📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রিন এনার্জি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা: বিইপিআরসির চেয়ারম্যানের সতর্কবার্তা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রিন এনার্জি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা: বিইপিআরসির চেয়ারম্যানের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও গ্রিন ট্রানজিশনের বিষয়ে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিইপিআরসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন গবেষণা বরাদ্দের ঘাটতি ও মানসম্মত গবেষকের অভাবের কথা তুলে ধরেন। সেমিনারে জ্বালানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সম্ভাবনা আলোচিত হয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জামাল নজরুল ইসলাম বিজ্ঞান ভবনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ‘দ্য ক্লিন এনার্জি হরাইজন: অ্যাডভান্সিং পাওয়ার ইনোভেশন অ্যান্ড গ্রিন টেকনোলজিস’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিচ্ছন্ন শক্তির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেমিনারটি বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল (বিইপিআরসি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউসি) যৌথভাবে আয়োজন করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা ও গ্রিন ট্রানজিশনের বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিইপিআরসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন গবেষণা বরাদ্দের ঘাটতি ও মানসম্মত গবেষকের অভাবের কথা তুলে ধরেন।
  • 📌 সেমিনারে বিইপিআরসি বর্তমানে গবেষণার জন্য ৪ কোটি টাকা ফান্ড করছে, যা অনেক ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।
  • 📌 প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য শক্তি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপের দাবি করেন।
  • 📌 সেমিনারে তিতাস গ্যাস ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও গ্রিন ট্রানজিশনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
  • 📌 সেমিনারে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক ও জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা ও গ্রিন ট্রানজিশনের পথ নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম বিজ্ঞান ভবনের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যালারি রুমে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও বাংলাদেশের টেকসই জ্বালানি রূপান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। সেমিনারের টেকনিক্যাল সেশনে বিইপিআরসির পরিচালক (ইনোভেশন) ড. হাসান মাহমুদ কাউন্সিলের পরিচিতি ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।

সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিইপিআরসির চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গবেষণার জন্য বরাদ্দ খুবই কম। ভালো গবেষণার জন্য যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা পাওয়া যায় না। কিছু প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত ফান্ড দেয়, যা বড় পরিসরের গবেষণার জন্য যথেষ্ট নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণার উদ্দেশ শুধু মানসম্মত জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করা নয়; বরং গবেষণার ফল দেশের ও জনগণের কী উপকারে আসবে, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ। তিনি জ্বালানি খাতে নবায়নযোগ্য শক্তি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপের দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে উদ্ভাবিত নতুন ধারণা ও প্রযুক্তিকে বাস্তব প্রয়োগের পাশাপাশি বাজারজাত করার উদ্যোগ নিতে হবে।’

সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন আইকিউসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: আবু রেজা। তিনি বলেন, ‘সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে। তেল, গ্যাস ও এলপিজি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

"বাংলাদেশে গবেষণার জন্য বরাদ্দ খুবই কম। ভালো গবেষণার জন্য যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা পাওয়া যায় না। কিছু প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত ফান্ড দেয়, যা বড় পরিসরের গবেষণার জন্য যথেষ্ট নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জামাল নজরুল ইসলাম বিজ্ঞান ভবন, ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যালারি রুম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন (বিইপিআরসি চেয়ারম্যান), ড. মামুনুর রশীদ (প্রো-ভিসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), ড. মো: আবু রেজা (আইকিউসি পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ কোটি টাকা (গবেষণা বরাদ্দ), ৫-১০ লাখ টাকা (অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ফান্ড)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖