📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাধবকুণ্ডে পেয়েছেন বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’: এক যুগের খোঁজ শেষ

মাধবকুণ্ডে পেয়েছেন বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’: এক যুগের খোঁজ শেষ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ আমিনুর রহমান এক যুগের বেশি সময় ধরে খোঁজছিলেন বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’। ২৮ নভেম্বর ২০২৫-এ মাধবকুণ্ডে এই বিরল প্রজাতির প্রজাপতির সন্ধান পান। সিলেটের এই ঝরনায় ১০টি নতুন প্রজাতির প্রজাপতি ও ১২টি পাখির ছবি তুলেন তিনি

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ আমিনুর রহমান এক যুগের বেশি সময় ধরে খোঁজছিলেন বাংলাদেশের বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’। সিলেটের মাধবকুণ্ড ঝরনায় ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে এই বিরল প্রজাতির সন্ধান পাওয়ার পর তিনি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। এই বিরল প্রজাপতির বৈজ্ঞানিক নাম Cyrestis thyodamas এবং ইংরেজি নাম Common Map/Mapwing।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে মাধবকুণ্ডে পেয়েছেন বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’ — এক যুগের বেশি খোঁজের পর
  • 📌 ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রথমবার মাধবকুণ্ডে গিয়ে পতঙ্গটি দেখতে পাননি, কিন্তু ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সফল হন
  • 📌 ১০টি নতুন প্রজাতির প্রজাপতি, ১২টি পাখি ও ২টি কাঠবিড়ালির ছবি তুলেছেন মাধবকুণ্ডে
  • 📌 ৫০-৬০ মিলিমিটার বিস্তারের এই প্রজাপতির ডানা সাদা ও আধা স্বচ্ছ, ডানার ওপর চকলেট-বাদামি রেখা ও ছোট ছোট চোখসদৃশ নকশা রয়েছে
  • 📌 সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনের ঝরনা ও পাথুরে ছড়ায় বাস করে এই বিরল প্রজাতি

📰 বিস্তারিত

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ আমিনুর রহমান এক যুগের বেশি সময় ধরে খোঁজছিলেন বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’। তিনি লাউয়াছড়া, সাতছড়ি, রেমা-কালেঙ্গা, আদমপুর, কাপ্তাই, হাজারিখিলসহ বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পতঙ্গটির সন্ধান করলেও দেখা পাননি। ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ডে গিয়ে তিনি প্রথমবার পতঙ্গটির ছবি তুলতে চাইলেও তা সফল হয়নি।

২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বার্ডিংবিডি ট্যুরসের সঙ্গে আবারও মাধবকুণ্ডে গিয়ে তিনি সকাল নয়টার মধ্যেই পরীকুণ্ডে পতঙ্গটির সন্ধান পান। গাইড রাসেল দেববর্মা ও ইকবাল বাবুর সহায়তায় তিনি সাড়ে এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের মধ্যে ১৫টি প্রজাতির প্রজাপতি, ১২টি পাখি ও ২টি কাঠবিড়ালির ছবি তুলতে সক্ষম হন।

বিরল প্রজাপতি ‘মহি সীমান্ত’র বৈজ্ঞানিক নাম Cyrestis thyodamas। এই প্রজাতির ডানা ৫০-৬০ মিলিমিটার বিস্তার বিশিষ্ট। ডানার ওপর চকলেট-বাদামি রেখা ও ছোট ছোট চোখসদৃশ নকশা রয়েছে। পুরুষের ডানার নিচ ফ্যাকাশে সাদা, স্ত্রীর ডানার নিচ ফ্যাকাশে হলদে। এই প্রজাতির প্রজাপতিরা শীতল, আর্দ্র ও ছায়াঘেরা বনের বাসিন্দা। সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনের ঝরনা, জলপ্রপাত, স্যাঁতসেঁতে বনপথ, পাথুরে ছড়া বা জলধারা ও আর্দ্র বন প্রান্তের কাছাকাছি বাস করে।

"মাধবকুণ্ড ঝরনা থেকে খানিকটা আগেই পরীকুণ্ডে পাখিটিকে পেয়ে গেলাম সকাল নয়টার মধ্যেই। সেদিন অতি আরাধ্য প্রজাপতিটিসহ ১০ প্রজাতির নতুন প্রজাপতি পেয়েছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাধবকুণ্ড ঝরনা, মৌলভীবাজার, সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিনুর রহমান (বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ নভেম্বর ২০২৫ (তারিখ), ৫০-৬০ মিলিমিটার (ডানার বিস্তার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖