📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আলো দিয়ে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণে নোবেল বিজয়ী তিন বিজ্ঞানী: অপটোজেনেটিক্সের আবিষ্কার

আলো দিয়ে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণে নোবেল বিজয়ী তিন বিজ্ঞানী: অপটোজেনেটিক্সের আবিষ্কার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের কৌশল আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও জর্জ নাগেল। এই আবিষ্কারটি অপটোজেনেটিক্স নামে পরিচিত এবং মস্তিষ্কের গবেষণায় বিপ্লব সৃষ্টি করেছে

আলো দিয়ে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের বিপ্লবী আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও জর্জ নাগেলকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাদের ‘আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিক্স’ বিষয়ে গবেষণার জন্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩ বিজ্ঞানী নোবেল**: কার্ল ডেইসেরথ (যুক্তরাষ্ট্র), পিটার হেগেম্যান ও জর্জ নাগেল (দুজন জার্মানি) যৌথভাবে ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন
  • 📌 **আলো-নিয়ন্ত্রিত স্নায়ুকোষ**: চ্যানেলরোডপসিন প্রোটিনের আবিষ্কার ও আলো ব্যবহার করে স্নায়ুর সংকেত নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি উদ্ভাবন
  • 📌 **অপটোজেনেটিক্সের আবিষ্কার**: জীবিত মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষের কার্যক্রম চালু-বন্ধ করার নতুন কৌশল
  • 📌 **বাংলাদেশ সময়ে ঘোষণা**: ৫ অক্টোবর সোমবার সকাল ৩টা ৩০ মিনিটে কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি ঘোষণা
  • 📌 **বিশ্বব্যাপী প্রভাব**: মস্তিষ্কের স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলেছে

📰 বিস্তারিত

কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি সুইডেনের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৩টা ৩০ মিনিটে) এই পুরস্কার ঘোষণা করে। নোবেল পুরস্কারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, এই তিন বিজ্ঞানী আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষের সংকেত নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই আবিষ্কারটি ‘অপটোজেনেটিক্স’ নামে পরিচিত এবং মস্তিষ্কের গবেষণায় বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

পিটার হেগেম্যান ও জর্জ নাগেল চ্যানেলরোডপসিন নামের একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেন, যা আলোর প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে। এরপর কার্ল ডেইসেরথ ইঁদুরের স্নায়ুকোষে এই প্রোটিনের জিন প্রবেশ করিয়ে দেখান যে, নীল আলো ফেললে স্নায়ুর সংকেত সক্রিয় করা যায়। পরবর্তীতে তিনি এই পদ্ধতিকে জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও কার্যকর করেন।

অপটোজেনেটিক্সের মাধ্যমে গবেষকরা মস্তিষ্কের অজানা রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারছেন। এই কৌশলটি বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারে মস্তিষ্কের স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণ নিয়ে গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

"আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষের সংকেত নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিটি জীবিত মস্তিষ্কের গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুইডেন (কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট), যুক্তরাষ্ট্র (হাওয়ার্ড হিউজেস মেডিকেল ইনস্টিটিউট), জার্মানি (হামবোল্ট ইউনিভার্সিটি অব বার্লিন, ইউনিভার্সিটি অব ভুর্জবুর্গ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান, জর্জ নাগেল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বিজ্ঞানী, ১১টা ৩০ মিনিট (সুইডেন সময়), ৩টা ৩০ মিনিট (বাংলাদেশ সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖