📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পীরগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৩, মশারি ব্যবহার না করায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি

পীরগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৩, মশারি ব্যবহার না করায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ১৩০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে,其中 ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত। মশারি ব্যবহার না করায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রংপুরের ডেঙ্গু সংক্রমণে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের চাপ বাড়ছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে ১৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে, যার মধ্যে ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত। মশারি ব্যবহার না করায় রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ২৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন, এর মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী
  • 📌 ৫০ শয্যার হাসপাতালে মোট ১৩০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশ ঢাকা থেকে আসা
  • 📌 মশারি ব্যবহার না করায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী থেকে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা
  • 📌 চলতি মাসে মোট ১২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা রংপুর জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ
  • 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মশারি বিতরণ করেছে, কিন্তু রোগীদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নজরদারি দরকার

📰 বিস্তারিত

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে, যার মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অধিকাংশ রোগী ঢাকা থেকে আসা। তারা ঢাকায় অবস্থানকালে জ্বর অনুভব করে বাড়িতে ফিরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্ত পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় ডেঙ্গু পজিটিভ পাওয়া গেলে হাসপাতালে ভর্তি হন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তরিকুল ইসলাম বলেছেন, চলতি মাসে মোট ১২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, রংপুর জেলার মধ্যে পীরগঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গুর প্রভাব সর্বাধিক। গত বছরগুলোর তুলনায় এবার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তিনি মশারি বিতরণের পাশাপাশি রোগীদের স্বজনদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তরিকুল ইসলাম আরও বলেছেন, "মশারির ভেতরে রাখা না গেলে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যেও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।" তিনি ডেঙ্গু রোগীদের মশারি ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে উল্লেখ করেছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে খয়বর আলী বলেছেন, "ঢাকায় থাকা অবস্থায় জ্বর অনুভব করি। পরে বাড়িতে এসে রক্ত পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।" অন্যদের মধ্যে শাহাদাৎ আলী বলেছেন, "বাড়িতে জ্বর অনুভব হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে রক্ত পরীক্ষা করি। পরীক্ষায় ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর থেকে দুই দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছি।" ঢাকা থেকে আসা নাহিদ বলেছেন, "ঢাকায় রক্ত পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে বাড়িতে এসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছি।"

"মশারির ভেতরে রাখা না গেলে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যেও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। আমরা মশারি দিয়েছি, রোগীর স্বজনদের এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া দরকার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তরিকুল ইসলাম (আরএমও), খয়বর আলী, শাহাদাৎ আলী, নাহিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০ জন (মোট ভর্তি রোগী), ২৩ জন (ডেঙ্গু রোগী), ১২৩ জন (চলতি মাসে ভর্তি ডেঙ্গু রোগী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖