📌 মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেডের চেয়ে বেশি। শিশু ওয়ার্ডে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে রোগীরা। শয্যা না পেলে ক্যানুলা লাগানো হচ্ছে। রোগীদের মশারি ছাড়াই চিকিৎসা চলছে
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেডের চেয়ে অনেক বেশি। শিশু ওয়ার্ড থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক ওয়ার্ডে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে রোগীরা। শয্যা না পেলে ক্যানুলা লাগানো হচ্ছে এবং মশারি ছাড়াই চিকিৎসা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুগদা মেডিকেলে ৫০০ বেডের হাসপাতালে অতিরিক্ত ডেঙ্গু রোগীরা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে
- 📌 শিশু ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত শিশুদের একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলছে, শয্যা না পেলে মেঝেতে শুয়ে ক্যানুলা লাগানো হচ্ছে
- 📌 ৫ বছরের নাফিয়া ও ১১ বছরের আয়েশা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন, শয্যা না পেলে মা-বাবা চিন্তিত
- 📌 ৬৫ বছর বয়সী আবুল হোসেনের স্যালাইন বন্ধ হয়ে গেলেও নার্সরা দায়িত্ব এড়িয়ে চলেছেন
- 📌 ডেঙ্গু ওয়ার্ডে মশারি টানানো না থাকা সত্ত্বেও রোগীদের মশারি ছাড়াই চিকিৎসা চলছে
📰 বিস্তারিত
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে পাঁচ বছরের নাফিয়া মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন। শীর্ণ হাতে ক্যানুলা লাগানো এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। নাফিয়া হাম ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এবং হৃদ্যন্ত্রেও ছিদ্র ধরা পড়েছে। নাফিয়ার মা মাহমুদা আক্তার জানান, ডাক্তার বলেছেন পজিশন খারাপ।
হাসপাতালের উপপরিচালক মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম জানান, ৫০০ বেডের হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীদের জন্য মোটা ফোম ও ম্যাট্রেস দিয়ে মেঝেতে চিকিৎসা চলছে। ১০ তলায় পুরুষ ডেঙ্গু রোগীদের, ১১ তলায় নারী রোগীদের এবং ৭ তলায় শিশুদের চিকিৎসা চলছে। শিশু ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত শিশুদের একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলছে, কাপড়ের পর্দা দিয়ে ভাগ করা হয়েছে।
৯ বছরের শারিনা এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। বাবা আশিকুর রহমান বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর প্লাটিলেট ৩৪ হাজারে নেমে গিয়েছিল। ব্লাডপ্রেশার ওঠানামা করছে, টেনশন হচ্ছে। ১১ বছরের আয়েশা তিন দিন ধরে ভর্তি হলেও শয্যা পাচ্ছেন না।
৬৫ বছর বয়সী আবুল হোসেনের স্যালাইন বন্ধ হয়ে গেলেও নার্সরা দায়িত্ব এড়িয়ে চলেছেন। স্বামীকে নিয়ে চিন্তিত জহুরা বেগম বলেন, নার্সরা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। একই ধরনের অভিযোগ করেন আরেক রোগীর স্বজন মো. শরীফ, তিনি বলেন, তথ্য মিলছে না।
"প্রত্যেক রোগীর জন্য বেড নাই। কাজেই অতিরিক্ত রোগীদের জন্য মোটা ফোম ও ম্যাট্রেস দিয়ে ফ্লোরে রেখে আমরা চিকিৎসা দিচ্ছি।"
"মাইয়া তো সুস্থ হয় না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম (উপপরিচালক), মাহমুদা আক্তার (নাফিয়ার মা), আশিকুর রহমান (শারিনার বাবা), জহুরা বেগম (আবুল হোসেনের স্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ বেডের হাসপাতাল, ১০ তলা (পুরুষ ওয়ার্ড), ১১ তলা (নারী ওয়ার্ড), ৭ তলা (শিশু ওয়ার্ড), ৫ বছর (নাফিয়া), ৯ বছর (শারিনা), ১১ বছর (আয়েশা), ৬৫ বছর (আবুল হোসেন), ৩৪ হাজার (প্লাটিলেট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!