📌 শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডসের মুনাফা এক বছরে দ্বিগুণ হয়ে ৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে শেয়ারের দাম ৬৯ টাকা বা ২৭% বেড়ে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে উঠেছে কোম্পানিটি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডসের মুনাফা এক বছরে দ্বিগুণ হয়ে ৮ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। এই বড় ধরনের লাভের কারণে গত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৬৯ টাকা বা প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে রেখেছে এপেক্স ফুডসকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুনাফা দ্বিগুণ: গত অর্থবছরে (২০২৫–২৬) এপেক্স ফুডসের মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল মাত্র ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
- 📌 শেয়ারের দাম ২৭% বৃদ্ধি: গত সপ্তাহে শেয়ারের দাম ৬৯ টাকা বা ২৭ শতাংশ বেড়েছে, যা লভ্যাংশ ঘোষণার পর শুরু হয়।
- 📌 ২০% লভ্যাংশ ঘোষণা: শেয়ারধারীদের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ।
- 📌 স্বল্পমূলধনি কোম্পানির দাপট: অল্প শেয়ারের লেনদেনে দামের হঠাৎ বৃদ্ধি ঘটেছে, কারণ কোম্পানির মূলধন মাত্র ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
- 📌 বাজার সূচক ও লেনদেন কমেছে: গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচক ৫৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আর দৈনিক গড় লেনদেন ২১ শতাংশ কমে ৫৫৬ কোটি টাকায় নেমেছে।
📰 বিস্তারিত
গত ৪ অক্টোবর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এপেক্স ফুডসের গত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা বাড়িয়ে ৮ কোটি টাকার বেশি করেছে। আগের অর্থবছরে মুনাফা ছিল মাত্র ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এই বড় ধরনের লাভের কারণে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ে এবং শেয়ারের দামও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
৫ অক্টোবর আর্থিক প্রতিবেদন ও লভ্যাংশ ঘোষণার পর একদিনে শেয়ারের দাম ৫১ টাকা বা প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। এই ধারা পরবর্তী দুই কার্যদিবসেও অব্যাহত থাকে। ফলে লভ্যাংশ ঘোষণার পর তিন কার্যদিবসে শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি হয় ৭৯ টাকা। তবে গত বৃহস্পতিবার প্রতিটি শেয়ারের দাম ১১ টাকা কমে যায়। সত্ত্বেও গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স ফুডসের জায়গা থাকে।
কোম্পানির পরিচালকরা জানিয়েছেন, গত অর্থবছরে ব্যবসার আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে। ফলে বছর শেষে মুনাফায়ও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এছাড়াও, কোম্পানির শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের কারণে সম্পদমূল্য বা এনএভিওও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে।
"গত অর্থবছরে ব্যবসা থেকে আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে। ফলে বছর শেষে মুনাফায়ও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে।"
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ১৯৮১ সাল থেকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স ফুডস একটি স্বল্পমূলধনি কোম্পানি। এর মূলধন মাত্র ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫৭ লাখ শেয়ারে বিভক্ত। এর মধ্যে ৩০ লাখের বেশি শেয়ার রয়েছে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। নিয়ম অনুযায়ী, তাদের শেয়ার বিক্রি করা যায় না। ফলে বাজারে নিয়মিত লেনদেনযোগ্য শেয়ার রয়েছে মাত্র ২৭ লাখের মতো। ফলে অল্প কিছু শেয়ারের লেনদেনে বাজারে দামও হু হু করে বেড়ে যায়।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে এপেক্স ফুডসের শেয়ারের লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ৯ম অবস্থানে ছিল। সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ারের হাতবদল হয়েছে কোম্পানিটির। মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ৫ কোম্পানির তালিকায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম অবস্থানে ছিল যথাক্রমে বিডিল্যাম্পস, আজিজ পাইপস, সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও সোনালী আঁশ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ঢাকার শেয়ারবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এপেক্স ফুডসের পরিচালনা পর্ষদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ কোটি টাকা (মুনাফা), ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা (পূর্ববর্তী মুনাফা), ৬৯ টাকা (শেয়ারের দাম বৃদ্ধি), ২৭% (মূল্যবৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!