📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তুরস্কের প্রাচীন সায়বুরচে ১১ হাজার বছরের পুরনো মানুষের জীবন ও বিশ্বাসের রহস্য উন্মোচিত

তুরস্কের প্রাচীন সায়বুরচে ১১ হাজার বছরের পুরনো মানুষের জীবন ও বিশ্বাসের রহস্য উন্মোচিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে প্রস্তর যুগের জনপদ সায়বুরচে ৭০টি নিওলিথিক স্থাপনা আবিষ্কৃত হয়েছে। পাথরের খোদাই থেকে প্রাচীন মানুষের জীবন, বিশ্বাস ও মৃত্যুসংক্রান্ত রীতিনীতির নানা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।

তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে প্রস্তর যুগের একটি প্রাচীন জনপদে প্রায় ১১ হাজার বছর আগের মানুষের জীবন, বিশ্বাস ও সামাজিক রীতিনীতির নানা নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। সায়বুরচ গ্রামে খননকাজে পাওয়া পাথরের স্তম্ভ, খোদাইকৃত চিত্র ও কঙ্কাল গবেষকদের সামনে তুলে ধরেছে প্রাগৈতিহাসিক সমাজের অজানা অধ্যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে সায়বুরচ গ্রামে ২০২০ সাল থেকে খননকাজ চলছে, যেখানে ৭০টি নিওলিথিক স্থাপনা আবিষ্কৃত হয়েছে
  • 📌 একটি সামষ্টিক ভবনের পাথরের বেঞ্চে খোদাই করা পাঁচটি অবয়ব: একটি ষাঁড়, দুই পুরুষ ও দুটি চিতাবাঘ
  • 📌 একটি পুরুষের অবয়বে বাঁ হাতে ছয়টি আঙুলের মতো অবয়ব দেখা গেছে, যা প্রাচীন শিল্পের অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য
  • 📌 মৃতদেহ সমাহিত করার রীতি ও মুখ বন্ধ অবস্থায় খোদাই করা ক্ষুদ্র মানবমূর্তি মৃত্যুসংক্রান্ত বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়েছে
  • 📌 প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, এসব খোদাই ছিল লিখিত ভাষার অভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গল্প ও ঐতিহ্য পৌঁছানোর মাধ্যম

📰 বিস্তারিত

তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তাওরাস পর্বতমালার পাদদেশে সায়বুরচ গ্রামে ২০২০ সালে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনগুলো পাওয়া যায়। গ্রামের বাসিন্দারা নিজেদের বাগানের দেয়াল নির্মাণে ব্যবহার করছিলেন টি-আকৃতির কিছু পাথর, যা পরে সানলিউরফা জাদুঘরের কর্মীদের দ্বারা শনাক্ত হয়। এগুলো আসলে প্রাচীন মানুষের নির্মিত স্তম্ভ, যা প্রায় ১১ হাজার বছর আগে কৃষিপূর্ব যুগে নির্মিত হয়েছিল।

২০২১ সাল থেকে সেখানে পুরোদমে খননকাজ শুরু হয় এবং ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০টি নিওলিথিক স্থাপনা আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বসবাসের ঘর ও সামষ্টিক ভবন, যা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হত। পাথরের পাত্র ও শস্য পেষার সরঞ্জাম থেকে ধারণা করা হয়, সেখানে বুনো শস্য প্রক্রিয়াজাত করা হতো এবং সম্ভবত বিয়ারও তৈরি করা হতো।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় আবিষ্কারগুলোর মধ্যে একটি হলো একটি সামষ্টিক ভবনের পাথরের বেঞ্চে খোদাই করা পাঁচটি অবয়ব। এখানে দেখা যায় একটি ষাঁড়, দুই পুরুষের অবয়ব এবং দুটি চিতাবাঘ। একটি পুরুষের অবয়বে চোখ বড় এবং ঠোঁট মোটা, যার পাশে থাকা চিতাবাঘগুলোর দাঁত বের করা। অন্য পুরুষের বাঁ হাতে ছয়টি আঙুলের মতো অবয়ব দেখা যায়।

২০২২ সালে প্রকাশিত গবেষণায় ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক ও খননকাজের প্রধান আইলেম ওজদোগান এটিকে পাথরে খোদাই করা বিশ্বের প্রাচীনতম বর্ণনাধর্মী দৃশ্যগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, অন্যান্য প্রাচীন স্থানে প্রাণী ও মানুষের পৃথক অবয়ব দেখা গেলেও সায়বুরচের খোদাইয়ে একাধিক চরিত্রকে একই কাহিনির অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে এর প্রকৃত অর্থ এখনো অজানা।

"এসব চিত্র প্রাচীন জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত স্মৃতি, বিশ্বাস ও সামাজিক নিয়ম বোঝার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।"

মৃতদেহ সমাহিত করার রীতিও গবেষকদের আগ্রহের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রে বসতঘরের মেঝের নিচে মৃতদের কবর দেওয়া হতো। কোথাও মানুষের হাড়ের সঙ্গে পাওয়া গেছে প্রাণীর হাড়। অন্যদিকে, মুখ বন্ধ অবস্থায় খোদাই করা ক্ষুদ্র মানবমূর্তি আবিষ্কারের পর প্রাচীন মানুষের মৃত্যুসংক্রান্ত বিশ্বাস নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সায়বুরচ গ্রাম, তুরস্কের পূর্বাঞ্চল, তাওরাস পর্বতমালার পাদদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইলেম ওজদোগান (ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ হাজার বছর, ৭০টি নিওলিথিক স্থাপনা, ২১ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖