📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোবেলজয়ীদের সোনালি প্রতিকৃতি আঁকেন এই শিল্পী: কালি ও স্বর্ণের গল্প

নোবেলজয়ীদের সোনালি প্রতিকৃতি আঁকেন এই শিল্পী: কালি ও স্বর্ণের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুইডিশ শিল্পী নিকলাস এলমেহেড ২০১২ সাল থেকে নোবেল বিজয়ীদের হাতে আঁকা সোনালি প্রতিকৃতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কালি ও স্বর্ণের পাত দিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি ছবি আঁকেন, যেখানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে কাজ শুরু করতে হয়

প্রতিবছর অক্টোবর মাসে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা হলে, তাদের প্রতিকৃতি প্রকাশের পদ্ধতি অনন্য। বিজয়ীদের সাধারণ ছবি বা ক্যামেরায় তোলা ছবি প্রকাশ করা হয় না বরং হাতে আঁকা সোনালি প্রতিকৃতিগুলো প্রকাশিত হয়। এই বিশেষ কাজটি করছেন সুইডিশ শিল্পী নিকলাস এলমেহেড। তিনি কালি ও স্বর্ণের পাত দিয়ে প্রতিটি ছবি আঁকেন, যা নোবেল কমিটির ‘গোল্ডেন ওয়াল’-এ প্রদর্শিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নিকলাস এলমেহেড ২০১২ সাল থেকে নোবেল বিজয়ীদের প্রতিকৃতি আঁকেন, যেখানে প্রতিটি ছবি হাতে আঁকা সোনালি ক্যানভাসে তৈরি হয়।
  • 📌 প্রতিটি প্রতিকৃতি তৈরি করতে শিল্পীকে মাত্র ৪০ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে, বিজয়ীদের নাম ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে কাজ শুরু করতে হয়।
  • 📌 ছবিগুলোতে কালি ও স্বর্ণের পাত ব্যবহার করা হয়, যা নোবেল কমিটির ‘গোল্ডেন ওয়াল’-এ প্রদর্শিত হয়।
  • 📌 শিল্পী নিকলাস এলমেহেড জানান, ‘আমাকে সব সময় সেরা কাজটাই উপহার দিতে হয়। বিষয়টি অনেকটা দৌড় প্রতিযোগিতার মতো।’
  • 📌 নোবেল কমিটি ২০১২ সালের আগে ইন্টারনেট থেকে অগোছালো ছবি ব্যবহার করত, কিন্তু ২০১২ সাল থেকে হাতে আঁকা প্রতিকৃতি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়।

📰 বিস্তারিত

নিকলাস এলমেহেড নোবেল বিজয়ীদের প্রতিকৃতি আঁকেন সুইডেনের স্টকহোমে। তিনি নোবেল মিডিয়ার আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে ২০১২ সালে কাজ শুরু করেন এবং ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করলেও এই বিশেষ দায়িত্বটি তাঁর ওপরেই ছিল। প্রতিটি প্রতিকৃতি তিনি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো অ্যাক্রিলিক রং দিয়ে আঁকেন এবং সোনালি পাত যুক্ত করে ছবিতে গভীরতা ও মাত্রা যোগ করেন। এই বিশেষ নকশার কারণে ছবিগুলো মোবাইল থেকে শুরু করে বিশাল বিলবোর্ডে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

শিল্পী নিকলাস এলমেহেডের কাজের গতি অপরিসীম। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে তাঁকে তাদের সম্পর্কে জানানো হয় এবং মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি প্রতিকৃতি শেষ করতে হয়। ২০১৫ সালে, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচের প্রতিকৃতি তিনি মাত্র ৪০ মিনিটে আঁকেছিলেন। এখন পর্যন্ত তিনি অর্ধশতাধিক নোবেল বিজয়ীদের প্রতিকৃতি আঁকেছেন।

নিকলাস এলমেহেডের কাজের পেছনে একটি ঐতিহ্য রয়েছে। নোবেল কমিটি ডিজিটাল মাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগেও এই হাতে আঁকা প্রতিকৃতির ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে সব সময় সেরা কাজটাই উপহার দিতে হয়। বিষয়টি অনেকটা দৌড় প্রতিযোগিতার মতো। খবর পাওয়ার পরপরই দ্রুত হাতে সুন্দর করে এমন এক গুণী মানুষের অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে হয়। যাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো বিশ্ব।’

"আমাকে সব সময় সেরা কাজটাই উপহার দিতে হয়। বিষয়টি অনেকটা দৌড় প্রতিযোগিতার মতো। খবর পাওয়ার পরপরই দ্রুত হাতে সুন্দর করে এমন এক গুণী মানুষের অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে হয়। যাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো বিশ্ব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুইডেন, স্টকহোম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিকলাস এলমেহেড
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ মিনিট (সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচের প্রতিকৃতি আঁকতে লেগেছিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖