📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোবেল বিজয়ীরা কী করে পেয়েছেন পুরস্কারের খবর? অদ্ভুত মুহূর্তে পেয়েছেন সবাই

নোবেল বিজয়ীরা কী করে পেয়েছেন পুরস্কারের খবর? অদ্ভুত মুহূর্তে পেয়েছেন সবাই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোবেল বিজয়ীরা সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পুরস্কারের খবর পান না। অনেকেই রান্নাঘরে ঝাড়ু দিচ্ছিলেন, বাজার করছিলেন, গোসল করছিলেন বা ঘুমাচ্ছিলেন যখন তাদের নোবেল বিজয় ঘোষণা করা হয়। নোবেল কমিটি তাদের খুঁজে পেলেও প্রতিবেশী বা পরিবারজনের মাধ্যমে খবর পৌঁছায় অনেক সময়

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবর পাওয়ার মুহূর্ত অনেক সময় অদ্ভুত ও ব্যক্তিগত হয়ে থাকে। সাধারণ ধারণা হলো বিজয়ীরা গম্ভীর পরিবেশে থাকেন যখন তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে নোবেল বিজয়ীরা প্রায়শই এমন মুহূর্তে খবর পান যখন তাদের চারপাশের পরিবেশ পুরস্কারের সাথে সম্পৃক্ত নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 অ্যান কারসন (কানাডা) সাহিত্যে নোবেল পেলেন যখন রেইকিয়াভিকে নিজের রান্নাঘরের মেঝে ঝাড়ু দিচ্ছিলেন।
  • 📌 কেনসো সোয়াই (জাপান) রসায়নে নোবেল পেলেন যখন বাড়ির কাছে বাজার করতে গিয়েছিলেন।
  • 📌 ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক (মার্কিন) পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যখন গোসল করছিলেন। স্ত্রী ফোনের খবর শুনিয়ে দিলেন।
  • 📌 ডরিস লেসিং (ব্রিটেন) সাহিত্যে নোবেল পেলেন যখন বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। সাংবাদিকদের ভিড় দেখে বুঝলেন ঘটনা বিশেষ।
  • 📌 পিটার হিগস (ব্রিটেন) পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যখন রাস্তায় লাঞ্চ করতে বেরিয়েছিলেন। প্রতিবেশী খবর দিলেন।
  • 📌 জন গুডএনাফ (মার্কিন) রসায়নে নোবেল পেলেন যখন দাঁত ব্রাশ করছিলেন। ফোন ধরতে পারেননি, পরে অন্য কেউ খবর দিলেন।
  • 📌 এডভার্ড মোজার (নরওয়ে) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যখন বিমানে বসে ম্যানুস্ক্রিপ্ট লিখছিলেন। ফুল নিয়ে একজন তাঁকে অভিনন্দন জানালেন।
  • 📌 পল মিলগ্রম (মার্কিন) অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যখন ঘুমাচ্ছিলেন। প্রতিবেশী ও সহ-বিজয়ী রবার্ট উইলসন তাঁকে জাগিয়ে দিলেন।

📰 বিস্তারিত

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খবর পাওয়ার মুহূর্ত অনেক সময় অদ্ভুত হয়ে থাকে। সাধারণত মানুষের ধারণা হলো বিজয়ীরা গবেষণাগারে গম্ভীর মুখে কাজ করছেন বা গুরুত্বপূর্ণ বই পড়ছেন। কিন্তু বাস্তবে নোবেল বিজয়ীরা প্রায়শই এমন মুহূর্তে খবর পান যখন তাদের চারপাশের পরিবেশ পুরস্কারের সাথে সম্পৃক্ত নয়।

২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী কানাডার লেখক অ্যান কারসন তখন রেইকিয়াভিকে নিজের রান্নাঘরের মেঝে ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। ঝাড়ু হাতে নোবেল পুরস্কারের খবর পেলেন। একইভাবে জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই রসায়নে নোবেল পেলেন যখন বাড়ির কাছে বাজার করতে গিয়েছিলেন। তাঁর হাতে ছিল বাজারের ব্যাগ।

২০০৪ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক তখন গোসল করছিলেন। স্ত্রী এসে বললেন, ‘সুইডেন থেকে ফোন এসেছে’। তিনি গোসল থেকে বের হলেন, কিন্তু পুরো গা তখনো ভেজা ছিল। নোবেল পাওয়ার খবর শোনার জন্য এর চেয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্ত কল্পনা করা কঠিন।

ব্রিটিশ লেখক ডরিস লেসিং ২০০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পেলেন যখন বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির সামনে এসে দেখলেন সাংবাদিকের ভিড়। তাঁকে জানানো হলো, ‘আপনি নোবেল পেয়েছেন’।

ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার হিগস ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যখন রাস্তায় লাঞ্চ করতে বেরিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে মুঠোফোন বা কম্পিউটার ছিল না। নোবেল ঘোষণার পর সবাই তাঁকে খুঁজছিলেন। অবশেষে প্রতিবেশী তাঁকে খবর দিলেন।

মার্কিন বিজ্ঞানী জন গুডএনাফ ২০১৯ সালে রসায়নে নোবেল পেলেন যখন দাঁত ব্রাশ করছিলেন। নোবেল কমিটির ফোন তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একজন ফোন করে খবর দিলেন। তাঁর হাতে ছিল টুথব্রাশ।

নরওয়ের বিজ্ঞানী এডভার্ড মোজার ২০১৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যখন বিমানে বসে ম্যানুস্ক্রিপ্ট লিখছিলেন। মিউনিখ বিমানবন্দরে নামার পর একজন ফুল নিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন। পরে ফোনের মেসেজ দেখে বুঝলেন পুরস্কারটা নোবেল।

মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল মিলগ্রম ২০২০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যখন ঘুমাচ্ছিলেন। নোবেল কমিটি ফোন করে তাঁকে পাচ্ছে না। শেষে তাঁর প্রতিবেশী আর সহ-বিজয়ী রবার্ট উইলসন রাস্তা পার হয়ে তাঁর বাড়িতে গেলেন। দরজায় বেল বাজিয়ে বললেন, ‘আপনি নোবেল পেয়েছেন। আপনার আরামের ঘুম ভাঙানোর জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত’।

"নোবেল পাওয়ার খবর পাওয়ার আরও অনেক গল্প আছে। কেউ ঘুমাচ্ছেন। কেউ গাড়ি চালাচ্ছেন। কেউ লাঞ্চ করছেন। কেউ বাজার করছেন। কেউ গোসল করছেন। কেউ দাঁত মাজছেন। কেউ আবার এমনভাবে ফোন বন্ধ করে রেখেছেন যে তাঁকে খুঁজতে প্রতিবেশীকেই বের হতে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রেইকিয়াভিক (কানাডা), জাপান, সুইডেন, রাস্তা, বিমান, বাজার, রান্নাঘর, গোসলখানা, বাড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যান কারসন, কেনসো সোয়াই, ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক, ডরিস লেসিং, পিটার হিগস, জন গুডএনাফ, এডভার্ড মোজার, পল মিলগ্রম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬, ২০০৪, ২০০৭, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৯, ২০২০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖