📌 চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় তিনি ঘোষণা দেন যে, সন্তানদের জন্য টিফিন বানানোর জন্য সাংবাদিকদের বিরতি দেবেন। বিজ্ঞানী জানান, তাঁর সন্তানদের স্কুলের আগে খাবার বানানো তাঁর প্রধান দায়িত্ব
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ। ৫ অক্টোবর রাতে তিনি এই খবর পান। নোবেল পুরস্কার জয়ের পর থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন — তাঁর সন্তানদের জন্য টিফিন বানানোর জন্য সাংবাদিকদের বিরতি দেবেন। বিজ্ঞানী জানান, তাঁর সন্তানদের স্কুলে যাওয়ার আগে খাবার বানানো তাঁর প্রধান দায়িত্ব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ অক্টোবর রাতে বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন।
- 📌 ৫৪ বছর বয়সী বিজ্ঞানী স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
- 📌 অপটোজেনেটিকস নামের গবেষণার জন্য তিনি নোবেল পেয়েছেন। এই প্রযুক্তি মস্তিষ্কের নিউরনকে আলোর মাধ্যমে অন-অফ করতে সাহায্য করে।
- 📌 সাক্ষাৎকারের সময় বিজ্ঞানী ঘোষণা দেন, তাঁর সন্তানদের জন্য টিফিন বানানোর জন্য সাংবাদিকদের বিরতি দেবেন।
- 📌 গভীর রাতে সাংবাদিকদের আসা-যাওয়ার কারণে প্রতিবেশীদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না, জানান বিজ্ঞানীর স্ত্রী ডক্টর মিশেল মঞ্জ।
- 📌 সকাল সাড়ে ছয়টায় বিজ্ঞানী তাঁর সন্তানদের টিফিন বানানোর জন্য বিরতি নেন।
📰 বিস্তারিত
৫ অক্টোবর রাতের গভীর সময়ে বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ নোবেল পুরস্কার জিতেছেন বলে জানতে পারেন। এই পুরস্কারটি তিনি জার্মানির দুই বিজ্ঞানীর সাথে যৌথভাবে পেয়েছেন। এই পুরস্কারটি পাওয়ার পর থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, তাঁর সন্তানদের জন্য টিফিন বানানোর জন্য সাংবাদিকদের বিরতি দেবেন। কারণ, তাঁর সন্তানদের স্কুলে যাওয়ার আগে খাবার বানানো তাঁর প্রধান দায়িত্ব।
৫৪ বছর বয়সী বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ ‘অপটোজেনেটিকস’ নামের নতুন এক প্রযুক্তির গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। এই প্রযুক্তি মস্তিষ্কের নিউরনকে আলোর মাধ্যমে অন-অফ করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানী স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি রাতের বেলা গবেষণা কাজ করতে পছন্দ করেন।
নোবেল পুরস্কার ঘোষণা পাওয়ার পর থেকে সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় বিজ্ঞানী জানান, তাঁর সন্তানদের জন্য টিফিন বানানোর জন্য সাংবাদিকদের বিরতি দেবেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ডাক্তার ও গবেষক। আমি মনোরোগবিশেষজ্ঞ হিসেবে অটিজম বা মানসিক বিষণ্নতায় ভোগা রোগীদের কষ্টের কথা ভাবি। এই গবেষণা তাদের মনে যে নতুন আশা জাগিয়েছে, তা আমার কাছে অনেক বড় এক পাওয়া।’
সাক্ষাৎকারের সময় বিজ্ঞানী জানান, তাঁর স্ত্রী ডক্টর মিশেল মঞ্জ তাঁর সহ-নোবেলজয়ী গবেষণা সঙ্গী পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং চিকিৎসাজগতে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন। বিজ্ঞানী জানান, তাঁর স্ত্রী তাঁর নোবেল পুরস্কার জয়ের খবরকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেছেন।
সকাল সাড়ে ছয়টায় বিজ্ঞানী তাঁর সন্তানদের টিফিন বানানোর জন্য বিরতি নেন। তিনি জানান, ঠিক সেই সময়েই তাঁর সন্তানদের ঘুম থেকে উঠবে। সকালের আলো ফোটার পর বিজ্ঞানী তাঁর সন্তানদের খবরটি জানান। তাঁর ছোট মেয়েরা আনন্দে বাবার কোলে উঠে পড়ে এবং খুশিতে চিৎকার করে ওঠে। বিজ্ঞানী জানান, তাঁর স্ত্রী মিশেল মঞ্জ তাঁদের বাসস্থান এলাকায় নোবেলজয়ী গুণী মানুষদের বসবাসের কথা উল্লেখ করে বলেন, গভীর রাতে এমন হইচই বা সাংবাদিকদের ভিড় জমানো সেখানে একদমই নতুন কোনো ঘটনা নয়।
"আমি একজন ডাক্তার ও গবেষক। আমি মনোরোগবিশেষজ্ঞ হিসেবে অটিজম বা মানসিক বিষণ্নতায় ভোগা রোগীদের কষ্টের কথা ভাবি। এই গবেষণা তাদের মনে যে নতুন আশা জাগিয়েছে, তা আমার কাছে অনেক বড় এক পাওয়া।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসেরথ, ডক্টর মিশেল মঞ্জ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ বছর বয়স, ৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!