📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঘোষণা করেছে, লভ্যাংশের টাকা পৃথক ব্যাংকে জমা না রাখলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির এজিএমে লভ্যাংশ প্রস্তাব বাতিল হবে। অনিয়মে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়ায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এখন থেকে ঘোষিত লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পৃথক ব্যাংকে জমা রাখা এবং ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। এসব শর্ত পূরণ না হলে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) লভ্যাংশ প্রস্তাব উত্থাপন করা যাবে না। অনিয়মে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লভ্যাংশ জমা না হলে এজিএমে প্রস্তাব বাতিল: পৃথক ব্যাংকে লভ্যাংশ জমা না রাখলে কোম্পানির এজিএমে লভ্যাংশ প্রস্তাব উপস্থাপন করা যাবে না।
- 📌 ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক: লভ্যাংশ স্থানান্তরের পর ব্যাংক থেকে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ এবং এজিএমে উপস্থাপন করা দরকার।
- 📌 অনিয়মে শাস্তি নিশ্চিত: বিদ্যমান নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ সহজ: স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
- 📌 সিদ্ধান্ত নেওয়া সভায়: বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) অনুষ্ঠিত সভায় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়ায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ঘোষিত লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পৃথক ব্যাংকে জমা রাখা এবং ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব শর্ত পূরণ না হলে কোম্পানির এজিএমে লভ্যাংশ প্রস্তাব উপস্থাপন করা যাবে না।
বিএসইসি জানিয়েছে, লভ্যাংশ বিতরণের উদ্দেশ্যে এজিএমের অন্তত এক দিন আগে পৃথক ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও কোম্পানি সচিবের সত্যায়নের পর এজিএমে উপস্থাপন করতে হবে। প্রত্যয়নপত্রটি সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জগুলিতে জমা দেওয়ার বিধানও রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কোম্পানি এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করার বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সিকিউরিটিজ আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এছাড়া স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড, ২০১৮ এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলোর আওতায় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যমান স্বতন্ত্র পরিচালকদের পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে হালনাগাদক্লিন ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন সম্মতি দেবে।
"লভ্যাংশের সম্পূর্ণ অর্থ পৃথক ব্যাংকে জমা রাখা এবং ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। এসব শর্ত পূরণ না হলে এজিএমে লভ্যাংশ প্রস্তাব উত্থাপন করা যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ খান (বিএসইসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ (সিদ্ধান্ত নেওয়া তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!