📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তেজস্ক্রিয় পরমাণু কেনো পৃথিবীকে উষ্ণ ও পর্বতসঙ্কুল করে তুলছে?

তেজস্ক্রিয় পরমাণু কেনো পৃথিবীকে উষ্ণ ও পর্বতসঙ্কুল করে তুলছে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পৃথিবীর তেজস্ক্রিয় পরমাণুগুলো নিজেদের স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য আলফা, বিটা ও গামা ক্ষয়ের মাধ্যমে শক্তি নিঃসরণ করে। এর মধ্যে আলফা ক্ষয় হিলিয়াম নিউক্লিয়াস নিঃসরণ করে, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। রাশিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তা অ্যালেক্সান্ডার লিটভিনেঙ্কোর মৃত্যুতে পোলোনিয়াম-২১০-এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল

পৃথিবীর তেজস্ক্রিয় পরমাণুগুলো নিজেদের স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শক্তি নিঃসরণ করে, যা পৃথিবীকে উষ্ণ ও ভূতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত করে তুলেছে। এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে আলফা, বিটা ও গামা ক্ষয় অন্যতম। বিশেষ করে আলফা ক্ষয় প্রক্রিয়ায় একটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (আলফা কণা) নিঃসরণ করে, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও পর্বতসঙ্কুল গঠনে ভূমিকা রাখে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পৃথিবীর স্থিতিশীল পরমাণুগুলো মহাবিস্ফোরণ, নক্ষত্রের নিউক্লিয়ার ফিউশন বা সুপারনোভা বিস্ফোরণে তৈরি হয়েছে এবং এগুলো দীর্ঘস্থায়ী থাকে কারণ নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন গ্লুয়নের মাধ্যমে শক্তভাবে বাঁধা থাকে।
  • 📌 অস্থিতিশীল তেজস্ক্রিয় পরমাণুগুলো প্রোটন ও নিউট্রনের ভারসাম্য হারিয়ে শক্তি নিঃসরণ করে, যার ফলে আলফা, বিটা বা গামা ক্ষয় ঘটে।
  • 📌 আলফা ক্ষয়ের সময় একটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (আলফা কণা) নিঃসৃত হয়, যা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। এই কণার ভর প্রায় ৪ u এবং আধান +২e।
  • 📌 আলফা কণার গতি আলোর গতির মাত্র ৫ শতাংশ, ফলে এটি খুব কম দূরত্ব ভেদ করতে পারে। বাতাসে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার যাওয়ার পর থেমে যায়।
  • 📌 আলফা বিকিরণ শরীরের মৃতকোষ স্তর দ্বারা আটকে যায়, কিন্তু পেটের ভেতরে প্রবেশ করলে দেহকোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে।
  • 📌 রাশিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তা অ্যালেক্সান্ডার লিটভিনেঙ্কোকে ২০০৬ সালে পোলোনিয়াম-২১০ মিশ্রিত চায়ে বিষাক্ত করে হত্যা করা হয়েছিল। এই পদার্থের আলফা বিকিরণ তার শরীরে দ্রুত মারাত্মক ক্ষতি করে, যার ফলে মাত্র ২২ দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

📰 বিস্তারিত

পৃথিবীর পরমাণুগুলো মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত: স্থিতিশীল ও অস্থিতিশীল। স্থিতিশীল পরমাণুগুলো মহাবিশ্বের জন্মের সময় বা নক্ষত্রের নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে এবং এগুলো দীর্ঘকাল ধরে স্থিতিশীল থাকে। এদের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন গ্লুয়নের মাধ্যমে শক্তভাবে বাঁধা থাকে, ফলে এগুলো অন্য মৌলে রূপান্তরিত হতে চায় না। অন্যদিকে, অস্থিতিশীল তেজস্ক্রিয় পরমাণুগুলো প্রোটন ও নিউট্রনের ভারসাম্য হারিয়ে শক্তি নিঃসরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা উপপারমাণবিক কণা বা শক্তি নিঃসরণ করে, যাতে তাদের নিউক্লিয়াস আরও স্থিতিশীল অবস্থায় আসে।

আলফা ক্ষয়ের সময় একটি তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (আলফা কণা) নিঃসৃত করে। এই কণার ভর প্রায় ৪ পারমাণবিক ভরের একক (u) — একটি কার্বন-১২ পরমাণুর ভরের ১/১২ অংশের সমান। আলফা কণার আধান +২e, যেখানে e হলো ইলেকট্রনের চার্জের মান। আলফা কণার গতি খুব ধীর — আলোর গতির মাত্র ৫ শতাংশ। এই বৈশিষ্ট্যগুলো এরা অন্য পরমাণুর সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে জোরালোভাবে, ফলে এটি খুব বেশি দূরত্ব ভেদ করতে পারে না। বাতাসে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার যাওয়ার পর থেমে যায়।

আলফা বিকিরণ শরীরের মৃতকোষ স্তর দ্বারা আটকে যায়, কিন্তু যদি কোনোভাবে পেটের ভেতরে প্রবেশ করে, তাহলে দেহকোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই ক্ষতিকর বিকিরণ ব্যবহার করে রাশিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তা অ্যালেক্সান্ডার লিটভিনেঙ্কোকে হত্যা করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে তাঁর অজান্তে চায়ে পোলোনিয়াম-২১০ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই পদার্থের আলফা বিকিরণ তার শরীরে দ্রুত মারাত্মক ক্ষতি করে, যার ফলে মাত্র ২২ দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

"আলফা কণার আধান তুলনামূলকভাবে বেশি—+২e। এ ছাড়া আলফা কণা বেশ ধীর গতিতে নিঃসৃত হয়। এর গতি আলোর গতির মাত্র ৫ শতাংশের মতো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যালেক্সান্ডার লিটভিনেঙ্কো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ u (আলফা কণার ভর), ১২ (কার্বন-১২ পরমাণুর ভর), ৫ শতাংশ (আলফা কণার গতি), ২২ দিন (লিটভিনেঙ্কোর মৃত্যুর আগে সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖