📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মঙ্গলের দুটি চাঁদ হারিয়ে যাবে কি? লাভক্র্যাফটের সায়েন্স ফিকশন ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হতে পারে কিনা?

মঙ্গলের দুটি চাঁদ হারিয়ে যাবে কি? লাভক্র্যাফটের সায়েন্স ফিকশন ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হতে পারে কিনা?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হরর লেখক হ.পি. লাভক্র্যাফটের সায়েন্স ফিকশন গল্পে মঙ্গল গ্রহের চন্দ্রহীন হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলের দুটি চাঁদ ফোবোস ও ডিমোস ধীরে ধীরে গ্রহের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে এবং একদিন হারিয়ে যেতে পারে

মঙ্গল গ্রহের দুটি ছোট চাঁদ ফোবোস ও ডিমোস ধীরে ধীরে গ্রহের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে। এই ঘটনাটি হরর লেখক হ.পি. লাভক্র্যাফটের সায়েন্স ফিকশন গল্পের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্যি করে তুলতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই দুটি চাঁদ একদিন হারিয়ে যেতে পারে। তবে এই ঘটনার পেছনে রয়েছে একটি জটিল বিজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলের দুটি চাঁদ ফোবোস ও ডিমোস ধীরে ধীরে গ্রহের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে এবং একদিন হারিয়ে যেতে পারে
  • 📌 ফোবোস মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে ঘোরে এবং এক মঙ্গলীয় দিনে তিনবার উঠে ও ডুবে
  • 📌 ফোবোসের শরীরে ৯ কিলোমিটার ব্যাসের স্টিকনি নামের একটি বিশাল গর্ত রয়েছে, যা সম্ভবত ধাক্কা লাগার কারণে সৃষ্টি হয়েছে
  • 📌 ডিমোসের ব্যাস মাত্র ১২ কিলোমিটার এবং এটি মঙ্গলের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৩ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে ঘোরে
  • 📌 বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ফোবোস মঙ্গলের মহাকর্ষের টানে ধীরে ধীরে গ্রহের দিকে পতিত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

মঙ্গল গ্রহের দুটি চাঁদ ফোবোস ও ডিমোসের সৃষ্টি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। একটি মত অনুযায়ী, এই দুটি চাঁদ মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানের গ্রহাণুবেষ্টনী থেকে আসা পাথর। অন্য একটি মত অনুযায়ী, বহু আগে কোনো বিশাল মহাজাগতিক বস্তু মঙ্গলে আছড়ে পড়ার ফলে ছিটকে ওঠা পাথর ও ধুলো মঙ্গলের চারপাশে জমে এই দুটি চাঁদ সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ফোবোসের কক্ষপথ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এবং একদিন এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়বে।

১৮৭৭ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী আসাফ হল ফোবোস ও ডিমোসের আবিষ্কার করেন। তার স্ত্রী অ্যাঞ্জেলিনা স্টিকনি তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। এই দুটি চাঁদের নাম গ্রিক পুরাণের যুদ্ধদেবতা অ্যারিসের দুই সঙ্গী ফোবোস ও ডিমোস থেকে নেওয়া হয়েছে। ফোবোসের ব্যাস মাত্র ২২ কিলোমিটার এবং এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে ঘোরে। এর কারণে মঙ্গলে দাঁড়িয়ে ফোবোসকে পশ্চিম থেকে উঠতে এবং পূর্বে ডুবতে দেখা যায়। এক মঙ্গলীয় দিনে এই ঘটনা প্রায় তিনবার ঘটে।

ফোবোসের শরীরে একটি বিশাল গর্ত রয়েছে, যার নাম স্টিকনি। এই গর্তের ব্যাস প্রায় ৯ কিলোমিটার। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সম্ভবত কোনো ধাক্কা লাগার কারণে এই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ফোবোসের পৃষ্ঠে সারি সারি খাঁজও রয়েছে, যার সৃষ্টি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনও একমত হতে পারেননি। অন্যদিকে ডিমোসের ব্যাস মাত্র ১২ কিলোমিটার এবং এটি মঙ্গলের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৩ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে ঘোরে। একবার ঘুরতে এর সময় লাগে প্রায় ৩০ ঘণ্টা।

"মঙ্গলের দুটি চাঁদ ধীরে ধীরে গ্রহের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে এবং একদিন হারিয়ে যেতে পারে। এই ঘটনাটি লাভক্র্যাফটের সায়েন্স ফিকশন গল্পের ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্যি করে তুলতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মঙ্গল গ্রহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হ.পি. লাভক্র্যাফট, আসাফ হল, অ্যাঞ্জেলিনা স্টিকনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ কিলোমিটার (ফোবোসের ব্যাস), ৬ হাজার কিলোমিটার (ফোবোসের দূরত্ব), ৯ কিলোমিটার (স্টিকনি গর্তের ব্যাস), ১২ কিলোমিটার (ডিমোসের ব্যাস), ২৩ হাজার ৪০০ কিলোমিটার (ডিমোসের দূরত্ব), ৩০ ঘণ্টা (ডিমোসের কক্ষপথ সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖