📌 রাজশাহীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চার বছর বয়সী মাইশা খাতুনের মৃত্যু হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, বর্তমানে ১১১ জন চিকিৎসাধীন। পুলিশ মুন্সিগঞ্জের একটি আবাসিক কক্ষে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে
রাজশাহীতে ডেঙ্গু মহামারির তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চার বছর বয়সী মাইশা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি রোববার রাত আড়াইটার দিকে মৃত্যুবরণ করে, যা আজ সোমবার সকালে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ নিশ্চিত করেছেন। মাইশার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম এলাকায় অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীতে ডেঙ্গুতে মারা যায় চার বছর বয়সী মাইশা খাতুন
- 📌 মৃত্যু হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ২৯ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, ৩২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন
- 📌 বর্তমানে হাসপাতালে ১১১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন
- 📌 মুন্সিগঞ্জের রশুনিয়া ইউনিয়নে পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে
- 📌 মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল বেসরকারি সংস্থা ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের ভাড়া আবাসিক কক্ষে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ জানান, গত শনিবার ভোরে মাইশাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীর চাপ হাসপাতালে অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে ৩২ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ১১১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
দুর্ভাগ্যবশত, ডেঙ্গু মহামারির কারণে মৃত্যু ছাড়াও অন্য একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে মুন্সিগঞ্জে। পুলিশ আজ সোমবার সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের রশুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দানিয়াপাড়া গ্রামের একটি ভবনে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মরদেহটি ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) ফিল্ড অফিসার মো. একরামুল হকের (৪৩)।
"গত শনিবার ভোরে শিশুটিকে গুরুতর অবস্থায় রামেকে ভর্তি করা হয়েছিল। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে শিশু মাইশার মৃত্যু হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী; মুন্সিগঞ্জের রশুনিয়া ইউনিয়ন, পূর্ব দানিয়াপাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইশা খাতুন (৪ বছর), ডা. শেখ শামীম আহমেদ, মো. একরামুল হক (৪৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ বছর (মাইশার বয়স), ২৯ জন (নতুন ভর্তি), ৩২ জন (ছাড়পত্র), ১১১ জন (চিকিৎসাধীন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!