📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের সোনাদিয়া চরে দেখা বিরল পাখি ‘আলাভোলা’: বৈজ্ঞানিক নাম ‘বোকা সরুঠোঁটি’

কক্সবাজারের সোনাদিয়া চরে দেখা বিরল পাখি ‘আলাভোলা’: বৈজ্ঞানিক নাম ‘বোকা সরুঠোঁটি’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৪ সালে বিদেশি পক্ষীবিদরা কক্সবাজারের সোনাদিয়া চরে একটি বিরল সামুদ্রিক পাখি ‘আলাভোলা’ (বৈজ্ঞানিক নাম *Anous tenuirostris*) আবিষ্কার করেন। এই পাখিটি বাংলাদেশের পক্ষীতালিকায় নতুন যোগ হয়েছে এবং এর কোনো বাংলা নাম নেই। গবেষকরা ১০টি আলাভোলা পাখির ছবি ও ভিডিও তুলেন এবং এর বৈশিষ্ট্য, আচরণ ও প্রজনন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন

কক্সবাজারের সোনাদিয়া উপকূলে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি বিরল সামুদ্রিক পাখি আবিষ্কৃত হয়, যা বাংলাদেশের পক্ষীতালিকায় নতুন যোগ হয়। বিদেশি পক্ষীবিদ গ্যারি অলপোর্ট ও জ্যান এরিক নিলসন এই বিরল প্রজাতির সন্ধান পান এবং পরবর্তীতে ‘বার্ডিংবিডি ট্যুরস’-এর সহায়তায় বাংলাদেশে এ পাখির উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। গবেষকরা ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার থেকে রওনা দেন এবং ভোরে ডলফিন মোড়ে নেমে মহেশখালী চ্যানেলের দিকে যাত্রা শুরু করেন। সোনাদিয়ার বেলেকেরদিয়া চরে পৌঁছার পর তারা ১০টি আলাভোলা পাখি দেখতে পান, যা বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর** কক্সবাজারের সোনাদিয়া চরে প্রথমবারের মতো **আলাভোলা পাখি** (*Anous tenuirostris*) আবিষ্কৃত হয়, যা বাংলাদেশের পক্ষীতালিকায় নতুন যোগ হয়েছে।
  • 📌 **২৬ সেপ্টেম্বর রাতে** গবেষকরা ‘বার্ডিংবিডি ট্যুরস’-এর সহায়তায় কক্সবাজার থেকে রওনা দেন এবং **সকাল ১০টায় বেলেকেরদিয়া চরে** ১০টি আলাভোলা পাখি দেখতে পান।
  • 📌 **প্রাপ্তবয়স্ক পাখির দৈর্ঘ্য ৩০-৩৪ সেন্টিমিটার** ও ওজন **৯৭-১২০ গ্রাম**। এরা **১০ হাজার জোড়া পর্যন্ত** বড় বড় উপনিবেশ গড়ে প্রজনন করে।
  • 📌 **বৈজ্ঞানিক নাম: *Anous tenuirostris*** (বাংলা অনুবাদ: বোকা সরুঠোঁটি পাখি)। ইংরেজিতে ‘লেসার নডি’ নামে পরিচিত।
  • 📌 **প্রজননকালে** শিকারি প্রাণীমুক্ত **সিসিলি, চাগোস দ্বীপপুঞ্জ, মালদ্বীপ, মরিশাস** ও ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপে যায়।
  • 📌 **প্রধান খাদ্য: সামুদ্রিক মাছ ও স্কুইড**। ছোট মাছের ঝাঁক থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে।
  • 📌 **আয়ুষ্কাল প্রায় ১৭ বছর**। ছানারা **৫৫-৭০ দিনে** উড়তে শেখে এবং **৩-৪ বছর বয়সে** প্রজননক্ষম হয়।

📰 বিস্তারিত

গবেষকরা সোনাদিয়ার বেলেকেরদিয়া চরে **১০টি আলাভোলা পাখি** দেখতে পান, যাদের সদ্য জেগে ওঠা পলিমাটিতে খাদ্য খেতে দেখা যায়। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী **অধ্যাপক মনিরুল খান** বাইনোকুলার দিয়ে পাখিগুলো পর্যবেক্ষণ করেন এবং **নূরুল আফসার** নামের একজন জেলে স্পিডবোট পরিচালনা করেন। গবেষকদের খবর পেয়ে তিনি বোট নিয়ে চরটির কাছে আসেন। সেখানে **তিনটি আলাভোলা পাখি** দেখা যায়, যা তাদের খোঁজের পাখি ছিল। গবেষকরা **দেড় ঘণ্টা** ধরে পাখিগুলোর ছবি ও ভিডিও তুলেন।

গবেষকদের মতে, **সামুদ্রিক পাখিরা মানুষের সান্নিধ্য পাওয়ার অভিজ্ঞতা কম** থাকায়, জেলেদের মাছ ধরার সময়ও তারা তাদের সঙ্গ ছাড়ত না। এই পাখিরা **দলবদ্ধ** এবং প্রায়ই মাছের ঝাঁকের সঙ্গে উড়ে বেড়ায়। তারা শিকারি মাছের পানির ওপরের দিকে তাড়া করার সময় ছোট মাছগুলোকে খেয়ে ফেলে।

বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী, **প্রাপ্তবয়স্ক আলাভোলা পাখির দেহের রং কালচে-বাদামি** এবং মাথা সাদাটে ধূসর। চোখের পেছনে সাদা অর্ধবলয় রয়েছে। ডানা লম্বা ও সরু, লেজ কীলকাকৃতির এবং ঠোঁট অত্যন্ত সরু। পা ও পায়ের পাতা কুচকুচে কালো। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির পালক ফ্যাকাশে বাদামি। এই পাখিরা **‘আরররক-আরররক’ বা ‘উগুগুগ’** শব্দে ডাকে।

"সোনাদিয়ার বেলেকেরদিয়া চরে দেখা আলাভোলা পাখিটি বাংলাদেশের পক্ষীতালিকায় নতুন যোগ হওয়া ভবঘুরে প্রজাতি। এর কোনো বাংলা নাম নেই। বৈজ্ঞানিক নাম *Anous tenuirostris*।"

গবেষণায় অংশগ্রহণকারী **আ ন ম আমিনুর রহমান** (গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখি ও বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ) বলেন, এই পাখিরা **ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় জল, প্রবালপ্রাচীর ও পাথুরে দ্বীপে** বাস করে। প্রজননকালে তারা **সিসিলি, চাগোস দ্বীপপুঞ্জ, মালদ্বীপ, মরিশাস** সহ বিভিন্ন দ্বীপে যায়। তারা **গাছের ডালে শুকনা পাতা ও সামুদ্রিক উদ্ভিদ দিয়ে বাসা** বানায়, তবে মরিশাসে মাটিতে বাসা বানায়। স্ত্রী-পুরুষ মিলে **৩৪-৩৫ দিন** ডিমে বসে ছানা তোলে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সোনাদিয়া চর, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্যারি অলপোর্ট, জ্যান এরিক নিলসন, মনিরুল খান, নূরুল আফসার, আ ন ম আমিনুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১০টি পাখি, ৩০-৩৪ সেমি দৈর্ঘ্য, ৯৭-১২০ গ্রাম ওজন, ১০ হাজার জোড়া পর্যন্ত উপনিবেশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖