📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
হাইকোর্টের আদেশে দায়িত্বে ফিরলেও স্কুলের কক্ষে ঢুকতে পারছেন না প্রধান শিক্ষক সাতক্ষীরার নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে • ১৩ কোটি ভোটারের নাম ফিরিয়ে আনতে ভারতের নির্বাচন কমিশন চালায় বিশেষ অভিযান: ২০ রাজ্যে শুরু হয়েছে ফেরত তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া • মার্কিন হুমকিতে ইউরোপের ডিজেল রিজার্ভ: ১২০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহের দাবি, অন্যথায় রপ্তানি বন্ধ • 'অ্যাডভারটাইজিং অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং' বিষয়ে ড্যাফোডিলে অনুষ্ঠিত জেএমসি মিডিয়া বাজের সপ্তম আসর সমাপ্তি পায় • ওয়ালটন ও নগদ লিমিটেডে উচ্চপদে চাকরি: গ্র্যাচুইটি ও প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ সুবিধাসমৃদ্ধ পদে আবেদন শুরু •

মেরু অভিযানের স্বপ্ন সত্যি: কিশোর আলোর লেখক তারেক অণুর উত্তর মেরু যাত্রা

মেরু অভিযানের স্বপ্ন সত্যি: কিশোর আলোর লেখক তারেক অণুর উত্তর মেরু যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোর আলোর লেখক তারেক অণুর উত্তর মেরুর অভিযান নিয়ে লিখেছেন। ২০০৭ সালে তিনি নরওয়ে থেকে শুরু করে স্পিটসবার্গেনের বরফের দ্বীপপুঞ্জে যাত্রা শুরু করেন। ৮৯ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত ক্যাম্প বার্নেওতে পৌঁছানোর পথে তিনি দেখেছেন চিরসূর্যের অসাধারণ দৃশ্য এবং মেরু অঞ্চলের অদ্ভুত প্রকৃতি

কিশোর আলোর লেখক তারেক অণুর উত্তর মেরুর অভিযান নিয়ে লিখেছেন। ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম আলো প্রকাশিত কিশোরদের জন্য নববর্ষ সংখ্যাটি ছিল কিশোর আলোর পূর্বসূরী। সেই সংখ্যায় তিনি লিখেছিলেন ‘দুধের মতো দেশের খোঁজে’ অধ্যায়ের কথা, যা তার শৈশবের একটি প্রিয় বইয়ের প্রথম অধ্যায়। সেই বইয়ের নাম এখন মনে না আসলেও, সেই দুধের মতো সাদা দেশের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। ২০০৭ সালের ২ এপ্রিল তারেক অণুর উত্তর মেরু অভিযানের যাত্রা শুরু হয় নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১২ সালের প্রথম আলোর কিশোরদের নববর্ষ সংখ্যা ছিল কিশোর আলোর পূর্বসূরী এবং তারেক অণুর লেখা ‘দুধের মতো দেশের খোঁজে’ অধ্যায়ের কথা উল্লেখ করে তিনি উত্তর মেরু অভিযানের কথা লিখেছেন।
  • 📌 তারেক অণুর উত্তর মেরু অভিযান শুরু হয় ২০০৭ সালের ২ এপ্রিল নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে।
  • 📌 অভিযানের প্রথম ধাপে তিনি স্পিটসবার্গেন দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছান, যেখানে ৭৮ ডিগ্রি অক্ষাংশে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জে মাত্র হাজার খানেক মানুষ বাস করে, কিন্তু শ্বেতভালুকের সংখ্যা প্রায় চার হাজার।
  • 📌 ক্যাম্প বার্নেওতে পৌঁছানোর পথে তিনি দেখেছেন চিরসূর্যের অসাধারণ দৃশ্য, যেখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয় বছরে মাত্র একবার করে।
  • 📌 ৩০ মিনিটের ভ্রমণে তিনি পৌঁছান উত্তর মেরু থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে অবস্থিত ক্যাম্প বার্নেওতে, যেখানে তিনি ৭২ ঘণ্টার জন্য চিরসূর্যের আলো দেখেছিলেন।
  • 📌 অভিযানের সময় বাইরে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিন্তু বরফের প্রান্তরে তা অনুভূত হতো মাইনাস ৬০ ডিগ্রির মতো।

📰 বিস্তারিত

তারেক অণুর শৈশবের একটি প্রিয় বই ছিল যেটি পৃথিবীর দুর্গম স্থানের দুঃসাহসী অভিযান নিয়ে লেখা। সেই বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম ছিল ‘দুধের মতো দেশের খোঁজে’, যা গ্রিনল্যান্ড এবং তার উত্তরে বিস্তৃত দুধের মতো সাদা প্রান্তরের কথা বর্ণনা করেছিল। সেই বইয়ের কথা মনে পড়ে তিনি উত্তর মেরুর অভিযানের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

২০০৭ সালের ২ এপ্রিল তারেক অণুর উত্তর মেরু অভিযান শুরু হয় নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে। তিনি ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি থেকে এসেছিলেন এবং পাখিপ্রেমী ইনাম আল হক ঢাকা থেকে এসেছিলেন। তারা স্পিটসবার্গেন দ্বীপপুঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এই দ্বীপপুঞ্জটি ৭৮ ডিগ্রি অক্ষাংশে অবস্থিত এবং প্রায় আয়ারল্যান্ডের সমান আয়তনের। এই দ্বীপপুঞ্জে মাত্র হাজার খানেক মানুষ বাস করে, কিন্তু শ্বেতভালুকের সংখ্যা প্রায় চার হাজার।

তারেক অণুর গন্তব্য ছিল ক্যাম্প বার্নেও, যা ৮৯ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত। যাত্রাপথে তারা সোভিয়েত আমলের তৈরি আস্তনোভবিমান ব্যবহার করে স্পিটসবার্গেন থেকে ক্যাম্প বার্নেওতে পৌঁছান। এই ভাসমান বরফপিতে অবতরণ ও উড়তে সক্ষম এই বিমান ছিল তাদের একমাত্র উপায়।

ক্যাম্প বার্নেওতে পৌঁছানোর সময় তারেক অণু দেখেছিলেন চিরসূর্যের অসাধারণ দৃশ্য। সেখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয় বছরে মাত্র একবার করে। তিনি ৭২ ঘণ্টার জন্য চিরসূর্যের আলো দেখেছিলেন, যেখানে সূর্য দিগন্তের ওপরে অবস্থান করে এবং চারদিকে ঝকঝকে আলো ছড়িয়ে পড়ে।

হেলিকপ্টার থেকে উত্তর মেরুর প্রান্তসীমায় পৌঁছানোর সময় তারেক অণু দেখেছিলেন যে, বাইরে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিন্তু বরফের প্রান্তরে তা অনুভূত হতো মাইনাস ৬০ ডিগ্রির মতো। তিনি এবং তার সহযাত্রীরা কন্টারের ভেতরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সেই ঠান্ডা থেকে বাঁচতেন।

"আমি শিশুকাল থেকেই পড়ে আসছি আর্কটিকে বছরে ছয় মাস দিন, ছয় মাস প্রত। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয় বছরে মাত্র একবার করে। প্রকৃতির সেই অসাধারণ খেয়াল এবার চাক্ষুষ করলাম, সে এক অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্পিটসবার্গেন দ্বীপপুঞ্জ, ক্যাম্প বার্নেও (৮৯ ডিগ্রি উত্তরে), উত্তর মেরু
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তারেক অণু, ইনাম আল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০৭ (বছর), ২ (এপ্রিল), ৭৮ (ডিগ্রি অক্ষাংশ), ৮৯ (ডিগ্রি), ৭২ (ঘণ্টা), ৩০ (মিনিট), ৩৫ (ডিগ্রি সেলসিয়াস), ৬০ (ডিগ্রি অনুভূত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖