📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কর্মজীবনে বিশ্রামের অপরাধবোধ: গবেষণা প্রকাশ করে মানসিক চাপের গোপন কারণ

কর্মজীবনে বিশ্রামের অপরাধবোধ: গবেষণা প্রকাশ করে মানসিক চাপের গোপন কারণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আধুনিক কর্মজীবনে বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধের কারণ হিসেবে 'লেজার গিল্ট' নামক মানসিক প্রবণতা গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের গবেষণায় দেখা গেছে, অবসর সময়েও কর্মক্ষমতা অনুভব না করলে মানসিক স্বস্তি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ডিজিটাল যুগের কর্মসংস্কৃতি ও চাকরির নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা এই প্রবণতাকে আরও জোরদার করছে

আধুনিক কর্মজীবনে বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধের কারণ হিসেবে গবেষকরা একটি নতুন মানসিক প্রবণতা চিহ্নিত করেছেন। মনোচিকিৎসক ও লাইফ কোচদের মতে, এই প্রবণতা ব্যক্তিগত মানসিকতা ছাড়াও কর্মসংস্কৃতির কারণে তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের গবেষকদের ২০২৬ সালের গবেষণায় ‘লেজার গিল্ট’ বা অবসর সময়ে অপরাধবোধকে একটি আলাদা মানসিক প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অবসর সময়েও অনেক কর্মী মনে করেন তারা যথেষ্ট কর্মক্ষম নয়, ফলে বিশ্রামে থেকেও মানসিক স্বস্তি পাওয়া সম্ভব নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপের গবেষণায় ‘লেজার গিল্ট’ নামক মানসিক প্রবণতা চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে অবসর সময়েও কর্মী মনে করেন তারা যথেষ্ট কর্মক্ষম নয়
  • 📌 জার্মান মনোবিজ্ঞানী সাবিনে জোনটাগের গবেষণায় দেখা গেছে, কাজের চাপ বাড়লে মানসিকভাবে কাজ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয় না, ফলে ক্লান্তি বাড়ে
  • 📌 ডিজিটাল যুগে ফোনের নোটিফিকেশন, ই-মেইল ও বার্তা কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে বিশ্রামের সময়ও মন পুরোপুরি কাজ থেকে বের হতে পারে না
  • 📌 চাকরির নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সংস্কৃতি কর্মীদের মনে স্থায়ী চাপ তৈরি করে
  • 📌 গবেষকদের মতে, কর্মক্ষেত্রে কতক্ষণ উপস্থিত ছিলেন তার বদলে কী কাজ করেছে, সেদিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

গবেষণায় দেখা গেছে, অবসর সময়েও অনেক কর্মী মনে করেন তারা যথেষ্ট ‘প্রোডাক্টিভ’ বা কর্মক্ষম নন। এই অপরাধবোধ বেশি থাকলে বিশ্রামে থেকেও মানসিক স্বস্তি পাওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স ইউনিভার্সিটি, ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটি ও হার্ভার্ডের গবেষকদের ২০২১ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, অবসরকে ‘সময় নষ্ট’ বা কম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে সেই সময়টুকু উপভোগ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। অর্থাৎ বিশ্রাম বা ছুটির সময় মনে হতে পারে, সময়টা বুঝি অন্য কোনো কাজে দেওয়া উচিত ছিল।

জার্মান মনোবিজ্ঞানী সাবিনে জোনটাগের দীর্ঘদিনের গবেষণায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। কাজ শেষে শুধু অফিস থেকে বেরিয়ে আসাই যথেষ্ট নয়; কাজের চিন্তা থেকেও মানসিকভাবে কিছুটা দূরে সরে আসতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কাজের চাপ বাড়লে মানসিকভাবে কাজ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয় না। ফলে ক্লান্তি ও মানসিক চাপ বাড়ে। এই বৈপরীত্য তৈরি হয় অতিরিক্ত কাজের সময়েই শরীর ও মনের বেশি বিশ্রাম প্রয়োজন হলেও তখনই কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া সবচেয়ে কঠিন হয়ে পড়ে।

ডিজিটাল যুগে ফোনের নোটিফিকেশন, ই-মেইল, ম্যাসেজের মাধ্যমে কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ল্যাপটপ, ফোন আর নোটিফিকেশন কাজকে ঘরের ভেতরও নিয়ে আসে। রাতের খাবারের সময় ই-মেইল দেখা কিংবা ছুটির দিনেও অফিসের কল ধরা, এসব অভ্যাস মস্তিষ্ককে দীর্ঘ সময় ধরে কাজের মধ্যেই রাখে। ফলে শরীর বিশ্রামে গেলেও মন পুরোপুরি কাজ থেকে বের হতে পারে না।

চাকরির নিরাপত্তা নিয়েও অনিশ্চয়তা অনেককে বেশি সময় কাজ করতে বাধ্য করে। স্বল্পমেয়াদি চুক্তি, হঠাৎ ছাঁটাই কিংবা পদোন্নতির সঙ্গে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সংস্কৃতি কর্মীদের মনে তৈরি করতে পারে এক ধরনের স্থায়ী চাপ। তখন বিরতি নেওয়া মানেই মনে হতে পারে, অন্যরা যখন এগিয়ে যাচ্ছে, আমি তখন থেমে আছি। বিশ্রামের প্রয়োজন থাকলেও তাই অপরাধবোধ সহজে পিছু ছাড়ে না।

"মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়েছি’ বা ‘সকাল থেকে একটানা কাজ করছি’ এ ধরনের কথা ব্যস্ততাকে গৌরবান্বিত করার অংশ হয়ে ওঠেছে। কতটা বিশ্রাম পেয়েছি, তার বদলে কতটা ব্যস্ত ছিলাম, সেটিই যেন সাফল্যের মাপকাঠি হয়ে দাড়িয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ, জার্মান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনোচিকিৎসক ও লাইফ কোচদের, সাবিনে জোনটাগ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬, ২০২১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖