📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় আর্সেনিক, জীবাণু ও লবণাক্ত পানির বিপদ: বৃষ্টির পানি থেকে শুরু করে ঘরের পানি সবই ঝুঁকিতে

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় আর্সেনিক, জীবাণু ও লবণাক্ত পানির বিপদ: বৃষ্টির পানি থেকে শুরু করে ঘরের পানি সবই ঝুঁকিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, আর্সেনিক ও জীবাণু দূষিত পানির কারণে স্বাস্থ্য বিপদ বাড়ছে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও নলকূপের পানি ব্যবহারে ত্রুটি থাকায় পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত পানি ব্যবহার করছে। গবেষণা অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে ৬৩.২% পানিতে জীবাণু ও ১৭.৮% পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বিপজ্জনক।

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, আর্সেনিক ও জীবাণু দূষিত পানির কারণে স্বাস্থ্য বিপদ বাড়ছে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও নলকূপের পানি ব্যবহারে ত্রুটি থাকায় পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত পানি ব্যবহার করছে। গবেষণা অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে ৬৩.২% পানিতে জীবাণু ও ১৭.৮% পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বিপজ্জনক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের কামরুল ইসলামের পরিবার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করছে, যা জীবাণু ও সিসায় দূষিত হতে পারে।
  • 📌 বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের জরিপে খুলনা বিভাগে ৬৩.২% পানিতে ই কোলাই জীবাণু পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৯২.৯% পানি ঘরে পান করা অবস্থায় দূষিত।
  • 📌 খুলনা বিভাগে ১৭.৮% পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সীমার চেয়ে বেশি, যেখানে ১০.৭% পানিতে মাঝারি ও ৩.৮% পানিতে উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা রয়েছে।
  • 📌 আর্সেনিকের ক্ষত থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও শফিকুল ইসলামের পরিবার নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছে, সরকারি সরবরাহ অপ্রতুল।
  • 📌 জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানায়, খুলনার দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, মোংলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় নিরাপদ পানির সংকট সর্বাধিক।

📰 বিস্তারিত

খুলনার উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত পানি ব্যবহার করছে। খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের কামরুল ইসলামের পরিবার বর্ষার সময় ছাদ থেকে পানি সংগ্রহ করে ট্যাংকে জমা রাখে। এই পানি রান্না, খাওয়া ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। কামরুল বলেন, ‘পানি পরিষ্কার দেখলে আমরা খেয়ে নিই। জীবাণু তো চোখে দেখা যায় না। কখনো পানি পরীক্ষা করাইনি।’ পরিবারের সদস্যদের মাঝেমধ্যে পেটের সমস্যা, পাতলা পায়খানা বা বমি হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫-এর জরিপে খুলনা বিভাগের ৬৩.২ শতাংশ পানিতে ই কোলাই জীবাণু পাওয়া গেছে। এই জীবাণু ছিল ঘরে পান করা অবস্থায় ৯২.৯ শতাংশ পানিতে। গবেষকরা বলছেন, উৎস থেকে পানি সংগ্রহ, বহন ও সংরক্ষণের পথে দূষণ ঘটতে পারে।

আর্সেনিকের বিপদও বেড়েছে। খুলনা বিভাগে ১৭.৮ শতাংশ পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি। একই জরিপে খুলনা বিভাগের ১০.৭ শতাংশ পানিতে মাঝারি এবং ৩.৮ শতাংশ পানিতে উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম শামীম আহমেদ বলেন, ‘লবণাক্ততা ও আর্সেনিক—দুটিই বড় সমস্যা। খুলনার দাকোপ, কয়রা ও পাইকগাছা; বাগেরহাটের মোংলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে নিরাপদ পানির সংকট বেশি।’

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম মোড়ল আর্সেনিকের ক্ষত থেকে মুক্তি পেয়েছেন, কিন্তু পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আর্সেনিকজনিত অসুস্থতা থেকে মারা গেছেন বাবা, মা, স্ত্রী, দাদি, চাচিসহ অনেকেই। তিনি বলেন, ‘গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করলেও নিরাপদ পানির সংকট কাটেনি। সরকার পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।’

"পানি পরিষ্কার দেখলে আমরা খেয়ে নিই। জীবাণু তো চোখে দেখা যায় না। কখনো পানি পরীক্ষা করাইনি।" — কামরুল ইসলাম, খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামের বাসিন্দা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা বিভাগের দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, মোংলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম মোড়ল, এস এম শামীম আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩.২% (পানিতে ই কোলাই), ৯২.৯% (ঘরে পান করা অবস্থায় জীবাণু), ১৭.৮% (আর্সেনিক দূষিত পানি), ১০.৭% (মাঝারি লবণাক্ততা), ৩.৮% (উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖