📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আদিবা আরশি বাঁধন জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হয়েছেন। পড়াশোনায় শ্রেণি প্রথম হওয়া এই কিশোরীর সাফল্যের পিছনে রয়েছে বাবা-মা ও শিক্ষকদের সমর্থন
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আদিবা আরশি বাঁধন ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর দাবা বিভাগে রানার্সআপের মর্যাদা অর্জন করেছেন। এই সাফল্য অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আদিবা আরশি বাঁধন ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর দাবা বিভাগে রানার্সআপ হন।
- 📌 শ্রেণি প্রথমের শিক্ষার্থী: বাঁধনের শ্রেণি রোল নম্বর ১ এবং তিনি পড়াশোনায়ও মেধাবী।
- 📌 দাবা খেলার শুরু করোনাকালে: বাঁধন ঘরবন্দি সময়ে ব্যবসায়ী বাবা মোস্তফা কামালের কাছ থেকে দাবার চাল শেখেন।
- 📌 শিক্ষকদের সহযোগিতা: শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক তুষিতার অনুপ্রেরণা এবং শিক্ষক মধুসূদন রায়ের কৌশলগত দিকনির্দেশনা তার সাফল্যের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- 📌 সাফল্যের ধারাবাহিকতা: ২০২৩ সালে উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন, ২০২৪ সালে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাঁধন এবার জাতীয় পর্যায়ে রানার্সআপ হন।
- 📌 পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি: শনিবার (১০ অক্টোবর) কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাঁধনকে রানার্সআপ ট্রফি ও স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
- 📌 প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত: অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল প্রধান অতিথি ছিলেন।
- 📌 মায়ের গর্ব: বাঁধনের মা সীমা আক্তার বলেন, ‘মেয়ের এ সাফল্যে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। আমরা সব সময় ওকে সমর্থন দিয়েছি।’
📰 বিস্তারিত
জাতীয় পর্যায়ের দাবা প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়া খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আদিবা আরশি বাঁধন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়েছেন। বাঁধন মাটিরাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণি রোল নম্বর ১ এবং পড়াশোনায়ও তিনি মেধাবী। দাবা খেলার শুরু হয় করোনাকালে। ঘরবন্দি সময়ে ব্যবসায়ী বাবা মোস্তফা কামালের কাছ থেকে দাবার চাল শেখেন বাঁধন। বাবার সঙ্গে শখের বশে শুরু হওয়া খেলাটিই ধীরে ধীরে তার আগ্রহ ও দক্ষতা বাড়িয়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উৎসাহ ও সহযোগিতায় প্রতিযোগিতামূলক দাবায় নিজেকে গড়ে তোলে বাঁধন।
শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক তুষিতার অনুপ্রেরণা এবং শিক্ষক মধুসূদন রায়ের সহযোগিতা ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা তার এগিয়ে চলার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাঁধনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা শুরু হয় ২০২৩ সালে। ওই বছর ৫০তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সে। ২০২৪ সালে ৫১তম আসরে জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেয়। এবার ২০২৬ সালের জাতীয় আসরে রানার্সআপ হয়ে সাফল্যের নতুন অধ্যায় যোগ করেছে এই কিশোরী।
শনিবার (১০ অক্টোবর) কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাঁধনের হাতে রানার্সআপ ট্রফি ও স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।
"মেয়ের এ সাফল্যে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ছোটবেলা থেকেই দাবার প্রতি ওর টান ছিল। আমরা সব সময় ওকে সমর্থন দিয়েছি। ও যেন ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনতে পারে, সে জন্য সবার দোয়া চাই।"
বাঁধনের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে তার মা সীমা আক্তার। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ে এই অর্জন পুরো মাটিরাঙ্গার জন্য এক বিরাট সম্মান। বাঁধন আমাদের প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, সামনে সে আরও বড় মঞ্চে সাফল্য অর্জন করবে।’ মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বাঁধনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় বাঁধনের এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। এই ধরনের প্রতিভাবান কিশোরীদের বিকাশে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে পাশে দাঁড়াতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ অডিটোরিয়াম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আদিবা আরশি বাঁধন, মোস্তফা কামাল, সীমা আক্তার, তুষিতা, মধুসূদন রায়, আবুল হাশেম, উম্মে তাহমিনা মিতু, অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩তম (গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা), ৫০তম, ৫১তম, ১০ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!