📌 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগানের শ্রমিক কলোনিতে বাসিন্দা সুসেন মুন্ডার ঘরে পদ্মগোখরা সাপ ঢুকে পড়লে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। সাপটিকে বনে অবমুক্ত করা হবে
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগানের শ্রমিক কলোনিতে এক বাসিন্দার বসতঘরে বিষধর পদ্মগোখরা সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সাপটি উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা সুসেন মুন্ডা সাপের সংস্পর্শে আসার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে ঘর ছেড়ে চলে যান। পরে তিনি সাংবাদিক রাজেশ ভৌমিককে বিষয়টি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভুড়ভুড়িয়া চা-বাগানের শ্রমিক কলোনিতে পদ্মগোখরা সাপ উদ্ধার
- 📌 সুসেন মুন্ডার ঘরে সাপ ঢুকে পড়লে পরিবার আতঙ্কে ঘর ছেড়ে যায়
- 📌 বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ সাপ উদ্ধার
- 📌 সাপটি বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর; পরবর্তীতে বনে অবমুক্ত করা হবে
- 📌 শ্রীমঙ্গল বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
শ্রীমঙ্গলের ভুড়ভুড়িয়া চা-বাগানের শ্রমিক কলোনিতে বাসিন্দা সুসেন মুন্ডার ঘরে হঠাৎ একটি বিষধর পদ্মগোখরা সাপ ঢুকে পড়লে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে ঘর ছেড়ে যায়। সাপটি একটি বস্তার নিচে ফোঁস ফোঁস শব্দ করে থাকায় উদ্ধারকারীরা সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সাপটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত পদ্মগোখরা সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। শ্রীমঙ্গল বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সাপটিকে পরবর্তীতে বনে অবমুক্ত করা হবে।
"বস্তার নিচ থেকে ফোঁস ফোঁস শব্দ শুনতে পেয়ে সাপটি উদ্ধার করা হয়েছিল। সাপটি অক্ষত অবস্থায় বন বিভাগের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভুড়ভুড়িয়া চা-বাগানের শ্রমিক কলোনি, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুসেন মুন্ডা, স্বপন দেব সজল, রাজদীপ দেব দীপ, মো. নাজমুল ইসলাম, রাজেশ ভৌমিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪.০০ (টার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!