📌 হাম-রুবেলা মহামারির সময়ে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা। মার্কিন দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স এ কর্মসূচি পরিদর্শন করেন
হাম-রুবেলা মহামারির সময়ে বাংলাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় চলমান ক্যাচ-আপ টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউনিসেফের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার বনানীতে টিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স এরিক জিলান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’র আওতায় ৩৪ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে
- 📌 হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ঝুঁকিতে থাকা ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে টিকার আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মসূচি চালু
- 📌 কর্মসূচি পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী
- 📌 ইউনিসেফ বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের প্রধান মিগুয়েল মাতেওস মুনোজ ও ইমিউনাইজেশন লিড রিয়াদ মাহমুদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন
- 📌 মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই জানান, সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সরকারের টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে চলমান হাম-রুবেলা মহামারির সময়ে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ক্যাচ-আপ টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’র আওতায় সহায়তা প্রদান করছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার বনানীর কড়াইলের টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এই কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স এরিক জিলান।
কর্মসূচি পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, ইউনিসেফ বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের প্রধান মিগুয়েল মাতেওস মুনোজ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ইমিউনাইজেশন লিড রিয়াদ মাহমুদ।
মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই এক বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তার মূল লক্ষ্য হলো সরকারের টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং নির্ধারিত বয়সসীমার শিশুদের মধ্যে টিকার আওতা বাড়ানো।
"যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকা ফার্স্ট গ্লোবাল হেলথ স্ট্র্যাটেজি’র আওতায় এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বনানী, কড়াইলের টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরিক জিলান (মার্কিন দূতাবাসের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী), মিগুয়েল মাতেওস মুনোজ (ইউনিসেফ বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের প্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ লাখ (শিশু), ৬ থেকে ৫৯ মাস (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!