📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাসা চাঁদের গভীর গহ্বরে গবেষণা অভিযান: প্রাচীন লাভা সুড়ঙ্গের রহস্য উন্মোচন করতে যাচ্ছে

নাসা চাঁদের গভীর গহ্বরে গবেষণা অভিযান: প্রাচীন লাভা সুড়ঙ্গের রহস্য উন্মোচন করতে যাচ্ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাসা চাঁদের মারিয়াস হিলস গহ্বরে অভিযান চালাবে। ৩৪ মিটার গভীর এই গহ্বরে লাভা সুড়ঙ্গের অস্তিত্ব খুঁজে বের করার লক্ষ্যে জিমলি প্রকল্পে গ্রাউন্ড-পেনিট্রেটিং রাডার ও সিসমিক সেন্সর ব্যবহার করা হবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এ অভিযান চাঁদের ভূগর্ভস্থ গঠন সম্পর্কে নতুন তথ্য দেবে

চাঁদের প্রাচীন আগ্নেয় অঞ্চলে অবস্থিত রহস্যময় গহ্বরে অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেয়েছে নাসা। চাঁদের মারিয়াস হিলস গহ্বরে লাভা সুড়ঙ্গ বা ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের অস্তিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালিত হবে। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, এই গহ্বর থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতে চাঁদে মানব অভিযানের সময় নভোচারীদের জন্য প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদের মারিয়াস হিলস গহ্বরে ৩৪ মিটার গভীরে লাভা সুড়ঙ্গের অস্তিত্ব খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নাসা অভিযান চালাবে
  • 📌 গহ্বরের প্রস্থ ৬৫ থেকে ৯০ মিটার এবং এর গভীরতা ৩৪ মিটার (১১১ ফুট)
  • 📌 জিমলি প্রকল্পে গ্রাউন্ড-পেনিট্রেটিং রাডার, সিসমিক সেন্সর ও গ্র্যাভিমিটার ব্যবহার করা হবে
  • 📌 প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক আমান্ডা হেনড্রিক্স বলেছেন, চাঁদের মাটিতে সরাসরি গবেষণা শুরু হচ্ছে
  • 📌 অ্যাপোলো মিশনের পর প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটিতে উৎসভিত্তিক সিসমিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে

📰 বিস্তারিত

চাঁদের মারিয়াস হিলস পিট বা গহ্বরের গভীরতা ৩৪ মিটার এবং প্রস্থ ৬৫ থেকে ৯০ মিটার। এই গহ্বরের অস্তিত্ব কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে নিশ্চিত করা গেছে, তবে এটি কোনো বিশাল লাভা সুড়ঙ্গের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। নাসার এই নতুন মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চাঁদের ভূগর্ভস্থ গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা।

জিমলি প্রকল্পের নেতৃত্বে রয়েছে প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউট। এই প্রকল্পে গ্রাউন্ড-পেনিট্রেটিং রাডার, সিসমিক সেন্সর ও গ্র্যাভিমিটার ব্যবহার করা হবে। এছাড়া ক্যামেরার মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠ ও গহ্বরের দেয়ালের ছবিও তোলা হবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই তথ্য চাঁদের আগ্নেয়গিরির ইতিহাস সম্পর্কে নতুন আলো পড়বে এবং ভবিষ্যতে চাঁদে মানব অভিযানের সময় নভোচারীদের জন্য প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল খুঁজে বের করা সহজ হবে।

প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমান্ডা হেনড্রিক্স বলেছেন, “দীর্ঘদিন ধরে কক্ষপথ থেকে জানার চেষ্টা করা বৈজ্ঞানিক প্রশ্নগুলোর উত্তর এবার সরাসরি চাঁদের মাটিতে নেমে জানা যাবে।” তিনি আরও বলেছেন, অ্যাপোলো মিশনের পর এই প্রথম চাঁদের মাটিতে উৎসভিত্তিক সিসমিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

"দীর্ঘদিন ধরে যেসব বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের উত্তর কক্ষপথ থেকে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেগুলো এবার সরাসরি চাঁদের মাটিতে নেমে জানা যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁদের মারিয়াস হিলস গহ্বর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমান্ডা হেনড্রিক্স (প্ল্যানেটারি সায়েন্স ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ মিটার (গহ্বরের গভীরতা), ৬৫-৯০ মিটার (প্রস্থ), ১১১ ফুট (গভীরতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖