📌 নোবেল ২০২৬ রসায়ন বিভাগের বিজয়ী জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোআইয়ের সাক্ষাৎকারের মাঝপথে প্রধানমন্ত্রী ফোন করে বাধা দেন। সাক্ষাৎকারে বিজ্ঞানী বলেন, তাঁর আবিষ্কৃত সোআই রিঅ্যাকশন বিশ্ববিজ্ঞানীদের আকৃষ্ট করেছে
জাপানের নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী কেনসো সোআইয়ের সাক্ষাৎকারের মাঝপথে প্রধানমন্ত্রী তার সাথে কথা বলার জন্য ফোন করেন। নোবেল পুরস্কার জেতার খবর শুনে বিজ্ঞানী রোমাঞ্চিত হলেও সাক্ষাৎকারের শেষে প্রধানমন্ত্রীর ফোনে সাক্ষাৎকার থামিয়ে দিতে বাধ্য হন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেনসো সোআই নোবেল ২০২৬ রসায়নে বিজয়ী হলেও সাক্ষাৎকারের মাঝপথে প্রধানমন্ত্রীর ফোনে সাক্ষাৎকার থামিয়ে দিতে বাধ্য হন
- 📌 বিজ্ঞানী বলেন, তাঁর আবিষ্কৃত সোআই রিঅ্যাকশন বিশ্ববিজ্ঞানীদের আকৃষ্ট করেছে এবং তাঁরা এ নিয়ে গবেষণা করছেন
- 📌 অ্যাডাম স্মিথ নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটের প্রতিনিধি হিসেবে বিজ্ঞানীর সাথে সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন
- 📌 টোকিওর সময় অনুযায়ী ৭টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ফোন আসার খবর পেয়ে বিজ্ঞানী সাক্ষাৎকার থামান
📰 বিস্তারিত
নোবেল পুরস্কার জেতার খবর শুনে বিজ্ঞানীর অনুভূতি কেমন ছিল তা জানতে নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটের প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথ কেনসো সোআইয়ের সাথে ফোনে কথা বলেন। সাক্ষাৎকারের মাঝপথে বিজ্ঞানী জানান, নোবেল কমিটি তাঁদের গবেষণাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এটাই তাঁদের জন্য একটি বড় সাফল্য। বিজ্ঞানী বলেন, তাঁদের গবেষণা পৃথিবীর প্রাণের উৎপত্তির রহস্যের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।
বিজ্ঞানী কেনসো সোআই জানান, তাঁরা সোআই রিঅ্যাকশন আবিষ্কার করে ফ্র্যাংকের গাণিতিক মডেলের শেষ শর্ত পূরণ করেছেন। এটা বিজ্ঞানীদের জন্য একটি অভাবনীয় আবিষ্কার। বিজ্ঞানী বলেন, বিশ্ববিজ্ঞানীরা তাঁদের এই বিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করছেন এবং এতে তাঁরা খুব আনন্দিত।
অ্যাডাম স্মিথ জানান, বিজ্ঞানীর আবিষ্কারটি বিশ্ববিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞানী বলেন, তাঁদের গবেষণা বিজ্ঞানীদের বন্ধুত্বের প্রতীক এবং তাঁরা বিজ্ঞানের বন্ধু।
"আমাকে একটু মাফ করবেন, আমি কি আপনাকে একটু থামাতে পারি? আমি এইমাত্র খবর পেলাম। টোকিওর সময় অনুযায়ী ঠিক ৭টা ৪৫ মিনিটে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করবেন। অর্থাৎ, ঠিক এক মিনিট পরই তাঁর ফোন আসবে!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টোকিও (জাপান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কেনসো সোআই (নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী), অ্যাডাম স্মিথ (নোবেল প্রাইজের প্রতিনিধি), প্রধানমন্ত্রী (বাংলাদেশ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টা ৪৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!