📌 পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে, যা ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর সর্বনিম্ন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকও কমে গেছে এবং শেয়ার দামে পতন দেখা দিয়েছে
পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে, যা ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর সর্বনিম্ন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয়েই মূল্যসূচক কমে গেছে এবং শেয়ার দামে পতন দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন পরিমাণ ৩১৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১৮২ কোটি ৩১ লাখ টাকা কম।
- 📌 ডিএসইতে ২২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, বিপরীতে মাত্র ৯৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে।
- 📌 ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 শীর্ষ ১০টি শেয়ারের মধ্যে ইভিন্স টেক্সটাইল ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার লেনদেনে সর্বাধিক অংশ নেয়।
- 📌 চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন পরিমাণ ৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যেখানে ৫৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। লেনদেনের শুরুতে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার কারণে সূচক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখিয়েছিল, কিন্তু শেষদিকে দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান নাম লেখায় মূল্যসূচক পতন ঘটে। দিনের শেষে ডিএসইতে মাত্র ৯৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে, যেখানে ২২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে, কিন্তু ১২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে। মাঝারি মানের কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে, যেখানে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান পেয়েছে ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে, কিন্তু ৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমেছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুটি সূচক ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭২ পয়েন্টে নেমে গেছে।
"লেনদেনের শুরুতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখিয়েছিল, কিন্তু শেষদিকে দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান নাম লেখায় মূল্যসূচক পতন ঘটে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা ও চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিনিয়োগকারীরা (স্পষ্ট নাম না থাকায় উল্লেখ করা হয়নি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (লেনদেন পরিমাণ), ২২৯টি প্রতিষ্ঠান (শেয়ার দাম কমেছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!