📌 মানব মস্তিষ্কের নিউরন নিয়ন্ত্রণের যুগান্তকারী আবিষ্কার অপটোজেনেটিক্সের জন্য মার্কিন ও জার্মান তিন বিজ্ঞানী ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে তারা পাবেন ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা)
২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মানব মস্তিষ্কের নিউরন নিয়ন্ত্রণের যুগান্তকারী আবিষ্কার অপটোজেনেটিক্সের তিন বিজ্ঞানী। মার্কিন স্নায়ুবিজ্ঞানী কার্ল ডাইসারোথ এবং জার্মানির পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল এই পুরস্কার লাভ করেছেন। সোমবার সুইডেনের স্টকহোমে কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি তাদের নাম ঘোষণা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কার্ল ডাইসারোথ (মার্কিন), পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল (জার্মানি) অপটোজেনেটিক্স আবিষ্কারের জন্য নোবেল পেয়েছেন
- 📌 পুরস্কার হিসেবে তারা পাবেন ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা)
- 📌 আবিষ্কারটি মানব মস্তিষ্কের ৯০ বিলিয়ন নিউরন নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতি
- 📌 আলোর মাধ্যমে নির্দিষ্ট নিউরনকে অন-অফ করা সম্ভব করে তোলা এই প্রযুক্তি
- 📌 ভবিষ্যতে পারকিনসন্স, অ্যালঝাইমারস ও মানসিক রোগ চিকিৎসায় ব্যবহার হবে
📰 বিস্তারিত
মানব মস্তিষ্কের জটিল কার্যপ্রণালী ও নিউরন নিয়ন্ত্রণের জন্য অপটোজেনেটিক্স আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি তাদের নাম ঘোষণা করেছে। এই পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১২ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (১ কোটি ২০ লাখ টাকা)। বর্তমান বাজারে এর মান প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
অপটোজেনেটিক্স আবিষ্কারের মূল বিষয়বস্তু হলো মানব মস্তিষ্কে প্রায় ৯০ বিলিয়ন নিউরন বা স্নায়ুকোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ। বিজ্ঞানীরা আলো-সংবেদনশীল প্রোটিন ব্যবহার করে স্নায়ুকোষকে আলোর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলে নিউরনের সংকেত অন বা অফ করা সম্ভব।
পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল ১৯৯০-এর দশকে আলো সংবেদনশীল প্রোটিন আবিষ্কার করেন। পরে ২০০২-২০০৩ সালে তারা চ্যানেলরোডোপসিন-২ প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে আলো ফেললে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, কার্ল ডাইসারোথ ২০০৫ সালে ইঁদুরের নিউরনে এই জিন স্থানান্তর করে প্রমাণ করেন যে আলোর সংকেত দিয়ে মস্তিষ্কের একক কোষগুলোকে চালনা করা সম্ভব।
"অপটোজেনেটিক্স পারকিনসন্স, অ্যালঝাইমারস, বিষণ্নতা ও সিজোফ্রেনিয়া রোগের কারণ ও চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা করেছে। এই প্রযুক্তি অন্ধত্ব দূরকরণ ও শ্রবণযন্ত্র উন্নয়নে গবেষণা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইডেনের স্টকহোম (কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্ল ডাইসারোথ (মার্কিন), পিটার হেগেম্যান ও গেওর্গ নাগেল (জার্মানি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা (১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা), ৯০ বিলিয়ন নিউরন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!