📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বয়ঃসন্ধিকালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্ব: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

বয়ঃসন্ধিকালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্ব: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত ১৭৩তম মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বয়ঃসন্ধিকালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। যোগাযোগের ঘাটতি সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্ব নিয়ে প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় বিশেষজ্ঞরা জোরালো সতর্কতা জানিয়েছেন। গত ২৯ নভেম্বর কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৭৩তম পরামর্শ সভায় মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৯ নভেম্বর কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ১৭৩তম মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা
  • 📌 বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি সন্তানের মনের দূরত্ব সৃষ্টি করে
  • 📌 বয়ঃসন্ধিকালে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য তিনটি মূল বিষয় জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে
  • 📌 ৩টি পরামর্শ: মানসিক নিরাপত্তা, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা

📰 বিস্তারিত

সভায় বিশেষজ্ঞরা ‘আমাকে কেউ বোঝে না’ এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তারা বলেছেন, বাবা-মায়ের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগের অভাব সন্তানের মনের দূরত্ব সৃষ্টি করে। এই দূরত্ব প্যারেন্টিংয়ের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বয়ঃসন্ধিকালে সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাদের সঙ্গে দূরত্ব কমানো খুবই জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা তিনটি মূল বিষয়ে জোর দিয়েছেন। প্রথমত, মানসিক নিরাপত্তা। তারা বলেছেন, বাবা-মায়ের সাথে খোলামেলা আলোচনা থাকলে সন্তানরা নিজেদের নিরাপদ মনে করে। তারা সহজে তাদের মনের ভয়, কৌতূহল বা হতাশাগুলো ভাগ করে নিতে পারে। দ্বিতীয়ত, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি। সঠিক সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে কিশোর-কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং তারা ভুল পথে যাওয়া থেকে দূরে থাকে। তৃতীয়ত, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা। যোগাযোগের অভাবে অনেক সময় সন্তানরা একাকীত্ব বা ডিপ্রেশনে ভুগে থাকে, যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।

"যোগাযোগের ঘাটতি বাবা–মায়ের সঙ্গে সন্তানের একধরনের দূরত্ব তৈরি করে। এই দূরত্ব প্যারেন্টিংয়ের জন্য নেতিবাচক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মেখলা সরকার, ডা. সরদার আতিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ নভেম্বর, ১৭৩তম সভা, ৩টি পরামর্শ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖