📌 প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকায় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইউনিডোর যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনারে ইপিআর নীতির বাস্তবায়ন, পরিচ্ছন্ন উৎপাদন ও পরিবেশবান্ধব পণ্য নকশা নিয়ে আলোচনা হয়
প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় উৎপাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকার একটি হোটেলে বুধবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো) যৌথভাবে এই সেমিনার আয়োজন করে। এতে সরকারি কর্মকর্তা, শিল্পোদ্যোক্তা ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার জন্য ‘ইপিআর-২০২৬’ নির্দেশিকা বাস্তবায়নের আলোচনা সেমিনারে হয়
- 📌 সরকার এই বছরের আগস্টে উৎপাদকদের একটি নীতিমালা আওতায় আনতে ‘ইপিআর-২০২৬’ নির্দেশিকা তৈরি করেছে
- 📌 সেমিনারে শিল্পকারখানায় সম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও বর্জ্য কমানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়
- 📌 পণ্যের নকশা পর্যায়ে পরিবেশের ওপর প্রভাব কমাতে কী ধরনের পরিবর্তন আনা যায়, তা আলোচিত হয়
- 📌 সেমিনারটি ‘বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়
📰 বিস্তারিত
সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিডোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মাসুদ ইকবাল মো. শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।
কারিগরি অধিবেশনে ইপিআর নীতির বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা একটি উপস্থাপনা দেন। পরে সরকারি সংস্থা, নরওয়ের দূতাবাস, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিনিধিরা ইপিআর কার্যকর করতে সরকার, উৎপাদক ও অন্যান্য অংশীজনের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
দিনের পরের অধিবেশনে শিল্পকারখানায় সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বর্জ্য কমানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। আকিজ প্লাস্টিকস, এক্সোপ্লাস্ট ও আরএফএল গ্রুপের টেল প্লাস্টিকের প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা জানান। পণ্যের কারণে পরিবেশের ওপর প্রভাব কমাতে নকশা পর্যায়ে কী ধরনের পরিবর্তন আনা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিক, প্রাণ-আরএফএল ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের প্রতিনিধিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
"প্লাস্টিক দূষণ মোকাবেলায় উৎপাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার জন্য ইপিআর নীতির বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে শিল্পকারখানায় সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য নকশা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন (রাষ্ট্রদূত), আলমগীর হোসেন (ইউনিডো প্রতিনিধি), ড. মাসুদ ইকবাল মো. শামীম (পরিবেশ অধিদপ্তর পরিচালক), আবদুল্লাহ আল মামুন (উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ (ইপিআর-২০২৬ নির্দেশিকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!