📌 নাসার ‘প্রাইমা’ টেলিস্কোপ মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করবে। এই প্রকল্পটি ২০৩৩ সালে উৎক্ষেপণে যাবে এবং ফার-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যে পর্যবেক্ষণ করবে। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে এই মিশনের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
মহাবিশ্বের গোপনীয়তা উন্মোচনের লক্ষ্যে নাসা (NASA) এর ‘প্রাইমা’ (PRIMA—PRobe far-Infrared Mission for Astrophysics) স্পেস টেলিস্কোপ প্রকল্প একটি নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এই বহুল প্রতীক্ষিত মিশনটি মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও বিবর্তনের ইতিহাস অনুসন্ধানে নাসার এক্সপ্লোরার্স প্রোগ্রামের ‘প্রোব এক্সপ্লোরার’ শ্রেণির প্রথম প্রকল্প হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নের ফেজ বি পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাসার ‘প্রাইমা’ টেলিস্কোপ ২০৩৩ সালে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নিয়ে ৫ বছরের মিশন শুরু করবে
- 📌 প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- 📌 ৫.৯ ফুট (১.৮ মিটার) ব্যাসের এই টেলিস্কোপ ফার-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যে পর্যবেক্ষণ করবে
- 📌 মহাবিশ্বের ধূলিকণায় আড়াল থাকা নক্ষত্র, গ্রহ ও ব্ল্যাকহোলের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে
- 📌 আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাজ্য যুক্ত
📰 বিস্তারিত
ফেজ বি পর্যায়ে ‘প্রাইমা’ প্রকল্পের প্রাথমিক নকশা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে ফেজ সি পর্যায়ে যাওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত, কর্মসূচিগত ও ব্যয়সংক্রান্ত মূল্যায়ন করা হবে। নাসা জানিয়েছে, এই মিশনটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মতো ইনফ্রারেড পর্যবেক্ষণাগার এবং রেডিও টেলিস্কোপের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি পূরণ করবে। ফার-ইনফ্রারেড আলো পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ‘প্রাইমা’ মহাবিশ্বের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে, যার মধ্যে রয়েছে গ্রহ ও নক্ষত্রের সৃষ্টি, ছায়াপথ ও তাদের ব্ল্যাকহোলের বিকাশ, মহাবিশ্বে ধূলিকণা ও ভারী মৌলের গঠন এবং বিস্তার।
মিশনটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (JPL)। এছাড়াও, নাসার গডার্ড ও মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টার এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে ফ্রান্সের CNES, ইতালির ASI, জার্মানির DLR, কানাডার CSA, দক্ষিণ কোরিয়ার KASI, জাপানের JAXA ও যুক্তরাজ্যের UK Space Agency যুক্ত হয়েছে।
‘প্রাইমা’ টেলিস্কোপের ব্যাস প্রায় ৫.৯ ফুট (১.৮ মিটার)। এটি দূর-অবলোহিত বা ফার-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করবে। এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে পৃথিবীর মতো গ্রহের উৎপত্তি এবং পানির উৎস সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
"মহাবিশ্বের ধূলিকণায় আড়াল থাকা বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে ‘প্রাইমা’ মহাবিশ্বের গোপনীয়তা উন্মোচন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাকাশ (স্পেস টেলিস্কোপ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাসা (NASA), জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (JPL)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ব্যয়), ৫.৯ ফুট (১.৮ মিটার) (টেলিস্কোপের ব্যাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!