📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্যারাকোয়াট আমদানি নিষিদ্ধ, গ্লাইফোসেটের নিষেধাজ্ঞা বিলম্বিত: কৃষি বিশেষজ্ঞদের দাবি ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিশদ

প্যারাকোয়াট আমদানি নিষিদ্ধ, গ্লাইফোসেটের নিষেধাজ্ঞা বিলম্বিত: কৃষি বিশেষজ্ঞদের দাবি ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিশদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বালাইনাশক প্যারাকোয়াটের আমদানি ও লাইসেন্স নবায়ন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশে মজুত থাকা ৩৯৫ মেট্রিক টন প্যারাকোয়াট ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। গ্লাইফোসেটের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হলেও তা এখনও নিশ্চিত নয়। কৃষিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা প্যারাকোয়াটের বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন

বাংলাদেশে অত্যন্ত বিষাক্ত বালাইনাশক প্যারাকোয়াটের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (পিটাক) সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশে মজুত থাকা ৩৯৫ মেট্রিক টন প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। তবে গ্লাইফোসেটের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হলেও নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **প্যারাকোয়াট আমদানি ও লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ**: পিটাকের সিদ্ধান্তে প্যারাকোয়াটের আমদানি, নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
  • 📌 **৩৯৫ মেট্রিক টন প্যারাকোয়াট শূন্য করতে হবে**: দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াটের মোট পরিমাণ ৩৯৫ মেট্রিক টন। ছয় মাসের মধ্যে এ মজুত শূন্য করতে হবে।
  • 📌 **গ্লাইফোসেটের সিদ্ধান্ত বিলম্বিত**: গ্লাইফোসেটের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা হলেও নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।
  • 📌 **প্যারাকোয়াটের বিষক্রিয়া বৃদ্ধি**: ২০১৩ সালে প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর ঘটনা ছিল ১টি, কিন্তু ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১২।
  • 📌 **আমদানি বৃদ্ধি**: ২০১৩ সালে প্যারাকোয়াটের আমদানি ছিল ৫৩ টন, কিন্তু ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৯৫ টন।

📰 বিস্তারিত

বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (পিটাক) সভায় প্যারাকোয়াটের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মজুত থাকা প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশকের মোট পরিমাণ ৩৯৫ মেট্রিক টন। পিটাকের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম জানান, প্যারাকোয়াটের মজুত ছয় মাসের মধ্যে শূন্য করতে হবে। তিনি বলেন, জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ বিপজ্জনক বালাইনাশক কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে প্যারাকোয়াট ও গ্লাইফোসেটের বিষয়ে এবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্যারাকোয়াটের বিষক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। তিনি বলেন, যদি আগে নিষিদ্ধ হতো তাহলে অনেক প্রাণ ও প্রকৃতি বাঁচত। গত ১৫ আগস্ট প্রথম আলোতে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, প্যারাকোয়াটের বিষক্রিয়ায় ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা ২১২। এছাড়াও, প্যারাকোয়াটের আমদানি ২০১৩ সালে ছিল ৫৩ টন, কিন্তু ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৯৫ টন। কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গ্রামাঞ্চলে দিনমজুরের সংকট এবং পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কারণে কৃষকেরা প্যারাকোয়াটের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন।

পিটাকের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্যারাকোয়াট গ্রুপের বালাইনাশক আমদানি, নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়ন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। এছাড়াও, উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালকের স্মারক এবং বাংলাদেশ ক্রপ প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিপিএ) সভাপতির উপস্থাপিত তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। পিটাকের সভাপতি মো. আবদুছ ছালাম বলেন, প্যারাকোয়াটের বিষক্রিয়া এবং এর অপব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

"প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্যের জন্য খুব ইতিবাচক। যদি আরও আগে নিষিদ্ধ হতো তাহলে অনেক প্রাণ ও প্রকৃতি বাঁচত।"

— ফজলে রাব্বি চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুছ ছালাম, ফজলে রাব্বি চৌধুরী, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯৫ মেট্রিক টন (প্যারাকোয়াট মজুত), ২১২ (২০২৪ সালের প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ায় মৃত্যু), ৪ হাজার ৬৯৫ টন (২০২৩ সালের প্যারাকোয়াট আমদানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖