহ নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের মঞ্চে উঠে আসছেন।
- 📌 স্কালোনি বলেছেন, তারা **সিস্টেমের পরিবর্তে খেলোয়াড়দের বেশি পরখ করবেন** যাতে নতুনরা দলের দর্শন বুঝতে পারে।
📰 বিস্তারিত
বলিভিয়াকে হারিয়ে নতুন প্রজন্মের দলের প্রথম ম্যাচ জিতার পর আর্জেন্টিনার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই দলের সামনে ছিল নতুন খেলোয়াড়দের দর্শন বুঝতে পারার চ্যালেঞ্জ। স্কালোনির মতে, নতুনরা সেটা বুঝতে এবং সে অনুযায়ী খেলতে প্রস্তুত। ভিত্তিটা আগেই গড়া হয়ে গিয়েছিল। লিওনেল মেসির যুগের শেষের দিকে এই পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল।
২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পরিকল্পনায় প্রথমে দিয়েগো প্লাসেন্তে ও পাবলো আইমার যুব কাঠামোতে কোচ হিসেবে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া দলের বড় অংশ ছিল বয়সভিত্তিক দল থেকে আসা খেলোয়াড়রা। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জেতা দলের ভিত্তি তো বটেই, বড় পারফর্মাররাও এসেছিলেন বয়সভিত্তিক দল থেকে। যেমন, হুলিয়ান আলভারেজ ২০২২ সালে এসেছিলেন ২০১৯ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা নিয়ে।
২০২৬ বিশ্বকাপে এই সংখ্যাটা আরও বাড়ে। ফের্নান্দো বাতিস্তার অধীনে বয়সভিত্তিক দল থেকে ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস গনসালেসরা বিশ্বকাপের মঞ্চে উঠে আসছেন। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে যাওয়া দলের ৩৮.৬ শতাংশ খেলোয়াড় অন্তত একটি বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন। এবারের ডাকে সেই হার ৫১ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
নতুন ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের মূল অংশ অবশ্য এসেছে যারা হাভিয়ের মাসচেরানোর অধীনে অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলেছেন তাদের মধ্য থেকে। ডাক পাওয়াদের মধ্যে নয়জন ছিলেন ‘ছোট বস’ মাসচেরানোর সময়ের। তাদের মধ্যে আছেন নিকো পাজ, আগুস্তিন গিয়াই, ভালেন্তিন গোমেজ, ভালেন্তিন বার্কো, রোমান বেগা ও মাতিয়াস সোলে। এছাড়াও, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো, ইকি ফার্নান্দেজ ও সান্তিয়াগো কাস্ত্রোও যুক্ত ছিলেন।
"তারা সিস্টেমের চেয়ে খেলোয়াড়দের বেশি পরখ করবেন। কারণ সিস্টেম তো আগে থেকেই ছিল, এবার শুধু জায়গায় জায়গায় খেলোয়াড়দের থিতু করার পালা।"
স্কালোনির হাতে বড় তাস হলো অতীতের সাফল্য ও তার জাতীয় দলে তার ওজন। এমন অতীত অভিজ্ঞতা আর বর্তমানের উপস্থিতি থাকলে ভবিষ্যত পরিকল্পনায় সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায় বহুগুণে। আর্জেন্টাইনরাও নিশ্চয়ই এই তিনের মেলবন্ধনই চাইবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আর্জেন্টিনা, স্পেন, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, টোকিও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল স্কালোনি, লিওনেল মেসি, হাভিয়ের মাসচেরানো, দিয়েগো প্লাসেন্তে, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গনসালেস, ভালেন্তিন গোমেজ, আগুস্তিন গিয়াই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ জন (ডাক পাওয়া খেলোয়াড়), ১৯ জন (স্কালোনির সাথে থেকে আসা), ৫১ শতাংশ (বয়সভিত্তিক দল থেকে আসা), ৩৮.৬ শতাংশ (২০২২ বিশ্বকাপের বয়সভিত্তিক দলের অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!