📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ল্যাকটোজ অসহিষ্ণতা কেন জিনগত নয়? বিবর্তনের এই অদ্ভুত রহস্য

ল্যাকটোজ অসহিষ্ণতা কেন জিনগত নয়? বিবর্তনের এই অদ্ভুত রহস্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বের ৬৫% মানুষ ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু হলেও ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু জনগোষ্ঠী জিনগতভাবে দুধ হজম করতে পারে। মধ্য এশিয়ার মঙ্গোল ও কাজাখদের ক্ষেত্রে এই বিবর্তনীয় ধাঁধা আরো জটিল হয়ে উঠেছে

দুধ হজমের সমস্যা নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রচলিত ধারণা হলো এটি শুধুমাত্র জিনগত কারণেই ঘটে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই রহস্যের পেছনে শুধু জিনগত কারণই নয়, বিবর্তনীয় প্রক্রিয়া ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানবদেহের বিবর্তনের ইতিহাসে ল্যাকটোজ পারসিস্টেন্স (দুধ হজম করার ক্ষমতা) একটি বিশেষ উদাহরণ। শৈশবকালে ল্যাকটেজ এনজাইমের মাধ্যমে শিশুরা মায়ের দুধ হজম করতে পারে, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই এনজাইমের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বের প্রায় ৬৫% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু (ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট) — তাদের দুধ পান করলে পেটে গ্যাস, ক্র্যাম্প, ফুলে যাওয়া বা ডায়রিয়া হয়
  • 📌 ইউরোপের কিছু দেশে (যেমন যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড) ৯০-৯৭% মানুষ জিনগতভাবে ল্যাকটোজ সহনশীল — এনজাইমের উৎপাদন অব্যাহত থাকে
  • 📌 মধ্য এশিয়ার মঙ্গোল ও কাজাখদের ক্ষেত্রে পশুপালন ও ডেইরি খাদ্যের নির্ভরতা ৩৫% হলেও সবার ল্যাকটোজ সহনশীল নন — বিবর্তনের এই ব্যতিক্রম রহস্যময়
  • 📌 ল্যাকটোজ পারসিস্টেন্সের বিবর্তনীয় তত্ত্বের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণও ভূমিকা রাখে

📰 বিস্তারিত

বিশ্বের প্রায় ৬৫% মানুষের শরীরে ল্যাকটেজ এনজাইমের উৎপাদন বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে যায়। ফলে তারা কাঁচা দুধ পান করলে পেটে বিভিন্ন সমস্যা যেমন গ্যাস, ক্র্যাম্প, ফুলে যাওয়া বা ডায়রিয়া হয়। তবে ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলের মানুষের মধ্যে জিনগত মিউটেশনের কারণে ল্যাকটেজ এনজাইমের উৎপাদন অব্যাহত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যে প্রায় ৯০-৯৫% এবং ডেনমার্ক ও আয়ারল্যান্ডে ৯৬-৯৭% মানুষ জিনগতভাবে ল্যাকটোজ সহনশীল।

বৈজ্ঞানিকদের মতে, পশুপালন শুরু হওয়ার পর থেকে দুধের পুষ্টিগুণ ও ক্যালরি পাওয়ার জন্য এই ক্ষমতা বিকশিত হয়েছে। কিন্তু মধ্য এশিয়ার মঙ্গোল ও কাজাখদের ক্ষেত্রে এই তত্ত্বের ব্যতিক্রম দেখা যায়। এই অঞ্চলে পশুপালন ও ডেইরি পণ্যের ওপর খাদ্য নির্ভরতা প্রায় ৩৫% হলেও সবার ল্যাকটোজ সহনশীল নন। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ৫ হাজার বছর আগে এই অঞ্চলে পশুপালন শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিবর্তনের এই অদ্ভুত রহস্য এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

বিবর্তনীয় বিজ্ঞানীরা বলেন, ল্যাকটোজ পারসিস্টেন্সের পেছনে শুধু জিনগত কারণেই নয়, সাংস্কৃতিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু জনগোষ্ঠী জিনগতভাবে এই ক্ষমতা অর্জন করেছে, অন্যরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে দুধ পানে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। এই বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মহলে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক চলছে।

"ল্যাকটোজ পারসিস্টেন্স একটি বিবর্তনীয় ধাঁধা — কেন কিছু জনগোষ্ঠী জিনগতভাবে এই ক্ষমতা অর্জন করেছে, অন্যরা কেবল সাংস্কৃতিক অভ্যাসের মাধ্যমে দুধ পানে অভ্যস্ত হয়েছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইউরোপ (যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড), আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া (মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বৈজ্ঞানিক গবেষকরা (সূত্রে উল্লেখিত নন, তবে বিষয়বস্তুতে জড়িত)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫% (ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু), ৯০-৯৭% (ল্যাকটোজ সহনশীল ইউরোপীয়), ৩৫% (মধ্য এশিয়ার ডেইরি নির্ভরতা), ৫ হাজার বছর (পশুপালন শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖