📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জের নদীতে রাজনৈতিক প্রভাবে অবৈধ বালু লুটের অবসান নেই: স্থানীয়দের দাবি, শ্রমিকদের হামলা-মামলা

সুনামগঞ্জের নদীতে রাজনৈতিক প্রভাবে অবৈধ বালু লুটের অবসান নেই: স্থানীয়দের দাবি, শ্রমিকদের হামলা-মামলা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, ধোপাজান ও মরাচেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত। রাজনৈতিক প্রভাবের আড়ালে বালু লুটকারীরা প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করছেন। স্থানীয়রা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করলেও শ্রমিকদের হামলা-মামলা চলছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ৩৭ জনের নামে মামলা করলেও বালু উত্তোলন থামেনি

সুনামগঞ্জের নদীগুলোতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব অব্যাহত রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে নদীর পাড় কেটে বালু লুটের কার্যক্রমে প্রকৃতি ও পরিবেশের ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হচ্ছে। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেও শ্রমিকদের হামলা-মামলা চলছে। সর্বশেষ ৬ অক্টোবর মরাচেলা নদীর পাড় কাটা অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ৩৭ জনের নামে মামলা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, ধোপাজান ও মরাচেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত, প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংসের হুমকি বাড়ছে।
  • 📌 ৪ অক্টোবর দোয়ারাবাজার উপজেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভের পরও ৬ অক্টোবর মরাচেলা নদীর পাড় কাটা অবৈধ বালু উত্তোলন চালু হয়েছে।
  • 📌 ২৫ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর ৯ দিনে মরাচেলা নদী থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার ২৫ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হয়েছে।
  • 📌 আমির হামজা ও স্থানীয়রা বালু উত্তোলন রোধে পাহারা দিচ্ছেন, কিন্তু বালু লুটকারীরা তাদের হামলা করে হাসপাতালে পাঠাচ্ছে।
  • 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে জেলার বালুমহালে লুটপাট শুরু হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কিছুটা শান্তি আসে, কিন্তু ইজারা স্থগিত থাকলেও বালু লুটের অবসান হয়নি।
  • 📌 পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেছেন, রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া বালু লুটের মতো অপকর্ম সম্ভব নয়।
  • 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বীকার করেছেন, ইজারাবিহীন নদীতে বালু লুটের সমস্যা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মরাচেলা নদীর কাজিরগাঁও এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই এলাকায় বালু উত্তোলনকারী চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে ছিদ্দিক মিয়া ও তার পরিবার। তারা বাইরের ২০-৩০ জনের সহায়তায় নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলন করছেন। স্থানীয় বালুশ্রমিক আসগর আলী জানান, ‘ছিদ্দিক মিয়া ও তার সহযোগীরা আমাদের জায়গা দখল করে নিচ্ছেন। বাধা দিলে তারা আমাদের মারধর করে হাসপাতালে পাঠায়।’

আমির হামজা ও তার পরিবার নদীতীরে পাহারা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই গ্রামের ছিদ্দিক মিয়া ও তার সহযোগীরা আমাদের জায়গা দখল করে বালু উত্তোলন করছেন। আমরা বাধা দিলে তারা আমাদের মারধর করে।’ স্থানীয়রা বলছেন, বালু উত্তোলন বন্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের পরও লুটকারীরা আবার শুরু করেছে তাদের অপকর্ম।

পরিবেশ অধিদপ্তর ৬ অক্টোবর মরাচেলা নদীর পাড় কাটা অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য ৩৭ জনের নামে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৫ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ দিনে মরাচেলা নদী থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার ২৫ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের বালুমহালে বালু উত্তোলনের ইতিহাস রয়েছে। ২০১৮ সালে আদালত ধোপাজান কোয়ারি থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবার শুরু হয় লুটপাট। প্রশাসনের তৎপরতায় কিছুটা বন্ধ হলেও, সরকারি সিদ্ধান্তে আবার শুরু হয় বালু উত্তোলন।

"নদীর পাড় কেটে বালু তোলায় ভূপ্রকৃতি পরিবর্তন ও পরিবেশ-প্রতিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া বালু লুটের মতো অপকর্ম সম্ভব না।" — পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুনামগঞ্জ জেলা (যাদুকাটা, ধোপাজান, মরাচেলা নদী), দোয়ারাবাজার উপজেলা, পূর্ব সোনাপুর গ্রাম
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আমির হামজা, ছিদ্দিক মিয়া, আসগর আলী, কাসমির রেজা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ জন (মামলায় অভিযুক্ত), ২৫ লাখ ঘনফুট (বালু উত্তোলন), ৫ কোটি টাকা (বালুর মূল্য), ২০-৩০ জন (বাইরের সহযোগী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖