📌 মার্টিন গার্ডনারের সায়েন্স ম্যাজিক বই থেকে জানা যায়, কাঁচা ও সেদ্ধ ডিমের পার্থক্য বের করতে ঘূর্ণন ও স্পিনিং কৌশল ব্যবহার করা যায়। ঘূর্ণন থেমে যাওয়ার পর কাঁচা ডিমের ভেতরের তরল নড়তে থাকে, যা সেদ্ধ ডিমের থেকে আলাদা করে তোলে
সায়েন্সের মজার কৌশলগুলির মধ্যে একটি হলো কাঁচা ও সেদ্ধ ডিমের পার্থক্য বের করা। মার্টিন গার্ডনারের লেখা ‘সায়েন্স ম্যাজিক’ বইয়ে বর্ণিত একটি সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে এই পার্থক্য সহজেই বোঝা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিমের ভেতরের তরল নড়ার কারণে কাঁচা ডিমের স্পিনিং কঠিন হয় এবং ঘূর্ণন থেমে যাওয়ার পরও কিছুটা নড়তে থাকে
- 📌 সেদ্ধ ডিম জোরে ঘুরতে পারে, কিন্তু কাঁচা ডিম ঘোরানো একটু কঠিন এবং স্থির হয়ে যাওয়ার পরও নড়তে থাকে
- 📌 ডিমের উপর হালকা চাপ দিলে কাঁচা ডিমের ভেতরের তরল নড়তে থাকলে বোঝা যায় ডিমটি কাঁচা
- 📌 স্থির ও নিশ্চল অবস্থায় থাকলে ডিমটি সেদ্ধ
📰 বিস্তারিত
কেউ যদি আপনাকে ডিমের অবস্থা জানাতে চায়, তাহলে প্রথমে ডিমটিকে কোনো শক্ত তলের ওপর রেখে ঘোরাতে হবে। সেদ্ধ ডিমের ক্ষেত্রে ঘূর্ণন বেশ জোরে হয়, কিন্তু কাঁচা ডিমের ক্ষেত্রে ঘূর্ণন একটু কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর ডিমের ঘূর্ণন প্রায় থেমে যাওয়ার পর আঙুল দিয়ে হালকাভাবে চাপ দিতে হবে। যদি ডিমটি কাঁচা হয়, তাহলে থেমে যাওয়ার পরও ভেতরের তরল ঘুরতে থাকবে, যা ডিমটিকে পুরোপুরি থামতে দেবে না। ফলে ডিমের নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে, যদি ডিমটি স্থির ও নিশ্চল থাকে, তাহলে তা সেদ্ধ ডিমের পরিচয় দেবে।
মার্টিন গার্ডনারের ‘সায়েন্স ম্যাজিক’ বইয়ে এই কৌশলটি বিজ্ঞানের সাথে মজার উপায়ে মিশিয়ে দেখানো হয়েছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে কাঁচা ও সেদ্ধ ডিমের পার্থক্য সহজেই বোঝা যায়।
"ডিমের ঘূর্ণন প্রায় থেমেই যাবে। কিন্তু ডিমটি যদি কাঁচা হয়, তাহলে থেমে যাওয়ার পরও তা একটু একটু করে নড়বে। কারণ, থেমে যাওয়ার পরও কাঁচা ডিমের ভেতরের তরল ঘুরতে থাকবে, যা ডিমটিকে পুরোপুরি থামতে দেবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাধারণত ঘরোয়া পরিবেশ (কোনো শক্ত তল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্টিন গার্ডনার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (একটি ডিমের মাধ্যমে পার্থক্য বের করা যায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!