📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পেনিসিলিনের বিপ্লবী আবিষ্কার থেকে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের মহামারী: বাংলাদেশে কীভাবে ছড়িয়ে পড়লো এই বিপদ?

পেনিসিলিনের বিপ্লবী আবিষ্কার থেকে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের মহামারী: বাংলাদেশে কীভাবে ছড়িয়ে পড়লো এই বিপদ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পেনিসিলিনের আবিষ্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটালেও বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা মহামারীতে পরিণত হয়েছে। ঢাকার একটি হাসপাতালে ৭০ বছরের নারীর শরীরে সাত ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ দেখা গেছে। বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করলেও যথেচ্ছ ব্যবহার এখন চিকিৎসাকে বিপদে ফেলেছে

ঢাকার একটি হাসপাতালের করিডরে এক সত্তরোর্ধ্ব নারীর জীবন বিপদে পড়েছে। রক্ত ও প্রস্রাবের সংক্রমণ, তীব্র জ্বর এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত তিনি। অ্যান্টিবায়োটিকের চিকিৎসা নিয়মিত করলেও পুরোপুরি সেরে উঠছেন না। চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করিয়ে ফেলেন। সেই রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক বললেন: ‘আপনার শরীরে সাত থেকে আট ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ তৈরি হয়েছে। এখন আর এসব ওষুধ কাজ করছে না।’ এই নারী নিজেই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেতেন। এখন তিনি এবং তার ছেলে দুজনই চিন্তিত। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মহামারীতে পরিণত হয়েছে। প্রবীণ থেকে শিশু—অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকার একটি হাসপাতালে ৭০ বছরের নারীর শরীরে **সাত ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ** তৈরি হয়েছে, ফলে ওষুধ আর কাজ করছে না
  • 📌 **পেনিসিলিনের আবিষ্কারক** বিজ্ঞানী **আলেকজান্ডার ফ্লেমিং** ১৯২৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটান, কিন্তু **যথেচ্ছ ব্যবহার** এখন চিকিৎসাকে বিপদে ফেলেছে
  • 📌 **কৃষি, গবাদিপশু, মুরগি ও মাছ উৎপাদনে** নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে **মানুষের শরীরে ওষুধের প্রতিরোধ** বৃদ্ধি পাচ্ছে
  • 📌 **বিজ্ঞানী ফ্লেমিং** নিজেই **১৯২৮ সালে নোবেল পুরস্কার গ্রহণের সময়** অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন
  • 📌 **অ্যান্টিবায়োটিক হলো** অণুজীব থেকে তৈরি রাসায়নিক যৌগ যা অন্য অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে

📰 বিস্তারিত

ঢাকার একটি হাসপাতালের করিডরে এক নারী ও তার ছেলের জীবন বিপদে পড়েছে। রক্ত ও প্রস্রাবের সংক্রমণ, তীব্র জ্বর এবং ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এই ৭০ বছরের নারী নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েছেন। কিন্তু শরীরে **সাত থেকে আট ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ** তৈরি হয়েছে। চিকিৎসক বলেছেন, এখন আর ওষুধ কাজ করছে না। এই নারী নিজেই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেতেন। এখন তিনি ও তার ছেলে দুজনই চিন্তিত। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বাংলাদেশে মহামারীতে পরিণত হয়েছে। প্রবীণ থেকে শিশু—অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন।

অ্যান্টিবায়োটিক কী? এটি অণুজীব থেকে তৈরি একধরনের রাসায়নিক যৌগ। সাধারণত মাটির মতো জটিল পরিবেশে নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী অণুজীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঠেকাতে এটি তৈরি হয়। **১৯২৮ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং** পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কার চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়। কিন্তু **যথেচ্ছ ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার** এখন চিকিৎসাকে বিপদে ফেলেছে। ফ্লেমিং নিজেই **১৯২৮ সালে নোবেল পুরস্কার গ্রহণের সময়** বলেছিলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে ব্যাকটেরিয়া, মানুষ নয়। ফলে রোগীর শরীরে এমন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটালে প্রচলিত ওষুধ আর আগের মতো কাজ করবে না।’

অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কেবল মানবদেহে নয়, **কৃষি, গবাদিপশু, মুরগি, ডিম ও মাছ উৎপাদনে**ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে হচ্ছে। খাদ্যের মাধ্যমে মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রবেশ করছে এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর তার প্রভাব গিয়ে পড়ছে। ফ্লেমিং ১৮৮১ সালের **৬ আগস্ট** স্কটল্যান্ডের ডারভেলের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কৃষকের সন্তান। স্কটিশ বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভের পর লন্ডনে চলে আসেন। ১৯০১ সালে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯০৮ সালে সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে স্বর্ণপদক জিতে নেন। তিনি **ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণায়** বিশেষ অবদান রাখেন।

"অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে ব্যাকটেরিয়া, মানুষ নয়। ফলে রোগীর শরীরে এমন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঘটালে প্রচলিত ওষুধ আর আগের মতো কাজ করবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (হাসপাতালের করিডর), স্কটল্যান্ড (ডারভেল), লন্ডন (সেন্ট মেরি’স মেডিক্যাল স্কুল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং, ৭০ বছরের নারী, তার ছেলে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭-৮ (অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ), ১৯২৮ (পেনিসিলিন আবিষ্কার), ৬ (আগস্ট), ১৮৮১ (ফ্লেমিং জন্ম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖