📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজারে অর্থ আত্মসাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। চারটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুঁজিবাজারে অর্থ আত্মসাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন পুঁজিবাজারে অর্থ আত্মসাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা।
- 📌 বাংকো সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- 📌 মাসুদ খান সভাপতিত্বে বিএসইসির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- 📌 ছয়টি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস লেনদেনের ব্রোকার হিসেবে নিবন্ধিত হবে।
- 📌 ১২টি পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত সোমবার মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই ক্ষতিপূরণের সুবিধা পাবেন বাংকো সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ এবং শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চারটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাই করা হবে এবং তাদের অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে ক্ষতিপূরণ বিতরণের সময়সীমা বা মোট কতজন বিনিয়োগকারী সুবিধা পাবেন, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি।
এই সভায় আরও ছয়টি স্টক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানকে পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস লেনদেনের ব্রোকার হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াধীন নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধীন মোট ১২টি পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুটি স্টক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এবং দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকার প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদ পর্যাপ্ত এবং মূল্যায়ন সূচক সন্তোষজনক হওয়ায় তাদের কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
"বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস লেনদেনের ব্রোকার হিসেবে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধিত করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ খান (বিএসইসি চেয়ারম্যান), সোহেল সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (ক্ষতিপূরণ), ১২টি প্রতিষ্ঠান (কার্যক্রম চালু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!