📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএসইসি আইপিও বিধিমালা পরিবর্তনে: লক-ইন শিথিলে শেয়ারবাজারে কারসাজির আশঙ্কা

বিএসইসি আইপিও বিধিমালা পরিবর্তনে: লক-ইন শিথিলে শেয়ারবাজারে কারসাজির আশঙ্কা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইপিও বিধিমালা খসড়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ শেয়ারের ৫০% লক-ইন শিথিল করার প্রস্তাব করেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এতে শেয়ারের দামে কারসাজির সুযোগ তৈরি হবে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইপিও বিধিমালা পরিবর্তনের খসড়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ শেয়ারের ৫০ শতাংশের লক-ইন শিথিল করার প্রস্তাব করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের প্রথম দিনেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বরাদ্দের অর্ধেক শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে শেয়ারের দামে কারসাজির সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএসইসি আইপিও বিধিমালা খসড়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ শেয়ারের ৫০ শতাংশের লক-ইন তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।
  • 📌 বর্তমান নিয়মে ৯০ দিনের লক-ইন থাকলেও নতুন খসড়ায় প্রথম ৫০ শতাংশ শেয়ারের লক-ইন পুরোপুরি শিথিল করা হয়েছে।
  • 📌 বাকি ২৫ শতাংশ শেয়ারের লক-ইন ৬০ দিন এবং শেষ ২৫ শতাংশের লক-ইন ৯০ দিন রাখা হয়েছে (পূর্বে ১২০ ও ১৮০ দিন)।
  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম লক-ইন শিথিলের বিরোধিতা করে বলেছেন, এতে শেয়ারের দামে কারসাজির সুযোগ তৈরি হবে।
  • 📌 নতুন আইপিও বিধিমালায় সার্কিট ব্রেকার কার্যকর করার সিদ্ধান্ত স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে প্রথম দিনের মূল্যসীমা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
  • 📌 বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে, কিন্তু ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কোটা ১০ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইপিও বিধিমালা পরিবর্তনের খসড়ায় একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন খসড়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ শেয়ারের ৫০ শতাংশের লক-ইন শিথিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দ শেয়ারের ৫০ শতাংশ বিক্রি করতে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। পরবর্তী ২৫ শতাংশ শেয়ারে লক-ইন ১২০ দিন এবং অবশিষ্ট ২৫ শতাংশে ১৮০ দিন। তবে নতুন খসড়ায় প্রথম ৫০ শতাংশ শেয়ারের লক-ইন পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি শেয়ারের ক্ষেত্রে লক-ইনের মেয়াদও কমানো হয়েছে — পরবর্তী ২৫ শতাংশ শেয়ারে ৬০ দিন এবং শেষ ২৫ শতাংশে ৯০ দিনের লক-ইন রাখার কথা বলা হয়েছে।

এই পরিবর্তনের ফলে নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের লেনদেন শুরুর দিনেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বরাদ্দের অর্ধেক শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে শেয়ারের দামে কারসাজির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেছেন, “বিশ্বের উন্নত শেয়ারবাজারেও বিভিন্ন মেয়াদে লক-ইন ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্ষমতা বিবেচনায় লক-ইনের মেয়াদ কমানো যেতে পারে, তবে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের ৫০ শতাংশ পুরোপুরি লক-ইনের বাইরে রাখা ঠিক হবে না।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, লক-ইন তুলে দেওয়া হলে শেয়ারের দাম নিয়ে কারসাজির সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন।

এছাড়াও, নতুন আইপিও বিধিমালায় নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের প্রথম দিনের লেনদেনে সার্কিট ব্রেকার কার্যকর করার সিদ্ধান্ত স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ১৭ জুন বিএসইসির নির্দেশনার পর নতুন তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রেও সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হয়। তবে নতুন খসড়ায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন কম্পানির শেয়ারের লেনদেনে মূল্যসীমা কিভাবে কার্যকর হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বরাদ্দের কোটা কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আগের মতো ১০ শতাংশ কোটা বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে। উভয় পদ্ধতিতেই মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের ব্যবস্থা অপরিবর্তিত রাখার কথা বলা হয়েছে।

"বিশ্বের উন্নত শেয়ারবাজারেও বিভিন্ন মেয়াদে লক-ইন ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্ষমতা বিবেচনায় লক-ইনের মেয়াদ কমানো যেতে পারে, তবে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের ৫০ শতাংশ পুরোপুরি লক-ইনের বাইরে রাখা ঠিক হবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০%, ৯০ দিন, ৬০ দিন, ৩৫ শতাংশ, ১০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖