📌 রহিমা ফুড কর্পোরেশনের শেয়ারে কারসাজি ও নিষিদ্ধ সময়ে লেনদেনে দুই ব্যক্তিকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শেয়ার ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন ও কোম্পানির ভ্যাট ইনচার্জ মো. সোলয়মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শেয়ারের দাম ৬৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৪১ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে।
পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রহিমা ফুড কর্পোরেশন লিমিটেডের শেয়ারে কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিং অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তদন্তের ভিত্তিতে এই জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হলেন শেয়ার ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন এবং অন্যজন রহিমা ফুডের ভ্যাট ইনচার্জ মো. সোলয়মান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ লাখ টাকা জরিমানা: রহিমা ফুডের শেয়ারে কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিং অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 দেলোয়ার হোসেনের কারসাজি: তিনি নিজের একাধিক বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্টের মধ্যে শেয়ার কেনাবেচা করে 'ওয়াশ ট্রেড' করেছে। ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই তার একটি লেনদেনে প্রতি শেয়ার ১৩৪ টাকা দরে ২ হাজার ৮৬টি শেয়ার স্থানান্তরিত হয়েছিল।
- 📌 সোলয়মানের নিষিদ্ধ লেনদেন: কোম্পানির ভ্যাট ইনচার্জ মো. সোলয়মান ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম নিষিদ্ধ সময়ে কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা করেছেন।
- 📌 শেয়ার দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: ২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রহিমা ফুডের শেয়ার দাম ৬৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৪১ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে।
- 📌 ৩০ দিনের সময়সীমা: দুই ব্যক্তিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রহিমা ফুড কর্পোরেশন লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিং অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই জরিমানা করা হয়েছে। দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি নিজের একাধিক বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্টের মধ্যে শেয়ার কেনাবেচা করে 'ওয়াশ ট্রেড' করেছে। এ ধরনের লেনদেনে শেয়ারের প্রকৃত মালিকানা পরিবর্তন না হলেও বাজারে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি হয়।
তদন্তে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই দেলোয়ার হোসেন তার একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে প্রতি শেয়ার ১৩৪ টাকা দরে ২ হাজার ৮৬টি শেয়ার স্থানান্তরিত করেছিলেন। এই লেনদেনের মাধ্যমে বাজারে শেয়ারের কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি হয়েছিল। পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই লেনদেনকে ইচ্ছাকৃত কারসাজি হিসেবে বিবেচনা করেছে। দেলোয়ার হোসেন প্রযুক্তিগত ভুলের যুক্তি দিয়েছিলেন, কিন্তু কমিশন তার ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি।
অপরদিকে, রহিমা ফুডের ভ্যাট ইনচার্জ মো. সোলয়মান ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম নিষিদ্ধ সময়ে কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচায় অংশ নিয়েছিলেন। বিএসইসির তদন্তে এই অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানিয়েছেন, এই জরিমানার অর্থ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে আইনের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রহিমা ফুডের শেয়ার লেনদেনে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। শেয়ারের দাম ৬৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৪১ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. সোলয়মান, মো. আবুল কালাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ লাখ টাকা (জরিমানা), ৩০ দিন (সময়সীমা), ৬৮ টাকা ৯০ পয়সা (শেয়ার দাম), ১৪১ টাকা ২০ পয়সা (শেয়ার দাম), ২৯ জুলাই (লেনদেন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!