📌 ঢাকার সাভারের বরিশাল নার্সারিতে এক অদ্ভুত ফুলের গাছের সন্ধান পেয়েছেন উদ্ভিদপ্রেমী। এই ফুলের গঠন মাকড়সার ঠ্যাংয়ের মতো দেখতে। নার্সারির ম্যানেজার জানান, এটি ‘বোতলব্রাশ’ নামের গ্রেভিলিয়া গণের উদ্ভিদ। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় এই উদ্ভিদের ৩৮০টি প্রজাতি রয়েছে, যাদেরকে ‘স্পাইডার ফ্লাওয়ার’ বলা হয়
ঢাকার সাভারের বরিশাল নার্সারিতে এক অদ্ভুত ফুলের গাছের সন্ধান পেয়েছেন একজন উদ্ভিদপ্রেমী। এই ফুলের গঠন মাকড়সার ঠ্যাংয়ের মতো দেখতে, যার পাপড়ি নেই। নার্সারির ম্যানেজার মো. ইব্রাহিম জানান, এই উদ্ভিদের নাম ‘বোতলব্রাশ’ বা গ্রেভিলিয়া। ফুলের গঠন দেখে প্রথমে মনে হলো বোতলব্রাশের মতো, কিন্তু আসলে এটি গ্রেভিলিয়া গণের একটি প্রজাতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার সাভারের বরিশাল নার্সারিতে ‘মাকড়সার ঠ্যাংয়ের মতো’ ফুলের গাছের সন্ধান পেয়েছেন একজন উদ্ভিদপ্রেমী
- 📌 এই উদ্ভিদের নাম ‘বোতলব্রাশ’ বা গ্রেভিলিয়া (Grevillea acanthifolia), যার ফুলের গঠন টুথব্রাশের মতো
- 📌 নার্সারির ম্যানেজার মো. ইব্রাহিম জানান, তিনি থাইল্যান্ড থেকে এই উদ্ভিদের চারা এনেছিলেন
- 📌 গ্রেভিলিয়া গণের ৩৮০টি প্রজাতি রয়েছে, যাদেরকে ‘স্পাইডার ফ্লাওয়ার’ বলা হয়
- 📌 এই উদ্ভিদের নামকরণ করা হয়েছে ১৮ শতকের উদ্ভিদবিদ চার্লস ফ্রান্সিস গ্রেভিলির নামে
- 📌 গ্রেভিলিয়া গণের উদ্ভিদগুলোর ফুলে পাপড়ি বা বৃতি থাকে না, বরং চারটি টেপাল থাকে
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের স্থানীয় এই উদ্ভিদের ফুল গোলাপি থেকে বেগুনি রঙের
- 📌 পাতার ফলক গভীরভাবে ৯ থেকে ১৪টি খণ্ডে বিভক্ত, পাতা ৪ থেকে ৯ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৩ থেকে ৭ সেন্টিমিটার চওড়া
📰 বিস্তারিত
উদ্ভিদপ্রেমী এক সকালে ঢাকার সাভারের বরিশাল নার্সারিতে গিয়ে এমন একটি ফুলের দেখা পান, যেটি দেখতে মাকড়সার ঠ্যাংয়ের মতো। নার্সারির ম্যানেজার মো. ইব্রাহিম জানান, এই উদ্ভিদের নাম ‘বোতলব্রাশ’ বা গ্রেভিলিয়া। তিনি জানান, এই উদ্ভিদের চারা তিনি থাইল্যান্ড থেকে এনেছিলেন। এখন সেগুলোকে নার্সারিতে লাগিয়ে মাতৃগাছ হিসেবে বড় করা হচ্ছে। ফুলের গঠন দেখে প্রথমে মনে হলো বোতলব্রাশের মতো, কিন্তু আসলে এটি গ্রেভিলিয়া গণের একটি প্রজাতি।
গ্রেভিলিয়া গণের উদ্ভিদগুলো প্রোটিয়েসি গোত্রের অধীন, যেখানে প্রায় ৮০টি গণের ২ হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এই গোত্রের উদ্ভিদগুলোর ফুলে আলাদা কোনো পাপড়ি বা বৃতি থাকে না। এর পরিবর্তে ফুলে চারটি পাপড়ির মতো অংশের একটিমাত্র চক্র থাকে, যেগুলোকে টেপাল বলা হয়। গ্রেভিলিয়া গণের নামকরণ করা হয়েছে ১৮ শতকের প্রখ্যাত উদ্ভিদবিদ চার্লস ফ্রান্সিস গ্রেভিলির নামে।
গ্রেভিলিয়া গণের ৩৮০টি প্রজাতি রয়েছে, যাদেরকে সাধারণভাবে ‘স্পাইডার ফ্লাওয়ার’ বলা হয়। এই উদ্ভিদের ফুলগুলো দেখতে টুথব্রাশের মতো। ফুলের রং গোলাপি থেকে বেগুনি। পাতার ফলকগুলো গভীরভাবে ৯ থেকে ১৪টি খণ্ডে বিভক্ত, পাতা ৪ থেকে ৯ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৩ থেকে ৭ সেন্টিমিটার চওড়া। পত্রফলকের প্রতিটি খণ্ড আবার বিভক্ত হয়ে খণ্ডগুলোর আকৃতি রৈখিক, ত্রিভুজাকার বা কীলকাকার। পাতাগুলো উজ্জ্বল সবুজ, শক্ত ও কাঁটাযুক্ত।
নার্সারির ম্যানেজার মো. ইব্রাহিম জানান, তিনি থাইল্যান্ড থেকে গ্রেভিলিয়ার চারা এনেছিলেন। সেগুলোকে নার্সারিতে লাগিয়ে মাতৃগাছ হিসেবে বড় করা হচ্ছে। সেসব গাছে প্রায় সারা বছরই ফুল ফুটতে দেখা যায়। ফুলের গঠন দেখে তিনি এ গাছ সংগ্রহে আগ্রহী হন। তিনি জানান, শুধু গ্রেভিলিয়া গণেরই নয়, একাধিক জাতের গ্রেভিলিয়া গাছ তাঁর সংগ্রহে আছে।
"ফুলের গঠন দেখে প্রথমে মনে হলো বোতলব্রাশের মতো, কিন্তু আসলে এটি গ্রেভিলিয়া গণের একটি প্রজাতি।" — মো. ইব্রাহিম, বরিশাল নার্সারির ম্যানেজার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার সাভারের বরিশাল নার্সারি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইব্রাহিম (নার্সারির ম্যানেজার), চার্লস ফ্রান্সিস গ্রেভিলি (উদ্ভিদবিদ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০টি গণ, ২ হাজার প্রজাতি, ৩৮০টি গ্রেভিলিয়া প্রজাতি, ৯-১৪টি খণ্ড, ৪-৯ সেমি লম্বা পাতা, ৩-৭ সেমি চওড়া পাতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!