📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডিএসই’র অভিযোগের মুখে স্বীকার: পুঁজিবাজারে ছিল ঘাটতি, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উন্মোচন করে

ডিএসই’র অভিযোগের মুখে স্বীকার: পুঁজিবাজারে ছিল ঘাটতি, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উন্মোচন করে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন স্বীকার করেছেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে পুঁজিবাজারে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ঘাটতি ও অনিয়ম। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের উদ্যোগকে নতুন সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ডিএসই’র নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে

ঢাকায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন স্বীকার করেছেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ঘাটতি ও অনিয়ম। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের উদ্যোগ পুঁজিবাজারে একটি নতুন সূচনা হিসেবে বিবেচিত। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডিএসই কিছুটা দায়মুক্তির পথে এগিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডিএসই পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন স্বীকার করেছেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ঘাটতি ও অনিয়ম
  • 📌 প্রায় ১৭ হাজার হিসাব যাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও তাদের পাওনা নির্ধারণে ডিএসই’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিন কাজ করতে হয়েছে
  • 📌 ৫ লাখ টাকার বেশি পাওনা থাকলে ডিফল্টার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ আইনগতভাবে উদ্ধার করে পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 ডিএসই’র সার্ভেইলেন্স ব্যবস্থা ও ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার হালনাগাদ করা হয়েছে, অনিয়ম কমাতে নজরদারি শক্তিশালী করা হয়েছে
  • 📌 মিনহাজ মান্নান ইমন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, এসব প্রতিবেদন বাজারের দুর্বলতা শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে

📰 বিস্তারিত

মিনহাজ মান্নান ইমন বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত দাবিদার শনাক্ত করা এবং তাদের পাওনা নির্ধারণ একটি জটিল কাজ ছিল। প্রায় ১৭ হাজার হিসাব যাচাই করে ডিএসই’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি বলেন, এখন ডিএসই’র দায়িত্ব হচ্ছে আইনের সীমার মধ্যে থেকে সেই অর্থ পরিশোধ করা। তবে যেসব বিনিয়োগকারীর পাওনা ৫ লাখ টাকার বেশি, তাদের বাকি অর্থ আদায়ের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ডিফল্টার প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যান্য সম্পদ ও সম্পত্তি আইনগত প্রক্রিয়ায় উদ্ধার করে পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ডিএসই পরিচালক বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটাতে পরিচালক ও কর্মকর্তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, গত কয়েক বছরে বাজারের নজরদারি ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ডিএসই’র সার্ভেইলেন্স ব্যবস্থা ও সফটওয়্যার হালনাগাদ করা হয়েছে। ব্যাক-অফিস সফটওয়্যারেও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় অনিয়ম করে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ কমেছে এবং নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

মিনহাজ মান্নান ইমন গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের কারণে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ঘাটতি ও অনিয়ম সামনে এসেছে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডিএসই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, সেগুলো বাজারের দুর্বল জায়গাগুলো শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে। এ কারণে সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

"ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রকৃত দাবিদার শনাক্ত করা, তাদের পাওনা নির্ধারণ এবং কত টাকা পরিশোধ করতে হবে— এসব কাজ সহজ ছিল না। প্রায় ১৭ হাজার হিসাব যাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও তাদের পাওনা নির্ধারণে ডিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিনহাজ মান্নান ইমন (ডিএসই পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৭ হাজার, ৫ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖