📌 ফিফা সোশ্যাল মিডিয়া প্রটেকশন সার্ভিসের (এসএমপিএস) প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দল অনলাইনে সবচেয়ে বেশি ঘৃণাসূচক বার্তার শিকার হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের বিরুদ্ধে গালিগালাজ, দুর্নীতির অভিযোগ ও জেনোফোবিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে
বিশ্বকাপের সময়কালে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হওয়া দল হিসেবে আর্জেন্টিনাকে চিহ্নিত করেছে ফিফা। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের স্মরণে গতকাল প্রকাশিত ফিফা সোশ্যাল মিডিয়া প্রটেকশন সার্ভিস (এসএমপিএস) প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত বিশ্বকাপ চলাকালে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৭ হাজার ২১৭টি পোস্ট ও মন্তব্য মানবীয় পর্যালোচনার জন্য চিহ্নিত হয়। পর্যালোচনা শেষে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৭৬টি পোস্ট ও মন্তব্যকে আপত্তিকর বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আর্জেন্টিনা** বিশ্বকাপে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার দল — ৪৩% মন্তব্য ছিল সাধারণ গালাগালি
- 📌 আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে **গালিগালাজ (৪৩%)**, **দুর্নীতির অভিযোগ (৯%)**, **জেনোফোবিয়া (৭%)** সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে
- 📌 **ফিফা সোশ্যাল মিডিয়া প্রটেকশন সার্ভিস (এসএমপিএস)** ১ কোটি ৭১ লাখ পোস্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে
- 📌 **রেফারিদের** ২১% আক্রমণ শিকার — শারীরিক হুমকি ও ডক্সিংয়ের শিকার হয়েছেন তারা
- 📌 **ফ্রান্সের খেলোয়াড়েরা** ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার — ১৮ হাজার আপত্তিকর মন্তব্য
📰 বিস্তারিত
বিশ্বকাপের সময়কালে (৯ জুন থেকে ২০ জুলাই) ফিফা সোশ্যাল মিডিয়া প্রটেকশন সার্ভিস (এসএমপিএস) ও সিগনিফাই গ্রুপের যৌথ প্রতিবেদনে আর্জেন্টিনাকে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার দল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দলটির বিরুদ্ধে **গালিগালাজ, দুর্নীতির অভিযোগ ও জেনোফোবিয়া** সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। ব্যবহারকারীরা দাবি করেছেন, ফিফা, ম্যাচ অফিশিয়াল ও ভিএআর আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, **রেফারিদের** ২১% আক্রমণ শিকার হয়েছে। তাদের লক্ষ্য করে শারীরিক হুমকি, সাইবার নিপীড়ন ও ডক্সিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, **ফ্রান্সের খেলোয়াড়েরা** ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার — ১৮ হাজার আপত্তিকর মন্তব্য শনাক্ত করা হয়েছে। ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের খেলোয়াড়দের পরেই তারা অবস্থান করছেন।
ফিফা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে শনাক্ত হওয়া আপত্তিকর মন্তব্যের মধ্যে **৪৩% ছিল সাধারণ গালাগালি**, **১২% বর্ণবাদী মন্তব্য**, **৯% দুর্নীতির অভিযোগ**, **৮% সহিংসতার আহ্বান** এবং **৭% বিদেশিবিদ্বেষী মন্তব্য**। এছাড়া, সমকামিতাবিদ্বেষী আক্রমণ, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ও রাজনৈতিক আক্রমণের হারও উল্লেখযোগ্য ছিল।
"আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা এ ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন ‘পক্ষপাতমূলক আচরণের সুবিধা পাওয়ার ধারণা’ থেকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বকাপ মাঠ (৯ জুন থেকে ২০ জুলাই, ২০২৬)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল স্কালোনি (আর্জেন্টিনা দলের কোচ), ফিফা সোশ্যাল মিডিয়া প্রটেকশন সার্ভিস (এসএমপিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৭১ লাখ পোস্ট বিশ্লেষণ, ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৭৬টি আপত্তিকর মন্তব্য, ৪৩% সাধারণ গালাগালি, ২১% রেফারিদের আক্রমণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!