📌 বিজ্ঞান মেলায় আলুর ব্যাটারি দেখে অনেকেই অবাক হন। কিন্তু বিজ্ঞানী মাইকেল হিকনারের মতে, ফল-সবজির ভেতরে থাকা আয়নগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনে সহায়তা করে। লবণ মেশানো পানি বা পটাশিয়াম-সোডিয়াম সমৃদ্ধ ফল-সবজি বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষমতা বেশি রাখে
বিজ্ঞান মেলায় আলুর ব্যাটারি দেখে অনেকেই অবাক হন। কিন্তু বিজ্ঞানী মাইকেল হিকনারের মতে, ফল-সবজির ভেতরে থাকা আয়নগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনে সহায়তা করে। বিজ্ঞান মেলায় প্রায়শই দেখা যায় কাগজের আগ্নেয়গিরি বা আলুর ব্যাটারি। আলু নিজে থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে না, তবে এর ভেতরে থাকা রাসায়নিক উপাদান নির্দিষ্ট ধাতুর সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আয়নিক পরিবাহী হিসেবে কাজ করে ফল-সবজি, যেমন মানুষের শরীরের টিস্যু বা আলু। এর ভেতরে থাকা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বিদ্যুৎ প্রবাহের পথ তৈরি করে।
- 📌 লবণ পানির দ্রবণ আয়নগুলোকে মুক্তভাবে চলাচল করতে সাহায্য করে, যা বিদ্যুৎ পরিবহনে সহায়তা করে।
- 📌 মাইকেল হিকনার (পেন স্টেট ইউনিভার্সিটি) বলেছেন, লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখা আলু বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায়।
- 📌 টমেটো ও কমলালেবু বিদ্যুৎ পরিবহনে কম কার্যকর, কারণ তাদের ভেতরের গঠন আয়ন চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
- 📌 ব্যাটারি তৈরির জন্য দুটি ভিন্ন ধাতুর ইলেকট্রোড (তামা ও দস্তা) প্রয়োজন। আলুতে গুঁজে তার দিয়ে সংযোগ দিলে তৈরি হয় ব্যাটারি।
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞান মেলায় আলুর ব্যাটারি দেখে অনেকেই অবাক হন। কিন্তু বিজ্ঞানী মাইকেল হিকনারের মতে, ফল-সবজির ভেতরে থাকা আয়নগুলো বিদ্যুৎ পরিবহনে সহায়তা করে। বিজ্ঞান মেলায় প্রায়শই দেখা যায় কাগজের আগ্নেয়গিরি বা আলুর ব্যাটারি। আলু নিজে থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে না, তবে এর ভেতরে থাকা রাসায়নিক উপাদান নির্দিষ্ট ধাতুর সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করে। বিজ্ঞানীরা বলেন, বিদ্যুৎ পরিবাহী বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। আমাদের ঘরবাড়িতে তামা বা অ্যালুমিনিয়ামের তার দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, কারণ এরা ধাতব পরিবাহী। তবে ফল-সবজি মূলত আয়নিক পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
মাইকেল হিকনারের মতে, লবণের দ্রবণ যেভাবে একটি সার্কিট পূর্ণ করে বিদ্যুৎ পরিবহন করে, ঠিক একইভাবে ফল ও সবজিও বিদ্যুৎ নিয়ে যেতে পারে। লবণ পানির সোডিয়াম আয়নগুলো আলুর ভেতরে ঢুকে আয়ন চলাচলের পথকে সহজ করে দেয়। ফলে ব্যাটারিটা অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তবে সব ফল-সবজির কার্যকারিতা সমান নয়। টমেটো বা কমলালেবু বিদ্যুৎ পরিবহনে কম কার্যকর, কারণ তাদের ভেতরের গঠন আয়ন চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
বিজ্ঞানীরা বলেন, কোনো ফল বা সবজিতে প্রচুর পরিমাণ আয়নিক উপাদান থাকলেও, তাকে ব্যাটারিতে রূপান্তর করতে বাড়তি কিছু উপকরণের প্রয়োজন পড়ে। ব্যাটারিতে বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ তৈরির জন্য প্রয়োজন দুটি ভিন্ন ধাতুর তৈরি ইলেকট্রোড। যেমন, তামা ও দস্তা। একটা তামার মুদ্রা ও দস্তার প্রলেপ দেওয়া গ্যালভানাইজড পেরেক আলুতে পুঁতে তার দিয়ে যুক্ত করলেই তৈরি হয়ে যায় সহজ এক ব্যাটারি।
"লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখা আলু বিদ্যুৎ পরিবহনের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায়। লবণ পানির সোডিয়াম আলুর ভেতরে ঢুকে আয়ন চলাচলের পথকে আরও সহজ করে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট ইউনিভার্সিটি, রুটগার্স ইউনিভার্সিটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল হিকনার (অধ্যাপক), পল তাখিস্টভ (অধ্যাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.২ ভোল্ট (ব্যাটারি তৈরির সম্ভাব্য বিভব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!