📌 মিরপুরের পোষা প্রাণী হাটে এক জোড়া বিরল রিংনেক ভায়োলেট পাখির দাম চাওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। জিনগত বৈচিত্র্য, সীমিত সরবরাহ ও বৈজ্ঞানিক প্রজননের কারণে এই পাখির দাম এত বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, রিংনেকের বিভিন্ন রঙের পাখি বাছাই করা প্রজননের মাধ্যমে তৈরি হয়
মিরপুরের শাহআলী মাজার এলাকায় প্রতি শুক্রবার পোষা প্রাণীর হাটে এক জোড়া বিরল রিংনেক ভায়োলেট পাখির দাম চাওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এই পাখির দাম কেন এত বেশি? এর পেছনে রয়েছে জিনগত বৈচিত্র্য, সীমিত সরবরাহ ও বৈজ্ঞানিক প্রজননের প্রক্রিয়া।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দামে বিক্রি হয় মিরপুরের পোষা প্রাণী হাটে এক জোড়া রিংনেক ভায়োলেট পাখি
- 📌 বেগুনি রঙের এই পাখি রিংনেক প্যারাকিটের একটি মিউটেশন — সাধারণ রিংনেকের চেহারা হলেও পালকের রঙের বৈচিত্র্য দাম বাড়িয়েছে
- 📌 বাছাই করা প্রজনন ও সীমিত সরবরাহের কারণে এই পাখির দাম ২ লাখেরও বেশি
- 📌 বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে পাখির পালকের রং তৈরিতে জিনগত পরিবর্তনের ভূমিকা
- 📌 বাংলাদেশে এখনও এই পাখির আমদানি নিষিদ্ধ — বৈজ্ঞানিক নামের কারণে
📰 বিস্তারিত
রিংনেক ভায়োলেটের পালকে ছড়িয়ে আছে বেগুনি আভা, যা সাধারণ রিংনেকের সবুজ রঙ থেকে আলাদা করে তোলে। এই বিরল রঙের পাখি মিরপুরের পোষা প্রাণী হাটে ২ অক্টোবর বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। রাজধানীর কাটাবনের পোষা প্রাণী বাজারে এক জোড়া রিংনেক ভায়োলেটের দাম দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাখির দামের পেছনে রয়েছে জিনগত বৈচিত্র্য ও সীমিত সরবরাহ।
বাংলাদেশে রিংনেকের বিভিন্ন রঙের পাখি আগে পাকিস্তান ও ভারত থেকে আমদানি করা হত। এখন দেশেই এসব রঙের পাখির প্রজনন করা হয়। তবে বৈজ্ঞানিক নামের কারণে এই পাখির আমদানি নিষিদ্ধ রয়েছে। বিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান বলেন, রিংনেক প্যারাকিটের জিনগত বৈচিত্র্যের কারণে বিভিন্ন রঙের পাখি পাওয়া যায়। বাছাই করা প্রজননের মাধ্যমে লুটিনো, ব্লু ভায়োলেট, অ্যালবিনো, ক্লিয়ারফেস ও বাটার কাপসহ নানা রঙের রিংনেক তৈরি করা হয়।
২০২৫ সালে স্প্রিঙ্গার নেচারের কমিউনিকেশনস বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, টিয়ার পালকে রং তৈরিতে ‘পিকেএস’ নামের একটি এনজাইম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই এনজাইমের জিনগত পরিবর্তনের কারণে পালকের রংেও পরিবর্তন আসে। রিংনেক ভায়োলেটের মতো বিরল রঙের পাখি এই প্রক্রিয়ার ফলাফল।
"রিংনেক ভায়োলেট হলো রিংনেক প্যারাকিটের একটি মিউটেশন। বাছাই করা প্রজননের মাধ্যমে নানা রঙের রিংনেক পাওয়া যায়।" — আ ন ম আমিনুর রহমান, পোষা প্রাণী ও বন্য প্রাণী প্রজনন বিশেষজ্ঞ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুরের শাহআলী মাজার, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আ ন ম আমিনুর রহমান (পোষা প্রাণী বিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা (পাখির দাম), ৭০-৮০% (বাচ্চা ফোটার হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!