📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তৌফিকুর রহমানের ‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ প্রদর্শনী: পরিচয় কীভাবে ভাঙে এবং পুনর্গঠিত হয়?

তৌফিকুর রহমানের ‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ প্রদর্শনী: পরিচয় কীভাবে ভাঙে এবং পুনর্গঠিত হয়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তৌফিকুর রহমানের ‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ প্রদর্শনীতে ভাস্কর্য ও অঙ্কনের মাধ্যমে দেহের পরিচয়, রূপান্তর ও অস্তিত্বের প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে। প্রদর্শনীর কাজগুলো দেহকে স্থির অবয়ব থেকে নির্মাণপ্রক্রণার দিকে নিয়ে যায়, যেখানে পরিচয় কখনো স্থায়ী নয়

তৌফিকুর রহমানের ‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ প্রদর্শনীতে শিল্পের ভাষা ও দেহের পরিচয়ের মধ্যে একটি গভীর অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে ভাস্কর্য ও অঙ্কন একসাথে উপস্থাপিত হয়েছে, যেখানে দেহের পরিচয় স্থির নয়, বরং নির্মাণপ্রক্রণার একটি চলমান অংশ। প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত দেহ কখনো সম্পূর্ণ, কখনো খণ্ডিত, কখনো রূপান্তরিত — এমনভাবে যে তা মানুষ, প্রাণী বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রদর্শনীতে দেহের পরিচয় স্থির নয় — এটি নির্মাণপ্রক্রণার একটি চলমান অংশ, যেখানে পরিচয় কখনো স্থায়ী নয়
  • 📌 ‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ শিরোনামের মাধ্যমে শিল্পী রেখা থেকে গড়ন, গড়ন থেকে স্থিতির সরল যাত্রার কথা বলে, কিন্তু প্রদর্শনীতে কাজগুলো সেই সরলতা মানে না
  • 📌 ‘এটার্নাল পোয়েট’ (২০১৭–২০২৬) ও ‘মার্জড’ (২০২৬) কাজগুলোতে পরিচয়, স্মৃতি ও দর্শকের পূর্বজ্ঞানের মধ্যে একটি জটিল সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে
  • 📌 ‘ডুয়েল বিইং’ (২০২২) ও ‘কম্পোজিট ম্যান’/‘কম্পোজিট ওম্যান’ (২০১৮ ও ২০২৬) কাজগুলোতে লিঙ্গ ও পরিচয়ের অস্থিরতা তুলে ধরা হয়েছে
  • 📌 প্রদর্শনীতে ভাস্কর্যের নির্মাণপ্রক্রিয়া শুধু কারিগরি বিষয় নয় — কাটা ইস্পাতের খণ্ড, ঝালাইয়ের দাগ ও বস্তুগত চাপই অবয়বের অর্থ তৈরি করে

📰 বিস্তারিত

‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ প্রদর্শনীতে তৌফিকুর রহমানের কাজগুলো দেহের পরিচয় কীভাবে ভাঙে এবং পুনর্গঠিত হয়, সে প্রশ্নের দিকে নজর দিয়েছে। প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত দেহ কখনো স্থির অবয়ব নয় — এটি নির্মাণপ্রক্রণার একটি চলমান অংশ। শিল্পীর বক্তব্যে বলা হয়েছে, অঙ্কন ও ভাস্কর্যের উৎস একই অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত — পরিচিত রূপের ভেতর থেকে অজানাকে আবিষ্কার করা। কিন্তু এই দুই মাধ্যমকে একই ভাবনার দুই প্রকাশ হিসেবে দেখলে তাদের পার্থক্য আড়ালে যায়। অঙ্কনে রেখা একটি সমতলের ওপর অবয়ব তৈরি করে, কিন্তু ভাস্কর্যে সেই রেখা সমতল ছেড়ে স্থান দখল করে — ইস্পাতের দণ্ড, পাত, বাঁক ও ফাঁকের মধ্য দিয়ে। ভাস্কর্যে রেখা ওজন, প্রতিরোধ, ভারসাম্য ও বস্তুগত চাপের অংশ হয়ে ওঠে, যা অঙ্কনের রেখার মতো নয়।

‘রেখা–গড়ন–স্থিতি’ শিরোনামের মাধ্যমে শিল্পী রেখা থেকে গড়ন, গড়ন থেকে স্থিতির সরল যাত্রার কথা বলে, কিন্তু প্রদর্শনীতে কাজগুলো সেই সরলতা মানে না। রেখা গড়ন তৈরি করে, আবার গড়নকে ভাঙেও। গড়ন স্থিতি আনে, কিন্তু তার ভেতরেই থাকে ফাঁক, বিচ্ছেদ ও অসম্পূর্ণতা। স্থিতি এখানে চূড়ান্ত নিশ্চয়তা নয় — এটি একটি সাময়িক ভারসাম্য মাত্র। শিল্পীর কথায়, ভাস্কর্য থেকে ‘অস্তিত্বের আরেক সম্ভাবনা’র দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। কাজগুলো বোঝার জন্য এই ইঙ্গিতই গুরুত্বপূর্ণ — প্রশ্ন তখন আর শুধু ‘এটি কী?’ নয়, ‘এটি কী হয়ে উঠছে?’

‘এটার্নাল পোয়েট’ (২০১৭–২০২৬) কাজে দেহ ব্যক্তিগত পরিচয়ের বাইরে সাংস্কৃতিক স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অবয়বটি রবীন্দ্রনাথের কথা মনে করায়, কিন্তু প্রচলিত প্রতিকৃতি হিসেবে কাজ করে না। ‘মার্জড’ (২০২৬) কাজে শূন্যস্থান দেহের নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ — ইস্পাতের উপস্থিতির মতোই তাদের মধ্যকার ফাঁক দেহকে দৃশ্যমান করে তোলে। শূন্যতা এখানে অনুপস্থিতি নয় — দেহের সম্ভাব্য বিস্তার। ‘ডুয়েল বিইং’ (২০২২) কাজে মানুষ ও প্রাণীর সীমারেখা সরাসরি সামনে আসে। মানবিক ও প্রাণিসুলভ বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি অবস্থান একধরনের দ্বৈততার অনুভূতি তৈরি করে, কিন্তু তাৎপর্য দুটি পরিচিত সত্তাকে জোড়া দেওয়ায় নয় — বরং দুটি পরিচয় একত্র হওয়ার পর যে সত্তা তৈরি হয়, তাকে আগের কোনো একটি পরিচয়ে ফিরিয়ে নেওয়া যায় কি না, সেই সংশয়েই।

‘কম্পোজিট ম্যান’ (২০১৮) ও ‘কম্পোজিট ওম্যান’ (২০২৬) কাজগুলোতে লিঙ্গপরিচয়ের অস্থিরতা তুলে ধরা হয়েছে। শিরোনাম দুটি দর্শককে নির্দিষ্ট লিঙ্গপরিচয়ের দিকে নিয়ে যায়, কিন্তু অবয়ব দুটি প্রচলিত পুরুষ বা নারীর শরীরের পূর্ণ প্রতিরূপ নয়। নাম–পরিচয় নির্ধারণ করতে চায়, কিন্তু শরীর সেই নির্ধারণকে অস্থির করে। শিল্পীর কাজগুলো পরিচয় কতটা অবয়ব, কতটা স্মৃতি আর কতটা দর্শকের পূর্বজ্ঞান — এই প্রশ্নের দিকে নজর দিয়েছে।

"অঙ্কন ও ভাস্কর্যের উৎস একই অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত — পরিচিত রূপের ভেতর থেকে অজানাকে আবিষ্কার করা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (প্রদর্শনী স্থান উল্লেখ নেই, তবে শিল্পী তৌফিকুর রহমানের কাজের উপর ভিত্তি করে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌফিকুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি প্রধান কাজ (এটার্নাল পোয়েট, মার্জড, ডুয়েল বিইং, কম্পোজিট ম্যান ও কম্পোজিট ওম্যান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖