📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত ও পাঠ্য দোয়া: আল্লাহর সাথে সরাসরি সংযোগের রহস্য

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ত ও পাঠ্য দোয়া: আল্লাহর সাথে সরাসরি সংযোগের রহস্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামে তাহাজ্জুদ নামাজের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। শেষ রাতের নিভৃত প্রহরে এই নামাজের নিয়ত ও পাঠ্য দোয়া জানতে পারবেন। হাদিস ও হজরত ইবনে আব্বাসের বর্ণনা থেকে জানা যায়, কিভাবে নিয়ত করবেন এবং কী দোয়া পাঠ করবেন

ইসলামের নফল ইবাদতের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সর্বোচ্চ। শেষ রাতের নিভৃত প্রহরে আল্লাহর দরবারে সিজদাবনত হওয়ার মাধ্যমে বান্দা মহান আল্লাহর সাথে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করে। এই নামাজ শয়তানের কুমন্ত্রণার থেকে রক্ষা করে এবং মানুষের আত্মিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়তের জন্য মুখে আরবি শব্দ উচ্চারণ বাধ্যতামূলক নয়; মনে মনে সংকল্প নিয়ে ‘আল্লাহু আকবার’ বলেই নিয়ত হয়ে যায়।
  • 📌 নিয়ত বলতে চাইলে: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকআতাই সালাতিত তাহাজ্জুদি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলাল কিবলাতিশ শারিফাতি। আল্লাহু আকবার’ উচ্চারণ করতে হবে।
  • 📌 হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদ নামাজের আগে পাঠ করতেন: ‘রব্বানা মা খালাক্তা হাদা বাতিলান’ থেকে শুরু করে জাহান্নাম থেকে রক্ষা ও জান্নাতের আশা নিয়ে দোয়া।
  • 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদের উদ্দেশ্যে দাঁড়ালে পাঠ করতেন: ‘আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়া বিকা আমান্তু’ দিয়ে আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা ও নির্ভরতা প্রকাশ করতেন।

📰 বিস্তারিত

তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়তের ক্ষেত্রে মুখে আরবি শব্দ উচ্চারণ করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে মনে মনে সংকল্প নিয়ে ‘আমি দুই রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করছি’ এমন নিয়ত করলে তা যথেষ্ট। তবে নিয়ত বলতে চাইলে নিম্নোক্ত আরবি নিয়ত উচ্চারণ করতে হবে:

"নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকআতাই সালাতিত তাহাজ্জুদি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলাল কিবলাতিশ শারিফাতি। আল্লাহু আকবার।"

হাদিস শরিফে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) গভীর রাতে তাহাজ্জুদের উদ্দেশ্যে উঠে সুরা আলে ইমরানের শেষ অংশের আয়াতগুলো পাঠ করতেন। এতে আল্লাহর কাছে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা ও জান্নাতের আশা প্রকাশ করা হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাহাজ্জুদের উদ্দেশ্যে দাঁড়ালে নিম্নোক্ত দোয়াটি পাঠ করতেন:

"আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়া বিকা আমান্তু ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া ইলাইকা আনাবতু, ওয়া বিকা খাসামতু, ওয়া ইলাইকা হাকামতু; ফাগফিরলি মা কাদদামতু ওয়া মা আখখারতু, ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু। আন্তাল মুকাদ্দিমু ওয়া আন্তাল মুআখখিরু, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা—আও লা ইলাহা গাইরুকা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আল্লাহর দরবার (নিভৃত রাতের প্রহর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই রাকাত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖