📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুরা ফালাক ও নাস পড়লে কীভাবে পায় আশ্রয় ও সুরক্ষা? মহানবীর আমল ও ফজিলতের গোপনীয়তা

সুরা ফালাক ও নাস পড়লে কীভাবে পায় আশ্রয় ও সুরক্ষা? মহানবীর আমল ও ফজিলতের গোপনীয়তা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কোরআনের সর্বশেষ দুটি সুরা ফালাক ও নাসের ফজিলত ও আমল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মহানবী (সা.) এই সুরাগুলো পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং নিজেও রাতে ঘুমের আগে আমল করতেন। সুরা ফালাক ও নাসের আমল মানব জীবনের বিপদ থেকে রক্ষা করে

কোরআনের সর্বশেষ দুটি সুরা ফালাক ও নাসের ফজিলত ও আমল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন আজকের পত্রিকা। এই দুটি সুরা মানুষের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দেয়। মহানবী (সা.) এই সুরাগুলো পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং নিজেও দৈনন্দিন জীবনে আমল করতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুরা ফালাক (১১৩ নম্বর) ও সুরা নাস (১১৪ নম্বর) মদিনায় অবতীর্ণ দুটি সুরা, যাদেরকে ‘মুআউবিজাতাইন’ বা আশ্রয় চাওয়ার সুরা বলা হয়।
  • 📌 উভয় সুরায় মানুষের সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 মহানবী (সা.) বলেছেন: ‘তোমার কি জানা নেই, আজ রাতে আমার ওপর এমন কিছু আয়াত নাজিল হয়েছে, যার মতো অনুরূপ কোনো আয়াত দেখাও যায়নি?’ এবং সেগুলো হলো ‘কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক’ ও ‘কুল আউজু বিরাব্বিন নাস’।
  • 📌 হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) তাঁকে এই দুটি সুরা শেখানোর সময় বলেছিলেন: ‘হে উকবা! আমি কি তোমাকে পঠিত দুটি উত্তম সুরা শেখাব না?’
  • 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে রাতে ঘুমের আগে এই সুরা দুটি আমল করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি প্রতি রাতে এই সুরাগুলো পড়তেন এবং পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নিতেন।
  • 📌 সুরা ফালাক ও নাসের আমল মানব জীবনের বিপদ-আপদ, মানসিক অস্থিরতা ও শয়তানের প্ররোচনা থেকে রক্ষা করে।

📰 বিস্তারিত

কোরআনের সর্বশেষ দুটি সুরা ফালাক ও নাসের ফজিলত ও আমল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই দুটি সুরা মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং উভয় সুরাতেই মানুষের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য, দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা এই দুটি সুরায় বান্দাকে সুরক্ষার অসীম ক্ষমতা প্রদান করেছেন।

হাদিস শরিফে এই দুটি সুরার অনেক ফজিলত ও আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন: ‘তোমার কি জানা নেই, আজ রাতে আমার ওপর এমন কিছু আয়াত নাজিল হয়েছে, যার মতো অনুরূপ কোনো আয়াত দেখাও যায়নি এবং শোনাও যায়নি? আর তা হলো—“কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক” এবং “কুল আউজু বিরাব্বিন নাস”।’ (সহিহ মুসলিম: ৮১৪; জামে তিরমিজি: ২৯০২)

হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) আরও বর্ণনা করেন যে, এক সফরে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উটের পেছনে চলছিলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, ‘হে উকবা! আমি কি তোমাকে পঠিত দুটি উত্তম সুরা শেখাব না?’ অতঃপর তিনি তাঁকে শেখালেন ‘কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক’ ও ‘কুল আউজু বিরাব্বিন নাস’। এই দুটি সুরা তাঁকে এতটাই আনন্দ দিয়েছিল যে, ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

অনুরূপভাবে, হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) তাঁকে এই দুটি সুরা পড়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘তুমি এই দুই সুরা পড়তে থাকবে। কারণ, এ দুটির মতো সহজে অন্য কোনো সুরা তোমরা পড়তে পারবে না।’ (সুনানে নাসায়ি: ৮/২৫৪; সহিহ ইবনে হিববান: ৭৯৬)

রাসুলুল্লাহ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে রাতে ঘুমের আগে এই সুরা দুটি আমল করতেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি প্রতি রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন নিজের উভয় হাত একসঙ্গে মেলতেন। তারপর উভয় হাতে ফুঁক দিয়ে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়তেন। এরপর দেহের যতটুকু অংশে সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করে এভাবে পুরো আমলটি তিনবার করতেন।

আমাদের করণীয় ও আমল দৈনন্দিন জীবনের নানা বিপদ-আপদ, মানসিক অস্থিরতা, হিংসা-বিদ্বেষ এবং শয়তানের প্ররোচনা থেকে আত্মরক্ষায় সুরা ফালাক ও নাসের আমল অত্যন্ত কার্যকর। ফরজ নামাজের পর: প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর নিয়মিত এই সুরা দুটি তিলাওয়াত করা উত্তম। ঘুমানোর আগে: রাতে শোয়ার আগে হাত মিলিয়ে ফুঁক দিয়ে পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নেওয়া মুমিনের জন্য সুরক্ষার ঢাল স্বরূপ। সকাল-সন্ধ্যায়: সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার করে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করলে সারা দিনের যাবতীয় ক্ষতিকর বিষয় থেকে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে হেফাজতে রাখেন।

"কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক"
"কুল আউজু বিরাব্বিন নাস"
"হে উকবা! আমি কি তোমাকে পঠিত দুটি উত্তম সুরা শেখাব না?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মদিনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.), হজরত আয়েশা (রা.), হজরত জাবের (রা.), রাসুলুল্লাহ (সা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৩ (সুরা ফালাক), ১১৪ (সুরা নাস), ৫ (আয়াত সংখ্যা: ফালাক), ৬ (আয়াত সংখ্যা: নাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖