📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশের বিরল ঘটনাগুলি কেন প্রতিবছরই ঘটে? ১০০ বছরের দাবি কেন ভ্রান্ত?

মহাকাশের বিরল ঘটনাগুলি কেন প্রতিবছরই ঘটে? ১০০ বছরের দাবি কেন ভ্রান্ত?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মহাকাশে বিরল বলে পরিচিত সূর্যগ্রহণ, ধূমকেতু বা গ্রহের সারিবদ্ধতা প্রতিবছর ঘটলেও পৃথিবীর নির্দিষ্ট জায়গা থেকে তা দেখা যায় না। বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন, মহাজাগতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং তা থেকে দৃশ্যমান হওয়ার সময়কাল দুটি আলাদা বিষয়। সারোস চক্রের মাধ্যমে সূর্যগ্রহণের পুনরাবৃত্তি ঘটে, কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণন ও অক্ষীয় পরিবর্তনের কারণে একই জায়গা থেকে তা দেখা যায় না

মহাকাশের বিরল ঘটনাগুলি যেমন সূর্যগ্রহণ, ধূমকেতু বা গ্রহের বিশেষ সারিবদ্ধতা, সেগুলি ঘটলেও পৃথিবীর নির্দিষ্ট জায়গা থেকে তা দেখা যায় না। খবরে প্রায়ই দেখা যায় ‘১০০ বছরে একবার’ বা ‘৮০ বছর পর’ এমন শিরোনাম, কিন্তু পরের বছরই আবার সেই ধরনের ঘটনা ঘটে। এই গোলকধাঁধার কারণ হলো মহাজাগতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং তা থেকে দৃশ্যমান হওয়ার সময়কাল দুটি আলাদা বিষয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল উত্তর আমেরিকার কিছু অঞ্চল থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল, আবার ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও স্পেনের কিছু অংশ থেকে আবার পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে।
  • 📌 পৃথিবীর একই জায়গা থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যায় কয়েক দশক বা শতাব্দী পরপর।
  • 📌 সারোস চক্র নামে একটি মহাজাগতিক ছন্দের কারণে প্রতি ১৮ বছর ১১ দিন ৮ ঘণ্টা পর সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই অবস্থানে ফিরে আসে, ফলে একই ধরনের সূর্যগ্রহণ ঘটে।
  • 📌 ৮ ঘণ্টার অতিরিক্ত সময় পৃথিবীকে তার অক্ষের ওপর ১২০ ডিগ্রি পশ্চিমে সরে যেতে বাধ্য করে, ফলে পরের গ্রহণের ছায়াপথ আগের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়।
  • 📌 হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর পর ফিরে আসে, কিন্তু সাধারণ ধূমকেতু প্রতিবছরই দেখা যায়।

📰 বিস্তারিত

মহাকাশে বিরল বলে পরিচিত ঘটনাগুলি যেমন সূর্যগ্রহণ, ধূমকেতু বা গ্রহের বিশেষ সারিবদ্ধতা, সেগুলি ঘটলেও পৃথিবীর নির্দিষ্ট জায়গা থেকে তা দেখা যায় না। খবরে প্রায়ই ‘১০০ বছরে একবার’ বা ‘৮০ বছর পর’ এমন শিরোনাম পড়লে মনে হয়, এবার দেখতে না পেলে আর জীবনে আর দেখা যাবে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, পরের বছরই আবার সেই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। কারণ, মহাজাগতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং তা থেকে দৃশ্যমান হওয়ার সময়কাল দুটি আলাদা বিষয়।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল উত্তর আমেরিকার কিছু অঞ্চল থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল। আবার ২০২৬ সালের ১২ আগস্ট গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও স্পেনের কিছু অংশ থেকে আবার পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে। এই ঘটনাগুলি দেখার জন্য পৃথিবীর একই জায়গা থেকে অপেক্ষা করতে হয় কয়েক দশক বা শতাব্দী। কারণ, সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদের ছায়া পৃথিবীর বুকে যে সরু পথ তৈরি করে, কেবল সেই পথের ওপর থাকা মানুষেরাই পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যায় না, কারণ চাঁদের ছায়া পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে যায় না।

বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন, সূর্যগ্রহণের পুনরাবৃত্তির একটি ছন্দ রয়েছে, যা সারোস চক্র নামে পরিচিত। প্রতি ১৮ বছর ১১ দিন ৮ ঘণ্টা পর সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ একই অবস্থানে ফিরে আসে। এই সময়ে একই ধরনের সূর্যগ্রহণ আবার ঘটার সুযোগ তৈরি হয়। তবে, এই দীর্ঘ সময়ে পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর অনেকবার ঘুরে আসে। বিশেষ করে সারোস চক্রের ওই অতিরিক্ত ৮ ঘণ্টার কারণে পৃথিবী তার নিজ অক্ষে আরও প্রায় ১২০ ডিগ্রি পশ্চিমে সরে যায়। ফলে পরের গ্রহণের ছায়াপথ পৃথিবীর বুকে আগেরবারের তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়।

অন্য একটি উদাহরণ হলো হ্যালির ধূমকেতু। এটি প্রতি ৭৬ বছর পর ফিরে আসে। ১৯১০ সালে এটি দেখা গিয়েছিল, এরপর ১৯৮৬ সালে আবার ফিরে আসে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখেছেন, পরেরবার এটি আমাদের আকাশে উঁকি দেবে ২০৬১ সালে। তবে, সাধারণ ধূমকেতু প্রতিবছরই দেখা যায়। এই কারণে, ‘বহু বছর পর দেখা যাওয়ার’ দাবি সত্যি হলেও, প্রতিবছরই নতুন ধূমকেতু দেখা যায়।

“মহাজাগতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং তা থেকে দৃশ্যমান হওয়ার সময়কাল দুটি আলাদা বিষয়। একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও পৃথিবীর নির্দিষ্ট জায়গা থেকে তা দেখা যায় না।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উত্তর আমেরিকা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য বিষয়: মহাজাগতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ও দৃশ্যমানতা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর ১১ দিন ৮ ঘণ্টা (সারোস চক্র), ৭৬ বছর (হ্যালির ধূমকেতু), ১২০ ডিগ্রি (পৃথিবীর ঘূর্ণন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖